1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
দর্শনা থানা পুলিশের কান্ড! নিরপরাধ পোশাক শ্রমিক আবু সাইদকে বানালেন আসামী সাইদুর - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
শাহ আনোয়ার রহ. ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হাটহাজারীতে ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্প নোয়াখালীর চৌমুহনীতে হোটেল ম্যানেজারকে কুপিয়ে জখম, ক্যাশ থেকে ৫ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ  কোম্পানীগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পোনা মাছ অবমুক্ত  মৎস্য, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বাড়াতে জলাশয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে গ্লোবাল বারিস্তা ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের উদ্যোগ নবীগঞ্জে ই-পোস্ট কেন্দ্রের উদ্যোক্তা পুলিশ হেফাজতে, অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ  মাগুরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ – ২০২৬ এর উদ্বোধন   মাগুরায় হাসপাতালে বিশুদ্ধ পানি প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন এমপি মনোয়ার হোসেন খান  বাবা-মা দুজনই নেই, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ১০ বছরের সুরাইয়ার মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে হাটহাজারী বিএনপির দোয়া মাহফিল

দর্শনা থানা পুলিশের কান্ড! নিরপরাধ পোশাক শ্রমিক আবু সাইদকে বানালেন আসামী সাইদুর

বিশেষ প্রতিবেদকঃ
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৫ জুলাই, ২০২২
  • ৩৩২ বার

দর্শনা থানা পুলিশের কান্ড! নিরপরাধ পোশাক শ্রমিক আবু সাইদকে বানালেন আসামী সাইদুর।
আবু সাইদ (৪২)। চাকরি করেন গাজীপুর একটি পোশাক কারখানায়। ঈদের ছুটিতে স্ত্রী সন্তানসহ গ্রামের বাড়ি চুয়াডাঙ্গা জেলা সদরের দোস্ত গ্রাম এসেছেন।
গত মঙ্গলবার দর্শনা থানা পুলিশের দু’জন কর্মকর্তা আবু সাইদের বাড়িতে এসে বলে তার নামে মামলা আছে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মোটরসাইকেলে করে নিয়ে যাওয়া হয় থানায়। প্রেরণ করেন জেল হাজতে। পরের দিন আবু সাইদ সাইদুর নামে আদালত থেকে জামিনে আসে।

পোশাক শ্রমিক আবু সাইদ (৪২) চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনা থানা দোস্তগ্রাম মোল্লা পাড়ার মৃত সিরাজ প্রধানের ছেলে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১২ সালের (১৭সেপ্টম্বর) দামুড়হুদা উপজেলার কৃষ্ণপুর বোয়ালমারী পাড়ার আবু বক্কর সিদ্দিক নামের একজনকে দোস্ত গ্রামের আমতলা মোড় এলাকায় কয়েকজন কুপিয়ে জখম করে। ওই ঘটনায় আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী আনোয়ারা (২১) চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এতে আসামী করা হয় দোস্ত গ্রামের কাশেম মোল্লার ছেলে মোসলেম মোল্লা (মারা গিয়েছে), সিরাজের ছেলে সাইদুর, জসিম মোল্লার ছেলে আইউব মোল্লা, ইলিয়াসের ছেলে দরদ আলিকে। ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত না থাকায় তদন্ত কর্মকর্তা চার্জশিট থেকে আইউব মোল্লা ও দরদ আলীর নাম বাদ দেন।

শুধু বাপের নাম মিল থাকায় সাইদুরের পরিবর্তে আবু সাইদ কে ধরে আনে পুলিশ। তবে এই ভুলের দায়ভার নিতে নারাজ দর্শনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ এইচ এম লুৎফুল কবীর। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশে আসামী গ্রেফতার করেছি। বাকিটা আদালত বোঝবে।

আপনি তো আসামী গ্রেফতার করেননি, গ্রেফতার করেছন নিরপরাধ একজনকে? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন,আদালত থেকে যে ভাবে নাম এসেছে সেভাবেই আসামী খুজে গ্রেফতার করা হয়েছে, এখানে আমার কিছু করার নেই।

পুলিশের এমন ভুলে একদিন জেল খাটে আসামীর নামেই জামিনে এসেছেন নিরপরাধ পোশাক শ্রমিক আবু সাইদ!

ভুক্তভোগী আবু সাইদ বলেন, আমার নামে কোনো মামলা নেই। প্রতিবারের মত এবারও ঈদে বাড়িতে এসেছি। মঙ্গলবার দুপুরে দর্শনা থানার উপ-পরিদর্শক শাহীন ও সহকারী উপ-পরিদর্শক হাফিজ মোটরসাইকেল করে আমাদের বাড়িতে আসে। এসেই আমাকে বিভিন্ন কথা জিজ্ঞেস করে মোটরসাইকেলে তুলে থানায় নিয়ে যায়। আমি তখনো জানিনা আমাকে কেন থানায় নিয়ে যাচ্ছে, পরে শুনলাম আমি হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী। এরপর আমাকে জেল হাজত থেকে পরের দিন আদালত পাঠায় । পরের দিন আদালত থেকে জামিনে বাড়ি আসি। আগামী মাসের ২৭ তারিখে আবার আদালতে হাজির হওয়ার দিন ধার্য করেছে।

এব্যাপারে দর্শনা থানার এএসআই হাফিজ বলেন, আদালতের নির্দেশে আসামী গ্রেফতার করেছি। গ্রেফতারের আগে ওই গ্রামের মেম্বারকে বিষয়টি জানাই। সেও বলেছে এই মামলার আসামী এই ছেলেই।

বেগমপুর ইউপি সদস্য মো. আবু সালেহ বলেন, আমি কখনো পুলিশকে এমন কথা বলিনি। আমি না জেনে কেন বলতে যাবো? এটা পুলিশের ব্যাপার।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net