1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার মানে অসততাকে উৎসাহিত করা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
এলজিআরডি মন্ত্রীর সাথে সাইবার ইউজার দলের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ  নাঙ্গলকোটে ভূয়া বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে চিকিৎসা সেবা প্রদান : জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি ২২ অবৈধ পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম চিহ্নিত করল বাংলাদেশ ব্যাংক ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ সাংবাদিকরা সাইবার সুরক্ষা আইনের শিকার হোক, সেটা আমরা চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাগুরার মহম্মদপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের  উদ্বোধন  ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের বার্তা নিয়ে লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মৌডুবী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী যুবদল নেতা লিটু গাজী প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগ ‘রিলিফ’ বাস্তবায়ন করল জেসিআই ঢাকা ডায়নামিক

কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার মানে অসততাকে উৎসাহিত করা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৯ জুন, ২০২৪
  • ২৬২ বার

আল হাসান মোবারক
শ্যামল বাংলাঃ  নিজস্ব প্রতিবেদক (জাতীয় প্রেসক্লাব ঢাকা)

কর এ কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেওয়ার মানে ‘অসততাকে উৎসাহিত করা’ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য জমিরউদ্দিন সরকার। তিনি বলেছেন, ‘যদি লুটপাটের কালোটাকা ১৫ শতাংশ দিয়ে সাদা করা যায়, তাহলে তো আমরা যারা খেটে খাওয়া লোক আছি, তাদের সঙ্গে ওদের (কালোটাকাধারীদের) পার্থক্য থাকছে না।’

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ-বিএসপিপি  উদ্যোগে  ৭জুন ২০২৪ শুক্রবার, সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে (তৃতীয় তলা) সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এ জে মোহাম্মদ আলী ‘স্মরণ সভা’ অনুষ্ঠিত হয়।

স্মরণ সভায় সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার  প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ।
অনুষ্ঠানে  সভার  সভাপ্তিত্ব করেন  প্রফেসর ডা: এজেডএম জাহিদ হোসেন আহবায়ক (বিএসপিপি)

তিনি বক্ত্যব আরও বলেন,  প্রয়াত সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল এ জে মোহাম্মদ আলীর স্মরণে বলেন তিনি আমার অত্যন্ত কছের মানুষ ছিলেন তিনি।
আমি যখন ইন্টারমিডিয়েট ভর্তি হই, তখন তার জন্ম  উনি আমার থেকে বয়সে অনেক ছোট, উনি আমাকে অনেক সম্মান করতেন যেমন আমি তার পিতাকে সম্মান করতাম।  যেহেতু তার পিতার সাথে আমার সুসম্পর্ক ছিল তাই উনার সাথেও আমার সুসম্পর্ক করে উঠেছিল।

তিনি আমার দেখা একজন সের আইনজীবী। তিনি প্রচুর আর্গুমেন্ট করতেন কিন্তু জজকে ক্ষেপাতেনা, জাজকে বুঝাতে আর্গুমেন্ট সময় পেলে তিনি আইনের বাহির কোন কাথা বলতেন না।
তিনি আরও বলেন আমাদের পার্টির লোক হলে  ফি নিতে দেখি না, আমার কাছে বহুলোক এসেছিল আমি তার কাছে পাঠিছি, পলিটিক্যাল কেসে কোন টাকা নেন নাই বরং উল্টো সাহায্য করেছে। তিনি বলতেন এই লোক গুলো আমাদের জন্য খাটছে, জেলে যচ্ছে, দেশের জন্য কাজ করছে। এদের কেসটা ভালো ভাবে করে দেই,
তিনি বলেন কেসটা করলো তা নয়,কেসটা  ভালো ভাবে করে দেই। এই যে চিন্তা টা তার মধ্যে ছিল।

এসময় গণত্রন্ত নিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার কি ভাবে করবেন, আমরা ভোট দিতে যাই, ভোট টা বক্সে এ ভরে আসি  তারপর দেখা যায় আমরা হেরে গেছি।
পুনরুদ্ধার করা এটা কিভাবে সম্ভব?  রাশিয়ান রেভুলেশন,বা ফ্রান্স রেভুলেশন এগুলোতো শ্রমিকদের আন্দোলন  দিয়ে এই এই শ্রমিকরা করেছিল বলেই রাশিয়ান রেভুলেশন  সৃষ্টি হয়েছিল। ফ্রান্সে এই শ্রমিক  ছিল বলে উচ্চ বিত্ত শিক্ষিত  শ্রেনী ছিল বলেই ফ্রান্স রেগুলেশন হয়েছিল। আমাদের এখানে  শ্রমিক আন্দোলন আছে গণতন্ত্র পুনরুত্থানের আন্দোলন  পর্যাপ্ত নয়। আমদের শ্রমিকারা এখনো ততটা সজাগ হয় নাই। আমাদের দেশে  আমরা  তাদেরকে তা করতে পারি নাই।

তিনি আরও বলেন আমাদের শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর, ছাত্র সমাজ, যব সমাজ, আজ কে যারা এই অনুষ্ঠান, বাহিরে শুনছেন, তাদের সকলেরই দ্বায়িত্ব গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার  আন্দোলনে সচেষ্ট হওয়া।
এছাড়া আমদের আর কোন পথ খোলা নেই, গণতন্ত্রকে বাদ দিলে আমাদের দেশে যে, রাহাজানি সৃষ্টি হবে তার মোকাবেলা করার ক্ষমতা আমাদের শ্রমিক নেই।
তিনি বলেন, কজেই সকলকেই আমদের প্রত্যেককেই রাজনীতিতে  আংশ গ্রহণ করতে হবে তার কোন বিকল্প নেই।
তিনি আরও বলেন কর দিয়ে যদি কালো টাকা সাদা করা যায়, তাহলে তো অ-সততাকে উৎসাহি করা হয়।

তিনি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন যে, এটি (অপ্রদর্শিত টাকা আয় সাদা করার বিষয়ে) বিবেচনার সময়ে সাবধানে দেখবেন যে পার্থক্যটা যেন থাকে, একটা হলো “আর্নিং মানি” (বৈধভাবে আয় করা অর্থ) আরেকটা হলো “ইজি গেটিং মানি”  (অবৈধভাবে পাওয়া অর্থ)। আর্নিং মানি কোনো সময়ে যেন ইজি গেটিং মানির সঙ্গে এক না হয়…এটুকু অনুরোধ সরকারের কাছে রইল।

সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের  সদস্য সচিব কাদের গণি চৌধুরীর সভা সঞ্চালনা করেন এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন  আইনজীবী জয়নাল আবেদীন, সাংবাদিক নেতা রুহুল আমিন গাজী, আইনজীবী কায়সার কামাল, অধ্যাপক লুৎফুর রহমান, অধ্যাপক শামসুল আলম, সাংবাদিক সৈয়দ আবদাল আহমেদ ও প্রয়াত এ জে মোহাম্মদ আলীর ছেলে রিয়াজ হোসেন খন্দকারসহ অনেকে বক্তব্য দেন। এ সভায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি মাহবুব উদ্দিন খোকন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস কাজল, মোঃ শহিদুর রহমান MAB এর প্রতিনিধি,  সহ আইন জীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net