1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গুজব কে চ্যালেঞ্জ মনে করছে না বিএনপি- বিএনপি মিডিয়াসেলের প্রধান - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
‘দৌড়ান সুস্থতার জন্য, এগিয়ে চলুন বিজয়ের পথে’—স্লোগানে রামগড়ে ম্যারাথনে অংশ নিলেন তিন শতাধিক দৌড়বিদ মাগুরায় লোডশেডিংয়ের গরম থেকে বাঁচতে মসজিদের ছাদে উঠে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মুয়াজ্জিনের মৃত্যু! রুপনগর প্রেসক্লাবের সদস্য মোঃ রুহুল আমিন এর মমতাময়ী মায়ের মৃত্যু প্রান্তিক শহরে উন্নত আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি নিয়ে উইপ্রো জিই হেলথকেয়ারের ‘হেলথ এক্সপ্রেস’ চালু নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে মাগুরায় ১১দলীয় ঐক্য জোটের স্মারকলিপি প্রদান হাটহাজারী মাদরাসা ছাত্র আরিফুল ইসলামের আকস্মিক মৃত্যু : মাগফিরাত কামনায় জামেয়ার মহাপরিচালক আলেমগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণেই জুলাই আন্দোলন সফল হয় : আল্লামা শেখ আহমদ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষ্যে কোম্পানীগঞ্জে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের গণমিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত  কোম্পানীগঞ্জে জুলাই গনঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাত  “স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণহত্যার বিচার করেন, জনগণ আপনাদের ছাড়বে না: সাক্কু

গুজব কে চ্যালেঞ্জ মনে করছে না বিএনপি- বিএনপি মিডিয়াসেলের প্রধান

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ২৮৯ বার

আবু সুফিয়ান, কুমিল্লা (সদর ও সদর দক্ষিণ)

 

বিএনপি মিডিয়াসেলের প্রধান ডা.  মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল বলেন, কোন প্রকার গুজবকে চ্যালেঞ্জ মনে করছে না বিএনপি। সাধারণ মানুষ বুঝে গেছে কোনটা গুজব কোনটা সত্য। তারা এটাও বুঝে গেছে গুজব কারা ছড়ায় বট বাহিনী আসলে কারা।

 

 

 

বৃহস্পতিবার (০৫ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে কুমিল্লায় “আমাদের পরিকল্পনা তোমাদের ভবিষ্যৎ” শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

 

 

তিনি বলেন, তারেক রহমান দেশে এসেই বলেছিল দেশ নিয়ে তাঁর আলাদা পরিকল্পনা রয়েছে। এ পরিকল্পনার মূল অংশই ছিল তরুণদের নিয়ে।  ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য ভাতা, দেশের ক্রীড়া ব্যবস্থা নিয়ে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন পরিকল্পনা।

 

 

 

তিনি আরও বলেন, একাত্তর থেকে চব্বিশ তরুণরাই এদেশে যুদ্ধ করেছে। স্বাধীনতার পর পর একটা রাজনৈতিক দল স্বাধীনতাটাকে পুরোপুরি নিজেদের করে ফেললো। তাদের সম্পত্তির বিকাশ হলো, তারা অনেক টাকা পয়সার মালিক হলেন। সাধারণ মানুষের কি অবস্থা হলো? যদি আমরা ইতিহাসের দিকে তাকাই সে সময় মানুষকে না খেয়ে থাকতে হতো। তার ফলশ্রুতিতে ৭৪ এ দুর্ভিক্ষ হয়েছে। সে দুর্ভিক্ষে রাস্তাঘাটে মানুষের মৃতদেহ পরে থাকতো।  আমরা বাসন্তীকে দেখেছি জাল দিয়ে লজ্জা নিবারণ করছে।

 

 

 

ডা. পাভেল বলেন, বাংলাদেশ কোন প্রেক্ষাপটে স্বাধীন হয়েছে সে বিষয়টি জানতে চাই। স্বাধীনতা যুদ্ধ একটা পর্বে আসেনি। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন,  উনসত্তরে গণঅভ্যুত্থান, ৭০ এর নির্বাচনের পর ৭১ এ স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছে। এ স্বাধীনতা যুদ্ধ নিয়ে অনেক রকমের প্রশ্ন উঠে। এটা নিয়ে কি আমরা সত্য কথা বলতে পারবো না?

 

 

 

এটা তো মানতে হবে যে ৭০ এর নির্বাচনে আমরা বাঙ্গালীরা নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেছি। কিন্তু স্বাধীনতা অনিবার্য হওয়ার পরও রাজনৈতিক ব্যাক্তিত্বের কাছ থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা আসেনি। এটা রাজনৈতিক একটা কলঙ্ক বলতে পারি আমরা।

 

 

এই ঘোষণা দেয়ার দায়িত্ব নিলেন একজন মেজর যিনি পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন।  তিনি রেডিওতে ঘোষণা করলে ‘আই ডু হ্যাভ ডিক্লেয়ার দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট অব ব্যাংলাদেশ’।  এর মধ্যে দিয়ে তিনি জানালেন আমি জিয়া আমার পরিচয় দিলাম, মানে আমি বিদ্রোহ করলাম। তখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত পরিবার ছিলো কোনটি?

 

 

যে পরিবারে একজন মা এবং ছোট দুই ছেলে রয়েছে। তাদেরকে একটা বিপদের মুখে ঠেলে দিলেন তিনি (জিয়া)। এটা কি খুব সহজ বিষয় বলে মনে করি আমরা?

 

 

 

এটাকে নিছক একটি ঘোষণার পাঠ বললে হবে? এরপর আমরা দেখি স্বাধীনতা যুদ্ধের দীর্ঘ নয় মাস তিনি কিন্তু তাঁর পরিবারকে ভারতে নিয়ে যাননি।  তিনি কিন্তু বাংলাদেশের ভেতরে যুদ্ধ করেছেন। একটা সময় তিনি উপলব্ধি করেছেন গেরিলা যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করা যায় না।  যুদ্ধ করতে গেলে সামনাসামনি যুদ্ধ করা লাগে। তিনি তাঁর সমস্ত শক্তি ব্যয় করে জেড ফোর্স গঠন করেন এবং সে যুদ্ধে আমরা বিজয় লাভ করেছি।

 

 

 

তরুণ প্রজন্মকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সৃষ্টির সময় একটা আকাঙ্খা ছিলো, তোমাদের মতো তরুণরাই সে যুদ্ধে অংশ নিয়েছো। তোমরা সৌভাগ্যবান সে  যুদ্ধ তোমরা চব্বিশে এসে করেছো।

 

 

 

মুক্ত আলোচনায় আরো বক্তব্য রাখেন  বিএনপির রিচার্চ ও মনিটরিং সেলেে সদস্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, মিডিয়া মনিটরিং কমিটি সদস্য সৈয়দা আদিবা হোসেন।

 

 

 

মুক্ত আলোচনায় ৩ শতাধিক বিভিন্ন কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। এসময় তারা দেশ গঠনের নানা বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net