1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
পায়রাবন্দ সরকারি বেগম রোকেয়া স্মৃতি কলেজে টাকা ছাড়া দেয়া হয়না একাডেমিক সার্টিফিকেট - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
এশিয়া কাপে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন রেকর্ড, বড় জয় ভারতের ইরানের তিন তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন  আলোর পথে এক ধাপ এগিয়ে প্রত্যয়ের প্রথম অজুখানার শুভ উদ্বোধন নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জের চরপার্বতীতে সালিসি বৈঠকে হামলা-ভাংচুর, বিএনপি নেতাসহ আহত ৫  নোয়াখালীর হাতিয়ায় হান্নান মাসউদের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন  নবীনগরে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও আলোচনা সভা মাগুরায় প্রতিবন্ধী ও অটিজম বিদ্যালয়ে ভ্যান প্রদান

পায়রাবন্দ সরকারি বেগম রোকেয়া স্মৃতি কলেজে টাকা ছাড়া দেয়া হয়না একাডেমিক সার্টিফিকেট

খন্দকার রাকিবুল ইসলাম,রংপুর ব্যুরো
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১১ মে, ২০২২
  • ৪৭৩ বার

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ ইউনিয়নে অবস্থিত পায়রাবন্দ সরকারি বেগম রোকেয়া স্মৃতি কলেজে টাকা ছাড়া দেয়া হয়না একাডেমিক সার্টিফিকেট।এমনটাই অভিযোগ প্রতিষ্ঠানটির সাবেক শিক্ষার্থীদের।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত সোমবার (৯ মে)
কলেজে এইচ এসসির সার্টিফিকেট তুলতে যায় অত্র কলেজের এইচ এস সি ২০১৯ শিক্ষাবর্ষের সাবেক শিক্ষার্থী মাজেদুল ইসলাম মাসুদ।সার্টিফিকেট বাবদ ২০০ টাকা দাবি করে কলেজ কর্তৃপক্ষ।এসময় সাবেক এই শিক্ষার্থী সার্টিফিকেটের জন্য বোর্ড নির্ধারিত অতিরিক্ত কোন ফি না থাকায় টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে প্রতিষ্ঠানটির ভাইস প্রিন্সিপাল আবু আল বাকের রাগান্বিত হয়ে বলেন, তুই টাকা না দিলে তোর সার্টিফিকেট এখানে পঁচে যাবে।তারপরও তুই সার্টিফিকেট পাবিনা।এমনটাই অভিযোগ শিক্ষার্থী মাজেদের।

অত্র কলেজের 2020 ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী রেদওয়ান মিয়া জানান ফ্রিতে সার্টিফিকেট দেয়া হয় এটা শুনেই আমি গত সোমবার কলেজে গিয়েছিলাম সার্টিফিকেট তুলতে।কিন্তু সেখানে যাওয়ার পর অফিস সহকারী মিঠু মাস্টার জানান,প্রিন্সিপাল ২০০ টাকার নিচে সার্টিফিকেট দিবে না।এবং মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র তুলার জন্য আলাদাভাবে ৪০০ টাকা দাবি করা হয়।আমার কাছে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় অফিস সহকারীকে ২০০ টাকা দিয়ে শুধু সার্টিফিকেট নিয়ে চলে এসেছি।

উক্ত কলেজের প্রভাষক আব্দুল খালেক জানান, সার্টিফিকেট বাবদ কোন প্রতিষ্ঠানেই ফি নেয়া হয় না।মার্কশিট ও প্রশংসাপত্র বাবদ ফি নেয়া হয়।আমরাও সার্টিফিকেট প্রদানে ফি নেইনা।প্রতিবেদককে বলেন,আপনাকে ভুল ইনফরমেশন দেয়া হয়েছে।

অত্র কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল আবু আল বাকের কে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান,সার্টিফিকেট এর জন্য বোর্ড নির্ধারিত ফি নাই।কিন্তু আমরা ২০০ টাকা করে নেই।এটা আমাদের প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণভাবে বিধান আছে।কোন শিক্ষার্থী আর্থিক অনটনের কারনে টাকা দিতে ব্যর্থ হলে তার সার্টিফিকেট দেয়া হবে কিনা প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান,আর্থিক অনটনের জন্য এই কলেজের অনেক শিক্ষার্থীকে আমরা ফুল ফ্রীতে পড়াশোনা করিয়েছি।একই সুবিধার আওতায় শিক্ষার্থী মাজেদকে কেন সার্টিফিকেট দেয়া হলো না।এর উত্তরে তিনি বলেন,হয়তো অই শিক্ষার্থীর পূর্বের কোন বেতন/অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক ফি বকেয়া আছে।একই সঙ্গে শিক্ষার্থীর সঙ্গে রাগান্বিত হওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে উল্টো অই শিক্ষার্থীর আচরনগত ত্রুটি রয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

এ বিষয়ে কথা বলতে পায়রাবন্দ সরকারি বেগম রোকেয়া স্মৃতি কলেজের প্রিন্সিপাল একরামুল হকের অফিসে গিয়ে ও মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।

মিঠাপুকুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহিদুল ইসলামকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান,সার্টিফিকেটের জন্য বোর্ডের কোন ফি আছে কিনা।এটা আমার জানা নেই।এ বিষয়ে শিক্ষা বোর্ডে যোগাযোগ করে জেনে নিতে পারেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net