1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
'কৃষকদের কথা ভাবুন' - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বহুদলীয় গণতন্ত্রই নয়, সংসদীয় গণতন্ত্রও বিএনপির হাত ধরে এসেছে: প্রধানমন্ত্রী নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে বিএনপি’র ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‍্যালি ও গণসমাবেশ ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ইসলামী আন্দোলনের শুভেচ্ছা একদিন আগেই হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর : নারায়ণগঞ্জ ভূমি অফিসের অনিয়মে ক্ষুব্ধ ভূমি প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুরে সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, আটক ৩  নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে ব্যাংক কর্মকর্তাকে গাড়িতে তুলে ১২ লাখ টাকা ছিনতাই  সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট কে পৌনে ১ কোটি টাকা জরিমানা জাতীয় নবম বেতন স্কেল ২০২৬ অনুমোদন, দুই বছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন ছাত্রদলের পদবঞ্চিত ও পদপ্রাপ্তদের সংঘর্ষ, আহত ২ শেরপুরে ৫০ লাখ টাকার চেক মামলায় ইদ্রিস কোম্পানির সাবিক ডিএমডির ১ বছরের কারাদন্ড

‘কৃষকদের কথা ভাবুন’

রবিউল ইসলাম
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৭ জানুয়ারি, ২০২২
  • ১২৫৯ বার

আলু আমাদের খাবারের তালিকায় নিত্য সঙ্গী। স্বাদ কিংবা পরিমাণ বাড়াতে প্রায় সব রকমের তরকারিতে আলু একটি দরকারি শস্য। কিন্তু আলু চাষিদের খবর কি আমরা রেখেছি?

মাঠ পর্যায়ে কৃষকেরা ৫-৬ টাকা দরে আলু বিক্রি করছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিঘা প্রতি উৎপাদন খরচ ২০ হাজার টাকা কিন্তু উৎপাদিত আলু বিক্রি করছে ১০-১১ হাজার টাকা্য। রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ে হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রম করে আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়লে আমাদের কৃষক বাঁচবে কি করে?

শুধু আলুই নয়। ধান, গম,ভুট্টা, পেঁয়াজ থেকে শুরু করে প্রায় সব রকমের কৃষি পন্যের ন্যায্য মূল্য আমাদের কৃষকেরা পায় না।

‘কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ’ এই স্লোগান দিয়ে নিজেদের দায় এড়ানো যায় না।

এই সমস্যা সমাধানে দরকার সঠিক পরিকল্পনা। মূলত চাহিদার তুলনায় উৎপাদন বেশি হলে ফসলের দাম কমে য়ায। আমার মতে কতিপয় পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে।

প্রথমত আমাদেরকে প্রতিটি কৃষি পন্যের বাৎসরিক চাহিদা নির্ধারণ করতে হবে। চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে সারাদেশব্যপী নির্দিষ্ট কৃষি পন্য উৎপাদন অঞ্চলে ভাগ করতে হবে। যেমন, ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর অঞ্চল আলু চাষের জন্য উপযোগী। আবার পাবনা-কুষ্টিয়া অঞ্চল পেঁয়াজ চাষের জন্য উপযোগী। নির্ধারিত অঞ্চলে নির্ধারিত শস্য ছাড়া অন্য কোন শস্য যাতে কৃষকেরা উৎপাদন না করে সেজন্য কার্যকরী নীতিমালা গ্রহণ করতে হবে। এভাবে চাহিদা ও উৎপাদনের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব হবে। ফলে আমাদের কৃষকেরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পাবে।
এ বিষয়ে আরো কার্যকরী ও বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য সরকার, কৃষি মন্ত্রণালয়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও কৃষিবিদদের সদয় দৃষ্টি কামনা করছি।

লেখক, ডিকে মহাবিদ্যালয়
রানীসংকৈল, ঠাকুরগাঁও

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net