ঢাকা   ০৭:০৮:৫৭ পিএম, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালীতে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তারের পর যুবদল নেতা বহিষ্কার কবিরহাটে জামায়াতে ইসলামীর সীরাতুন্নবী মাহফিল অনুষ্ঠিত: রাসূলের আদর্শ অনুসরণে বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার আহ্বান কোম্পানীগঞ্জে নবআবিষ্কৃত সুন্দলপুর সাউথ-১ গ্যাসক্ষেত্র পরিদর্শনে এমপি ফখরুল ইসলাম মাগিরার শ্রীপুরে ৫৫তম জাতীয় সমবায় দিবস পালিত সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক মাগুরায় জামায়াতের যুব ও ক্রীড়া বিভাগের উদ্যোগে আন্তঃদলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত  গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি, জীবনমান উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সরকারের দায়িত্ব ও করনীয়..  মাটিরাঙ্গায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‌্যালি অনুষ্ঠিত  ভাঙ্গুড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি রুমা, রোগীদের নিলেন খোঁজখবর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মাননা প্রদান ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিতষ বর্ণিল শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক রেডিওলজি দিবস পালি

“অল ইন ওয়ান” বা “পলিম্যাথ” মডেল সবার জন্য সম্ভব না- ড. মির্জা গালিব

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৭ জুন, ২০২৫
  • ৬১২ বার
  • ৪ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

নিজস্ব প্রতিবেদক :

ইসলামী রাজনৈতিক কনসেপ্টে বিশেষ করে জামায়াত-শিবির ঘরানায় একটা কনসেপ্ট আছে যে, এক ব্যক্তিকে সকল দিকে পারদর্শী হইতে হবে। এর কমন লজিক হইল, যিনি নামাজে ইমামতি করবেন, তিনি সমাজে-রাস্ট্রেও নেতৃত্ব দিবেন।

এই কনসেপ্ট আসছে দুই জায়গা থেকে। এক, রাসুল (সা.) “অল ইন ওয়ান” ছিলেন। আমরা যেহেতু রাসুল (সা.) কে অনুসরণ করি, কাজেই আমাদেরকেও “অল ইন ওয়ান” হবার চেষ্টা করতে হবে। দুই, ইসলাম যেহেতু একটা সামগ্রিক জীবন ব্যবস্থা, সেহেতু ইসলাম পালন করা একজন ব্যক্তি সকল ক্ষেত্রেই পারফর্ম করবেন। বিজ্ঞানের ছাত্র হইলেই শুদ্ধ করে কুরআন তেলাওয়াত করতে পারবেন না, এমনটা হওয়া উচিত না।

আমার আন্ডারস্ট্যান্ডিং হইল, ইসলামের বেসিক জায়গায় এই আর্গুমেন্ট ঠিক আছে। শুদ্ধ করে কুরআন তেলাওয়াত করতে জানা, কুরআনের একটা লম্বা অংশ মুখস্থ জানা, তাফসীর-সীরাহ জানা থাকা, প্রয়োজনীয় মাসলা-মাসায়েল জানা থাকা, অকেশনালী নামাজে ইমামতী করার ক্যাপাসিটি থাকা, দাওয়া আর নসিহা মূলক ইসলামী আলোচনা করার যোগ্যতা থাকা – এইগুলো সকলেরই কম বেশী থাকা উচিত।

কিন্তু, স্পেশালাইজেশানের ক্ষেত্রে “অল ইন ওয়ান” বা “পলিম্যাথ” মডেল সবার জন্য সম্ভব না। এইটা কিছু কিছু ব্রিলিয়ান্ট মানুষ এর জন্য হইতে পারে, কিন্তু জনে জনে না। রাসুল (সা.) এর পরে সাহাবাদের মধ্যেও সবাই “অল ইন ওয়ান” ছিলেন না। খালিদ বিন ওয়ালিদ (রা.) সেনাপতি ছিলেন, কুরআনের তাফসীরে বা ফিকহের উসুলে আপনি উনার কন্ট্রিবিউশান পাবেন না। আবুবকরের (রা.) সময় কুরআন সংকলনের যে কমিটি হয়, সেইখানে খলীফা নিজেই প্রধান হন নাই। উমর (রা.) তারাবীর নামাজে আরেকজনকে ইমামতির দায়িত্ব দিয়েছিলেন। কাজেই, ইসলামের ইতিহাসে কাজের শ্রেণীবিভাগ আর স্পেশালাইজেশানের জায়গা আছে।

যে ভাল আলেম, তারে ধইরা আইনা সংসদ ইলেকশানে দাড় করাইয়া দিতেই হবে এমন কোন কথা নাই। ইউসুউফ আল কারজাভী ইখওয়ানের দায়িত্ব না নিয়া আলেম হিসেবেই ভূমিকা রাখাকে বেশী গুরুত্বপূর্ন মনে করেছিলেন।আবার ইসলামী রাজনৈতিক দলের প্রধান হইলে তারে ফিকহের একাডেমিক আলেম হইতেই হবে – এমন কোন কথাও নেই।

ড. মির্জা গালিব

অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, হোওয়ার্ড ইউনিভার্সিটি

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি