1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবার ডাক্তার সংকট নেই নারী চিকিৎসক - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ভাঙ্গুড়ায় ১৮০ পিস ইয়াবা ও ৬৯ হাজার টাকা নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী আটক  মাগুরায় শহরের বেবি প্লাজা মাকেটের ৬টি দোকানে শাটার ভেঙ্গে  চুরি রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী নোয়াখালীকে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের স্মারকলিপি জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্ম তারিখ, নাম সংশোধন সহজ করলো ইসি মহম্মদপুরে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ সাতকানিয়া-লোহাগাড়া টিভি সাংবাদিক ফোরাম গঠিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রূপান্তরের যুগে তরুণরাই সভ্যতার মূল শক্তি: তথ্যমন্ত্রী লাকসামে সম্পত্তির জের ধরে  গ্রাম্য সালিশির সিদ্ধান্তে মাইকে চার পরিবারকে সমাজচ্যুত করার ঘোষণা  কুমিল্লাকে কোনভাবেই মাদকের নিরাপদ পথ ও আশ্রয় হতে দেয়া হবে না:  গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী

শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবার ডাক্তার সংকট নেই নারী চিকিৎসক

মোঃ শাহীন হাওলাদার / স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২২
  • ৩১৭ বার

বাগেরহাটের শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবার চিকিৎসক সংকট দেখা দিয়েছে। যোগদানের পর পরই চার জন নারী চিকিৎসক অন্যত্র চলে গেছেন। এখন একজনও নারী চিকিৎসক নেই হাসপাতালটিতে। বর্তমানে চিকিৎসক আছেন মাত্র ছয় জন। তারা সবাই পুরুষ। উপজেলার প্রায় দুই লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম অবস্থায় পড়েছেন তারা।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, চার জন নারী চিকিৎসকের মধ্য থেকে ডা. ইসরাত জাহান যোগদানের পর পরই বাগেরহাট সদর হাসপাতালে এবং ডা. তাহসিনা হক প্রমি এক সপ্তাহ আগে খুলনা মেডিক্যালে সংযুক্ত (অ্যাটাচমেন্ট) হয়েছেন।

অপর দুই জনের মধ্যে ডা. শাহানা এবং ডা. কেয়া মনি রয়েছেন মাতৃত্বকালিন ছুটিতে। বর্তমানে একজন নারী চিকিৎসকও নেই এখানে। আবার পূর্বের সেই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. এস এম ফয়সাল আহমেদ জানান, সরকারি নিয়মে চাকরিতে যোগদানের পর কমপক্ষে দুই বছর নতুন চিকিৎসকদের গ্রামে থাকার বিধান রয়েছে। কিন্তু সেই নিয়ম অনেকেই মানছেন না। যে দুই জন অন্যত্র সংযুক্ত হয়েছেন, খাতাপত্রে ঠিকই তারা শরণখোলায় পোষ্টিং রয়েছেন। বেতনও তুলবেন এখান থেকে।

অথচ একটু ভালো সুযোগসুবিধা ভোগ করার আশায় উপর মহলে তদবির করে চলে গেছেন তারা। এ কারণে ডেলিভারী বা অন্যান্য নারী রোগিদের সেবা দিতে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। সঠিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে গ্রামের সাধারণ মানুষ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রিয় গোপাল বিশ্বাস বলেন, একঝাঁক তরুণ চিকিৎসক নিয়ে নতুন করে দীর্ঘদিনের সংকট কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছিলাম। প্রায় ছয় বছর ধরে বন্ধ থাকা অপারেশন থিয়েটারটিও স্বচল করা হয়েছে। এরই মধ্যে এক সাথে চার জন নারী চিকিৎসক চলে যাওয়ায় আবার সেই সংকটে পড়েছি। প্রতিদিন শত শত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net