1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
রাউজানে ৫৩৬৮ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরার শ্রীপুরে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন! পুলিশ হেফাজতে স্ত্রী, এলাকায় চাঞ্চল্য জাতিসংঘ নিখুঁত নয়, তবে অপরিহার্য: ড. খলিলুর রহমান জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধিতে বেড়েছে সবজির দাম সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী নোয়াখালীর হাতিয়ায় আইনশৃঙ্খলা মিটিংয়ে তোপের মুখে এমপি হান্নান মাসউদ  নোয়াখালীর চৌমুুহনীতে ইসলামী ব্যাংকের গ্রাহক ফোরামের বিক্ষোভ মিছিলি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় মাগুরার শ্রীপুরে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার!স্বামী আটক, পরিবারের দাবি হত্যার! অপ্রতীম হত্যার পর  কুমিল্লার ১৮ থানায় কিশোর গ্যাংবিরোধী একযোগে অভিযান, আটক ৬২৪ মাগুরার শ্রীপুরে আনসার ও ভিডিপির বৃক্ষরোপণ অভিযান-২০২৬ অনুষ্ঠিত দেশের উন্নতির লক্ষ্যে বেশী বেশী শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে হবে- মাগুরায় ব্যবসা উন্নয়ন শীর্ষক কর্মশালায় শহীদুল ইসলাম

রাউজানে ৫৩৬৮ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন

খাল-বিলের সুস্বাদু মাছ বিলুপ্ত- স্বাদ নেই প্রজেক্টের মাছ

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১৫ মার্চ, ২০২৪
  • ৩৯৬ বার

শাহাদাত হোসেন

রাউজান (চট্টগ্রাম)

একসময় আমাদের দেশে একটি প্রবাদ ছিল মা ভাতে বাঙালী। এখন সেই প্রবাদ আর নেই। সেসময় খাল-বিলে দেশীয় বিভিন্ন প্রজাতির ছোট-বড় মাছ পাওয়া যেত। বিল- খালে মাছগুলো খেতে সুস্বাদু ছিল।এখন দেশীয় সুস্বাদু মাছ খাল-বিলে তেমন একটি পাওয়া যায় না। প্রায় বিলুপ্তের পথে। বিলুপ্ত হওয়া মাছের মধ্যে রয়েছে, কই, মাগুর, শৈল, বোয়াল, পুটি, শিং, ট্যাংরা, পূঁই, গুইলদা, বাস,ঢেলা, পাবদা, দাড়কানা, মোয়া, কৈ, রয়না, গোরপে, তিন কাঁটা আইড়, তেলটুপি,গাড্ডু টাকি, ভেদা, মাগুড়,বড় শৈল প্রভৃতি,ইদানীং পুঁটি, জাতটাকি, কাকিলা, খৈইলসাসহ বিভিন্ন দেশীয় খাল-বিলের মাছগুলোও হাটবাজারে তেমন চোখে পড়ে না। মাঝেমধ্যে পাওয়া গেলেও দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে।খাল-বিল, গর্ত-ডোবা ইত্যাদি দিন দিন ভরাট করার কারণে মাছের প্রজনন ক্ষেত্র হারিয়ে গেছে।বর্তমান নতুন প্রজন্মরা বিল খালের মাছগুলো খাওয়াতো দূরের কথা নামও শুনেনি অনেকেই। বর্তমানে খাল-বিলের মাছের পরিবর্তনে বড় বড় মাছের প্রজেক্ট- দিঘি, পুকুর,জলাশয় হচ্ছে মাছ চাষ। কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে দেশের হাজারো মানুষ করেছে মাছ চাষ।রাউজানের ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের বড়-ছোট ৫ হাজার ৪০৩টি দিঘি, পুকুর ও জলাশয় হচ্ছে মাছ চাষ। এই উপজেলায় প্রতি বছর ৫ হাজার ৩৬৮ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয় বলে জানিয়েছেন উপজেলা মৎস্য অফিস। উপজেলার সেরা মাছ চাষি ইয়াছিন নগর গ্রামের আব্দুল খালেক সওদাগর জানান, তাঁরা তিন জন মিলে ২৫ একর আয়তন ৮টি পুকুরে রুই, কাতলা, মৃগাল, কালি বাউস, চিতল, তেলাপিয়া, নাইলাটিয়া মাছ চাষ করে।প্রতি বছরে মাছ বিক্রি করে অর্ধকোটি টাকা আয় হয়। মুহাম্মদ বাঁচা মিয়া ও উসমান তাঁর দু’জন শেয়ারধার।
২০১৪ সাল থেকে খালেক সওদাগর মাছ চাষ শুরু করেন। বর্তমানে তিনি একজন সফল মৎস চাষি। দুই বার উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে মৎস্য চাষে সেরা পুরষ্কার পায় তিনি। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, রাউজানে ৫৪০৩ টি পুকুর- দিঘি ও বড় বড় মাছের প্রজেক্টে যে পরিমাণ মাছ উৎপাদন হয়, এই উপজেলার মানুষের চাহিদা মিটিয়ে বাহিরেও রপ্তানি করা হচ্ছে। এটি এখন বাংলাদেশের বড় শিল্প পরিণত হয়েছে। তিনি আরো জানান, উপজেলা মৎস্য অফিস থেকে পরামর্শ নিয়ে খালেক সওদাগর, বাচাঁ মিয়া, উসমানসহ বেশি কয়েকজন মিলে আলাদা আলাদা পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছ চাষ শুরু করেন। এরমধ্যে খালেক সওদাগর অল্প সময়েই মাছ চাষে সফলতা অর্জন করে তাক লাগিয়ে দেয়। তাঁর সফলতা দেখে উপজেলার অনেকেই মাছ চাষে আগ্রহী হয়ে মৎস্য অফিসারের পরামর্শ নিয়ে ঝুঁকিছে মাছ চাষে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net