১লা অক্টোবর ২০২৬ একনেকের ৩১তম সভায় চট্টগ্রাম বন্দরের এনসিটি এবং ওসিওয়াই ১৫ বছর মেয়াদে বিদেশী অপারেটর কতৃক পরিচালনার চুক্তি চুড়ান্ত অনুমোদন করে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদ (স্কপ) চট্টগ্রামের উদ্যোগে যুগ্ম-সমন্বয়ক মোহাম্মদ খোরশেদ আলমের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম-সমন্বয়ক রবিউল হক শিমুলের সঞ্চালনায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, টিইউসি চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি তপন দত্ত, শ্রমিক দলের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী শেখ নুরুল্লাহ বাহার, বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি এস কে খোদা তোতন, টিইউসি চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক মছি উদ্দৌল্লা, জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক শ ম জামাল, বিএফটিইউসি চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি কাজী আনোয়ারুল হক হনি, বন্দর জাতীয়তাবাদী ডক শ্রমিক দলের সাধারণ সম্পাদক তছলিম উদ্দিন সেলিম, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের আহবায়ক মো: হেলাল উদ্দিন কবির, বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশনের চট্টগ্রাম জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ জাহেদ উদ্দিন শাহিন, বিএলএফ চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি নুরুল আবছার তৌহিদ প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, আমাদের রাজস্বের টাকায় নির্মিত এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি সজ্জিত বন্দরের সকল টার্মিনাল এ দেশের শ্রমিক কর্মচারী দ্বারা সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হচ্ছে। প্রতি বছর তারা কন্টেইনার হ্যান্ডেলিং এর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে বিপুল টাকা জাতীয় রাজস্ব আয়ে যুক্ত করছে। এ নদী বন্দরে কোন টার্মিনালেই নতুন করে বিনিয়োগের সুযোগ নেই। এমতবস্থায় বিদেশি অপারেটরকে টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া দেশি বিদেশি ষড়যন্ত্রের অংশ। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ ও বিরোধিতা করছি। বক্তাগণ আরো বলেন, বিদেশি পুঁজি বিনিয়োগের সুযোগ আমাদের আছে, বঙ্গোপসাগরে বিস্তৃর্ণ উপকুলে একটি সমুদ্র বন্দর স্থাপনের দায়িত্ব বিদেশীদের দেয়া যেতে পারে। এতে আন্তর্জাতিক নো-বাণিজ্যে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ অঞ্চলের মহীসোপানের গঠন প্রকৃতির কারণে বিদেশি বড় আয়তনের মাদার বেসেল সমূহ সহজেই ঐ সমুদ্র বন্দরে ভিড়তে পারবে। বন্দর রক্ষা কমিটি ঘোষিত আগামীকালের অবস্থান কর্মসূচি সফল করার জন্য চট্টগ্রামের দল-মত নির্বিশেষে সকলকে আহবান জানানো হয়, যাতে করে সরকার এ ধরনের আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।