1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এর প্রভাবে আতঙ্কে কিশোরী তানজিলা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
দেনমোহর পরিশোধের শর্তে খোলা তালাকের আপোষনামা, চুক্তি অমান্যের অভিযোগ চলতি বছরে চবিতে ২৫ হাজার বৃক্ষরোপণ করা হবে : উপাচার্য প্রফেসর ড. আল ফোরকান পোকাযুক্ত আটা দিয়ে খাবার তৈরি, ৪৫ হাজার টাকা জরিমানা মাগুরায় থিয়েটার ইউনিটের উদ্যোগে গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন  সমুদ্রবন্দরে ৩ ও নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত মাগুরার বিভিন্ন দেয়ালে জুলাই গণঅভ্যুত্থান গ্রাফিতি চিত্র জে.আই. চৌধুরী যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হাতের লেখা প্রশিক্ষণ কর্মশালা  ৩ ছেলে প্রবাসে, নিঃসঙ্গ চন্দনাইশের আবদুর রহমানের লাশ মিলল ঘরে বন্যার্তদের পাশে বিএনপি: সাতকানিয়ায় কৃষক দলের ত্রাণ ও গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচিতে মাহবুবুর রহমান শামীম জননিরাপত্তা ও সেবার মানোন্নয়নে নবীনগরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা

ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং এর প্রভাবে আতঙ্কে কিশোরী তানজিলা

নিজস্ব প্রতিনিধি।
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২২
  • ৪৮১ বার

আমি সত্তরের বন্যা দেখিনি তবে ২৪/১০/২০২২ সোমবার রাতে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং দেখেছি।

ভোলার মনপুরা তানজিলা (১৬) কিশোরীর ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং সৃতিচারণ করেছেন । উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের হামিদুর রহমান মেয়ে কিশোরী তানজিলা। কিশোরী তানজিলা হাজিরহাট মডেল সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। তানজিলা বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি মনপুরা উপজেলা ইউনিট এর একজন ক্ষুদ্র সেচ্ছাসেবী।

বন্যা পূর্বাভাস জানা সত্বেও
নিঃচিন্তায় গুমিয়ে পরেছি সোমবার রাত ১১:২৪ দিকে।সুন্দর ঘুম হচ্ছিল।
হঠাৎ করে দাদার চিৎকার এ আতঙ্কে শিহরিত হয়ে উঠি তখন সময় ১২:১২ তারিখ ২৫/১০/২০২২ মঙ্গলবার।

কিছু না শুনতেই ভয়ে যেন পুরো শরীর কাঁপতে থাকে। মধ্যরাতে ঘুম থেকে উঠে চোখ মেলে দেখি চারদিক অন্ধকারে নিমজ্জিত। বাতাসের আওয়াজ মেঘের রাক্ষুসে চেহারা দেখে থর থর করে কেঁপে উঠি আমি।
অশ্রুশিক্ত হয় দু-চোখ।

আমি নিজেকে কোন রকমে গুছিয়ে নিয়ে দাদার কথা শুনছিলাম,দাদা বলল আমার বাড়ির পশ্চিম দিকের বেরিবাদ টা ছুটে প্রচন্ড বেগে পানি আসতেছে।সবাইকে আশ্রয় কেন্দ্র যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিতে।

দাদার চিৎকারে আমার পরিবারের সবাইকে নিয়ে বেরিয়ে আসছি আশ্রয় কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে।রাস্তায় আসতেই দেখি মানুষ ছুটাছুটি করছে,দৌড়ে ছুটছে আশ্রয় কেন্দ্রের খোঁজে। পাড়ার চারদিকে চিৎকার চেচামেচি,মানুষের আর্থনাদ,আমি আতংকের গৌড়ে অন্ধকার রাতে নিবু নিবু আলো জ্বালিয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে পৌঁছালাম। প্রতিমধ্যে খবর আসলো আমার বাসা এখন পানির নিচে তলিয়ে আছে।

কিশোরী তানজিলা আরো বলেন ভোলার বিছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় আমরা উপকূলবাসীরা ঝড়,বৃষ্টি,বন্যা,ঘূর্ণিঝড়,
জলোচ্ছাস বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগের মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করতেছি। পরিকল্পিত বেরিবাদে ব্লক, জিওব্যাগ না দেওয়া প্রতিমুহূর্তে আতংকে দিন কাটাচ্ছি।
প্রতিবছরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সামান্য সহযোগিতা করতে পারলে দায়িত্ব শেষ বলে মনে করেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিগন।

তবে এবার অন্তুত মনপুরার চারদিকে সু-বেষ্ঠিত বেরি বাঁধ নির্মাণ এবং ব্লক, জিওব্যাগ দিয়ে রেফারিং করা দাবি বলে জানিয়েছেন কিশোরী তানজিলা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net