বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কোনো স্লিপার বাসের রেজিস্ট্রেশন দেওয়া হয়নি বলে আদালতে জানানো হয়েছে।বুধবার বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলম ও বিচারপতি মুরাদ-এ-মওলা সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চে এ প্রতিবেদন দাখিল করা হয়।
আদালতে বিআরটিএ’র পক্ষে ছিলেন আইনজীবী রাফিউল ইসলাম। বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এবিএম শাহজাহান আকন্দ মাসুম।
রিটের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মুহাম্মদ হুজ্জাতুল ইসলাম খান।অনুনমোদিত স্লিপার এসি বাস চলাচলের বৈধতা নিয়ে ২০২৫ সালে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মুহাম্মদ হুজ্জাতুল ইসলাম খান।
এ রিটের শুনানি নিয়ে একইসালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রুল জারি করেন।আইনজীবী রাফিউল ইসলাম বলেন, রিটকারী আরেকটা অ্যাপ্লিকেশন দিয়েছিল।
সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে আদালত স্লিপার বাস নিয়ে একটি ইন্ডিপিন্ট টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করতে বলছিলেন তিন সদস্য বিশিষ্ট এবং স্লিপার বাস সম্পর্কে রিপোর্ট প্রদান করতে বলেছিলেন। বিআরটিএ আদেশ রিসিভ করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটা কমিটি গঠন করে দিয়েছিলেন। এরপর টেকনিক্যাল কমিটি রিপোর্ট দেন। আমরা কমপ্লায়েন্স আকারে আদালতে সাবমিট করেছিলাম এবং বলেছিলাম যে, স্লিপার বাসের কোন রেজিস্ট্রেশন প্রদান করা হয় নাই। যে স্লিপার বাসগুলো চলতেছে সেই স্লিপার বাসগুলো বন্ধ করার জন্য বা একশনের পূর্ব কাজ হিসাবে আমরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতেছি এবং বিভিন্ন সময় গিয়েও আমরা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে কিছু বাসকে ডাম্পিং করেছি। কিছু জরিমানা করিয়েছি ।
এদিকে যে সব স্লিপার এসি বাস রেজিস্ট্রেশন নিয়ে চলাচল করছে সেগুলোকে বাধা না দিতে বাংলাদেশ স্লিপার এসি বাস মালিক সমিতির সভাপতি ও সেক্রেটারি হাইকোর্টে আবেদন করেন।
আইনজীবী রাফিউল ইসলাম বলেন, এ আবেদনের শুনানি হওয়ার কালে আমি বলেছিলাম কোর্টকে সড়ক পরিবহন আইনে রেজিস্ট্রেশনের বিষয়ে বলা আছে। আর রুট পারমিট ব্যতীত কোন গাড়ি রাস্তায় চলাচল করতে পারবে না। এবং কোন গাড়ি যদি রুট পারমিট ব্যতীত রাস্তায় চলাচল করে সেখানে শাস্তির বিধান আছে। পিটিশনার (মালিক সমিতি) পক্ষে আরেকটা দাবি ছিল যে, স্লিপার বাস ব্যতীত কিছু কিছু বাস যেগুলো পারমিটেড সেগুলো রাস্তায় চলাচলে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। কোর্ট বলেছেন পারমিটেড বাসগুলো স্বাভাবিকভাবে চলাচল করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, স্লিপার বাস নিয়ে যেহেতু বিআরটিএ কোন রেজিস্ট্রেশন প্রদান করে নাই। তাই এগুলো চলাচল সম্পর্কে আদালত কোনো আদেশ দেননি।