1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
দর্শনা থানা পুলিশের কান্ড! নিরপরাধ পোশাক শ্রমিক আবু সাইদকে বানালেন আসামী সাইদুর - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কুমিল্লায় নিত্যপণ্যের বাজারে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৬ প্রতিষ্ঠানকে ২৪ হাজার টাকা জরিমানা এনসিটি এবং সিসিটি ১৫ বছর মেয়াদে বিদেশী অপারেটরকে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদে স্কপ চট্টগ্রামের মানববন্ধন হাজী আব্দুল মালেক ভূঁইয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে জেলা পুলিশের আয়োজনে আসন্ন দুর্গাপূজা-২০২৬ উপলক্ষে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী বিবাহ নিবন্ধন যুক্ত হবে এনআইডি ও পাসপোর্টে: আইনমন্ত্রী বিয়ে নিবন্ধন হবে অনলাইনে, সহজেই জানা যাবে আগের বিয়ের তথ্য: আইনমন্ত্রী

দর্শনা থানা পুলিশের কান্ড! নিরপরাধ পোশাক শ্রমিক আবু সাইদকে বানালেন আসামী সাইদুর

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০২২
  • ৩৪৬ বার

দর্শনা থানা পুলিশের কান্ড! নিরপরাধ পোশাক শ্রমিক আবু সাইদকে বানালেন আসামী সাইদুর।
আবু সাইদ (৪২)। চাকরি করেন গাজীপুর একটি পোশাক কারখানায়। ঈদের ছুটিতে স্ত্রী সন্তানসহ গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের দোস্ত গ্রাম এসেছেন।
গত মঙ্গলবার দর্শনা থানা পুলিশের দু’জন কর্মকর্তা আবু সাইদের বাড়িতে এসে বলে তার নামে মামলা আছে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। প্রেরণ করেন জেল হাজতে। পরের দিন আবু সাইদ সাইদুর নামে আদালত থেকে জামিনে আসে।

পোশাক শ্রমিক আবু সাইদ (৪২) চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানা দোস্তগ্রাম মোল্লা পাড়ার মৃত সিরাজ প্রধানের ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১২ সালের (১৭সেপ্টম্বর) দামুড়হুদা উপজেলার কৃষ্ণপুর বোয়ালমারী পাড়ার আবু বক্কর সিদ্দিক নামের একজনকে দোস্ত গ্রামের আমতলা মোড় এলাকায় কয়েকজন কুপিয়ে জখম করে। ওই ঘটনায় আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী আনোয়ারা (২১) চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এতে আসামী করা হয় দোস্ত গ্রামের কাশেম মোল্লার ছেলে মোসলেম মোল্লা (মারা গিয়েছে), সিরাজের ছেলে সাইদুর, জসিম মোল্লার ছেলে আইউব মোল্লা, ইলিয়াসের ছেলে দরদ আলিকে। ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত না থাকায় তদন্ত কর্মকর্তা চার্জশিট থেকে আইউব মোল্লা ও দরদ আলীর নাম বাদ দেন।

শুধু বাপের নাম মিল থাকায় সাইদুরের পরিবর্তে আবু সাইদ কে ধরে আনে পুলিশ। তবে এই ভুলের দায়ভার নিতে নারাজ দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এইচ এম লুৎফুল কবীর। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে আসামী গ্রেফতার করেছি। বাকিটা আদালত বোঝবে।

আপনি তো আসামী গ্রেফতার করেননি, গ্রেফতার করেছন নিরপরাধ একজনকে? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন,আদালত থেকে যে ভাবে নাম এসেছে সেভাবেই আসামী খুজে গ্রেফতার করা হয়েছে, এখানে আমার কিছু করার নেই।

পুলিশের এমন ভুলে একদিন জেল খাটে আসামীর নামেই জামিনে এসেছেন নিরপরাধ পোশাক শ্রমিক আবু সাইদ!

ভুক্তভোগী আবু সাইদ বলেন, আমার নামে কোনো মামলা নেই। প্রতিবারের মত এবারও ঈদে বাড়িতে এসেছি। মঙ্গলবার দুপুরে দর্শনা থানার উপ-পরিদর্শক শাহীন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক হাফিজ মোটরসাইকেল করে আমাদের বাড়িতে আসে। এসেই আমাকে বিভিন্ন কথা জিজ্ঞেস করে মোটরসাইকেলে তুলে থানায় নিয়ে যায়। আমি তখনো জানিনা আমাকে কেন থানায় নিয়ে যাচ্ছে, পরে শুনলাম আমি হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী। এরপর আমাকে জেল হাজত থেকে পরের দিন আদালত পাঠায় । পরের দিন আদালত থেকে জামিনে বাড়ি আসি। আগামী মাসের ২৭ তারিখে আবার আদালতে হাজির হওয়ার দিন ধার্য করেছে।

এব্যাপারে দর্শনা থানার এএসআই হাফিজ বলেন, আদালতের নির্দেশে আসামী গ্রেফতার করেছি। গ্রেফতারের আগে ওই গ্রামের মেম্বারকে বিষয়টি জানাই। সেও বলেছে এই মামলার আসামী এই ছেলেই।

বেগমপুর ইউপি সদস্য মো. আবু সালেহ বলেন, আমি কখনো পুলিশকে এমন কথা বলিনি। আমি না জেনে কেন বলতে যাবো? এটা পুলিশের ব্যাপার।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net