1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
অবৈধ ইটভাটার কালোধোঁয়ায় বিপর্যয় কুষ্টিয়ার জনজীবন - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
হযরত খাজা আবু আলী সিন্ধী শাহ (রহ.)-এর বার্ষিক ওরশ মোবারক ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠিত  মাগুরায় বদলে গেছে ঐতিহ্যবাহী দারিয়াপুর ডিগ্রি কলেজের চিত্র এশিয়া কাপে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন রেকর্ড, বড় জয় ভারতের ইরানের তিন তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন  আলোর পথে এক ধাপ এগিয়ে প্রত্যয়ের প্রথম অজুখানার শুভ উদ্বোধন নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জের চরপার্বতীতে সালিসি বৈঠকে হামলা-ভাংচুর, বিএনপি নেতাসহ আহত ৫  নোয়াখালীর হাতিয়ায় হান্নান মাসউদের মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে বিএনপির সংবাদ সম্মেলন 

অবৈধ ইটভাটার কালোধোঁয়ায় বিপর্যয় কুষ্টিয়ার জনজীবন

ফয়সাল চৌধুরী।।
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১০ মে, ২০২২
  • ৩১৭ বার

ইটভাটার কালোধোঁয়ায় বিপর্যস্থ হয়ে পড়েছে কৃষ্টিয়ার জনজীবন। সরকারি হিসেবে, জেলার ৬টি উপজেলায় চলছে ১৬২টি’রও বেশি ইটভাটা। এর মধ্যে অনুমোদনপ্রাপ্ত ইটভাটা মাত্র ২৬টি। শঙ্কার বিষয় হলো, এতগুলো ইটভাটার কোনোটিই মেনে চলছে না পরিবেশ অধিদপ্তরের কোনো রকম শর্ত।

পরিবেশ অধিদপ্তর কুষ্টিয়ার উপপরিচালক মোহাম্মদ আতাউর রহমান জানান, জেলার বেশিরভাগ ইট ভাটারই পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র নেই। মাত্র ২৬টি ইট ভাটার অনুমোদন রয়েছে। এসব ইট ভাটার চিমনির উচ্চতাও সঠিক নেই। অবৈধ এসব ইটভাটা উচ্ছেদের জন্য ইতোমধ্যেই তাঁরা অভিযান পরিচালনা শুরু করেছেন। বেশ কয়েকটি ইট ভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে। এ মৌসুমে জেলায় কোন অবৈধ ইটভাটা চলতে দেয়া হবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন। চিমনির উচ্চতা ঠিক না থাকায়, ভয়ংকর বায়ুদূষণও পরিলক্ষিত হচ্ছে এই অঞ্চলে। যার শিকার হচ্ছে এই অঞ্চলের এখানকার শিশু, বৃদ্ধ, নারীসহ সবাই। ২৫০ শয্যার কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মোমেন বলেন, ‘কাঠ পোড়ানোর ফলে ভাটার নির্গত কালো ধোঁয়ায় মানুষের হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসের ক্যান্সারসহ নানা রোগের সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া অতিরিক্ত কার্বন ডাই-অক্সাইডের কারণে মাঠের ফসল ও এলাকার পরিবেশ দূষণ হয়।’ শিশু ও বয়স্কদের জন্য এই দূষণ খুবই ক্ষতিকর বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এদিকে, একইরকম দূষণ ঘটছে জেলাটির মাটি ও গাছের ক্ষেত্রেও। জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, গত কয়েক দশকে এ অঞ্চলের ফসল উৎপাদন কমে গেছে। কোথাও কোথাও মাটির উর্বরতা কমে গেছে। আবার কোনো কোনো জায়গায় কৃষিজমির ওপরই গড়ে ওঠেছে ইটভাটা। অর্থাৎ, চাষযোগ্য জমিই কমে যাচ্ছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানান, ইটভাটা তৈরি করতে কমপক্ষে ৬ একর জায়গা প্রয়োজন হয়। এই জায়গা কখনো প্রলোভন দেখিয়ে, আবার কখনো হুমকির মুখে নিয়ে নিচ্ছেন ভাটা মালিকরা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইটভাটাগুলোতে ভ্রাম্যমান স’ মিল বসিয়েছেন কেউ কেউ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভাটা মালিক জানান, ইট পোড়াতে অনেক কাঠ প্রয়োজন হয়। খরচ ও সময় বাঁচাতে তাই এই ব্যবস্থা করেছেন তাঁরা। বছরে জেলার সবগুলো ইটভাটা মিলিয়ে প্রায় ৩ লাখ ১২ হাজার মে.টন কাঠ পুড়ছে বলেও জানান তিনি।
নিয়ম মেনে কয়লা কেন ব্যবহার করা হচ্ছে না, এর উত্তরে তিনি বলেন, কয়লা ব্যবহারে অনেক ইট নষ্ট হয়ে যায়। সময় ও খরচও বেশি লাগে। তাই কাঠই ব্যবহার করেন সব ভাটা মালিকরা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net