মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার খামারপাড়া বাজারে দূর্ধর্ষ চুরি সংগঠিত হয়েছে ।
২০ সেপ্টেম্বর রবিবার ভোর রাতে খামারপাড়া বাজারের মোঃআব্দুর রহমান রতন, গ্রাম – দাইড়পোল, (মুদিদোকান),শ্রী লালন বিশ্বাস,গ্রাম-পূর্বশ্রীকোল,(মুদিদোকান),মোঃমোঃলাবু মোল্লা,গ্রাম-বরিশাট,(মুদিদোকান) ও মোঃ নাছির হোসেন, রুকাইয়া এন্টারপ্রাইজ সার ও কীটনাশকের দোকানে এ চুরি সংগঠিত হয়।
দোকান মালিকরা জানান- প্রতিদিনের মতো বাজারে বেচাকেনা শেষে রাতে দোকান বন্ধ করে তারা বাড়িতে যান। সকালে বাজারে এসে তারা দেখতে পান দোকানের সাটার ভাঙ্গা। দোকান খুলে দেখতে পান ক্যাশ টেবিলের ড্রয়ার ভাঙ্গা মালমাল গুলো এলোমেলো হয়ে পড়ে আছে।
মুদি দোকানী শ্রী লালন বিশ্বাস জানান তার দোকানে সাটারের লক ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে নগদ টাকা সহ নামি দামি সিগারেট ও প্রয়োজনীয় মালামাল নিয়ে গেছে যার বাজার মূল্য আনুমানিক দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাজার মতো। মুদি দোকানী লাবু মোল্লা বলেন তার দোকানে সাটারের লক খুলে নগদ চল্লিশ হাজার টাকা ও মালামালসহ প্রায় ষাট হাজার টাকার মতো নিয়ে গেছে।সার ও কীটনাশক বিক্রেতা নাছির হোসেন জানান তার দোকানে সাটার ভাঙ্গলেও ভিতরে লক থাকায় ঢুকতে পারেনি এবং মুদি দোকান আব্দুর রহমান রতন জানান তার দোকানে সাটার ভেঙ্গে ভিতরে ঢুকে ড্রয়ারে থাকা নগদ চল্লিশ হাজার টাকা দামি সিগারেট সহ অনেক মালামাল নিয়ে গেছে যার বাজার মূল্য এক লক্ষ টাকা টাকার মতো।
বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীদের অভিযোগ বাজারে নাইট গার্ড থাকা অবস্থায় মেইন রাস্তার পাশের দোকান চুরি হলো কিভাবে। তারা জানান ১২-১৪জন নাইট গার্ড ডিউটি করার কথা থাকলেও মাত্র ৩-৪জন নাইট গার্ড ডিউটি করে। গত মাসে বাবু মোল্লার সার ও কীটনাশকের দোকানে চুরি হয়েছিল। এখন দোকানদারদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা জানান এভাবে চলতে থাকলে ব্যবসা করা অসম্ভব, বাজার কমিটি ও পুলিশ প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে নাইটগার্ডদের ধরলেই আসল চোর পাওয়া যাবে। ব্যবসায়ীরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে এর সঠিক বিচার দাবি করেন।
শ্রীপুর থানা অফিসার ইনচার্জ( তদন্ত) মোঃআতাউর রহমানে নেতৃত্ব পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করেছেন। লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।