1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
অবিস্মরণীয় ৭ নভেম্বর : ঘরে ফেরার দিন - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
অতিরিক্ত মূল্যে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি : ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর মা‌টিরাঙ্গায় চতুর্থ শ্রেনির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ হাটহাজারী এনসিপির সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি ঢাবিকে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতারে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির যানজট নিরসনে বৃত্তাকার সড়ক নির্মাণ কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর কুমিল্লায় নিত্যপণ্যের বাজারে ভোক্তা অধিকারের অভিযান: ৬ প্রতিষ্ঠানকে ২৪ হাজার টাকা জরিমানা এনসিটি এবং সিসিটি ১৫ বছর মেয়াদে বিদেশী অপারেটরকে পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার প্রতিবাদে স্কপ চট্টগ্রামের মানববন্ধন হাজী আব্দুল মালেক ভূঁইয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত

অবিস্মরণীয় ৭ নভেম্বর : ঘরে ফেরার দিন

কবি আবদুল হাই শিকদার|

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ৩৪৩ বার

ইতিহাসে মাত্র দুবার ঘটেছিল ঘটনাটি । ১৭৫৭ এর পলাশী বিপর্যয়ের ঠিক ১০০ বছর পর ১৮৫৭ সালে ঘটেছিল প্রথমটি , কার্ল মার্কসের ভাষায় উপমহাদেশের প্রথম সর্বাত্মক স্বাধীনতার যুদ্ধ । সাদা চামড়ার ইতিহাসবিদ ও তাদের কলকাতার রাজাকাররা একে সিপাহী বিদ্রোহ বলে অবজ্ঞা করতে থেকেছেন সদা সচেষ্ট ।

দ্বিতীয় ঘটনাটি ঘটে প্রথমটির ১১৮ বছর পর , ৭ নভেম্বর ১৯৭৫ এ ।বাংলাদেশের সত্যিকারের ঘরে ফেরার দিন । জাতীয় সংহতি ও বিপ্লবের নিশানকে নি:শঙ্ক করতে ঘটেছিল সিপাহী জনতার অভ্যুত্থান ।

দু ক্ষেত্রেই জনতা ও সিপাহী শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই করেছে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ।প্রথম পক্ষের দুশমন সাম্রাজ্যবাদ ও ঔপনিবেশবাদ । দ্বিতীয় পক্ষের শত্রু আধিপত্যবাদ ও তাদের দেশীয় সেবাদাসরা ।একটির আঁতুরঘর ব্যারাকপুর , অন্যটির জন্মগৃহ ঢাকা ।উভয় পক্ষই নেতা নির্বাচন করতে চেয়েছেন এমন কাউকে , যিনি সর্বজনমান্য , দেশপ্রেমিক এবং অঙ্গীকারে সমৃদ্ধ ।

সামন্ততান্ত্রিক সীমাবদ্ধতার কারণে ১৮৫৭ সালের সৈনিকরা পারেননি জনতার ব্যাপক অংশগ্রহন নিশ্চিত করতে । কিন্তু ৭ নভেম্বরের সৈনিকগণ জনজোয়ারে হয়েছেন মহিমান্বিত ।ভেদাভেদহীন লক্ষ্যে তারা এগিয়ে গেছেন ।
অন্য দিকে নেতৃত্বের বিভ্রান্তির কারণে বার বার থমকে গেছে ১৮৫৭-র মহাবিপ্লব ।

১৮৫৭-র নেতা বখত খান , আজিমউল্লাহ খান , তাতিয়া টোপী , আহমদ শাহ , নানা সাহেব , রানী লক্ষ্নী বাঈ , বেগম হযরত মহল , ফিরোজ শাহ যেই হোন না কেন , সত্যিকারের নেতা ছিলেন সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর ।
৭ নভেম্বরের মূল চালিকা শক্তি জনতা ও সৈনিক ।নায়ক ছিলেন মাত্র একজন , জিয়াউর রহমান , স্বাধীনতার ঘোষক ও বীরযোদ্ধা এবং তারুণ্যে উদ্বেল ।

ঔপনিবেশিক শাসক ও তাদের এদেশীয় তাবেদারদের হাতে পরাজিত হন ১৮৫৭ সালের মহান স্বাধীনতার সংগ্রামীরা । তাঁদের প্রাণ দিতে হয় রণাঙ্গনে কিংবা ফাঁসির দড়িতে । কিন্তু সেই চেতনায় গাহন করা ৭ নভেম্বরের অবয়বে কোথাও গ্লানির চিহ্ন নেই ।
আজ গভীর শ্রদ্ধা ও মমতার সাথে স্মরণ করছি এই দুই রূপকথার কারিগরদের ।
আর সালাম পেশ করছি , সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর ও শহীদ জিয়াউর রহমানের প্রতি ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net