গত ৮ সেপ্টেম্বর ‘যায়যায়দিন’ পত্রিকায় প্রকাশিত “হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শিক্ষা কাউন্সিলের চেয়ারম্যান পদ নিয়ে তুঘলকিকাণ্ড” শীর্ষক সংবাদে জনাব ডা. মো. শাহজালাল আহমেদ-এর নাম উল্লেখ করে যে সকল তথ্য ও বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আমি এবং আমার সংগঠনের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ডা. মো. শাহজালাল আহমেদ দীর্ঘ ৩৫ বছর ধরে জাতীয়তাবাদী আদর্শের একজন নিবেদিতপ্রাণ কর্মী ও সৈনিক হিসেবে রাজনীতি ও পেশাজীবী অঙ্গনে সক্রিয় রয়েছেন। তিনি সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের সাবেক ছাত্রদল সভাপতি, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সদস্য এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির (সোহেল–সপু) সাবেক সদস্য, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির (বাবু–জুয়েল) সাবেক দুর্যোগ ও প্রচার সম্পাদক এবং স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির (জিলানী–রাজীব) সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পেশাজীবী অঙ্গনেও তিনি দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। তিনি ‘হোমিও জাতীয় ঐক্য’ জোটের সম্মানিত সভাপতি এবং এইচড্যাব সেন্ট্রালের মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দুঃখজনকভাবে, ডা. শাহজালাল আহমেদের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত পথচলা, ত্যাগ এবং অবদানের যথাযথ মূল্যায়ন না করে একটি মহল নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর ও অসত্য তথ্য প্রচার করছে বলে আমরা মনে করি। এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার মাধ্যমে একজন দীর্ঘদিনের ত্যাগী ও দায়িত্বশীল ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার যে অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে, আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাই। ডা. শাহজালাল আহমেদ একজন শিক্ষিত, অভিজ্ঞ, সৎ, যোগ্য ও সৃজনশীল পেশাজীবী। তাঁর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং পেশাজীবী অঙ্গনে নেতৃত্বের ভূমিকা তাঁকে একটি স্বতন্ত্র ও গ্রহণযোগ্য পরিচিতি দিয়েছে। তাঁর জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কেউ যদি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করে থাকে, তা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের ত্যাগ ও সংগ্রামের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি রাজনৈতিক প্রতিকূলতা, মামলা-মোকদ্দমা, কারাবরণসহ নানা ধরনের শারীরিক, মানসিক ও আর্থিক চাপ ও প্রতিকূলতার মধ্যেও জাতীয়তাবাদী আদর্শের প্রতি অবিচল থেকেছেন—এমনটাই তাঁর সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের বক্তব্য। অন্যদিকে, রাজনৈতিক প্রতিকূলতার সময়ে অনেকেই যখন নিজেদের অবস্থান পরিবর্তন করে সুযোগ-সুবিধা গ্রহণের চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে, তখন ডা. শাহজালাল আহমেদ তাঁর আদর্শ ও রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে যাননি—এটাই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য বলে আমরা মনে করি। তাঁর দীর্ঘদিনের ত্যাগ, নির্যাতন, বঞ্চনা ও সংগ্রামের স্বীকৃতি হিসেবে হোমিওপ্যাথিক অঙ্গনে তিনি “হোমিও রত্ন” হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন এবং জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক অঙ্গনে একজন ত্যাগী, নিবেদিত ও পরীক্ষিত নেতা হিসেবে তাঁর পরিচিতি রয়েছে। অতএব, আমরা সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানাই—কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে সংবাদ বা বক্তব্য প্রকাশের ক্ষেত্রে অবশ্যই তথ্য যাচাই, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নীতি অনুসরণ করা হোক। একই সঙ্গে ডা. মো. শাহজালাল আহমেদের বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভ্রান্তিকর ও আপত্তিকর তথ্যের যথাযথ সংশোধন ও প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা প্রদানের দাবি জানাচ্ছি। আমরা সত্য, ন্যায় ও তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নের পক্ষে। অপপ্রচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। ডা কাসেমূর রহমান খান সাবেক আহবায়ক সরকারী হোমিও মেডিকেল কলেজ ছাত্রদল। সাবেক সহ-সভাপতি ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদল।