1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
অভিনন্দন ইশরাক ও তাবিথকে - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নিত্যপণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখতে ৮ হাজার কোটি টাকার পণ্য কিনবে টিসিবি শিশু আছিয়া হত্যা: হাইকোর্টের রায় পেছালো শিশু আছিয়া হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ নতুন দায়িত্ব পেলেন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন এমপি সরকারের নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যের সার বিক্রি করায় ডিলারকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়-কে ১০টি নতুন বাস উপহার দিচ্ছে জসিম উদ্দিন ফাউন্ডেশন নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভা ছাত্রদলের নবগঠিত  কমিটি নিয়ে অভিযোগ,পুনর্গঠনের দাবি দাবিতে মিছিল  মেয়েদের জন্য সর্বজনীন উপবৃত্তি পুনর্বহালের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর হাইকোর্টের রায়ে নুসরাতের মায়ের সন্তোষ, পরিবারের নিরাপত্তা দাবি ফেনী পরশুরামে মাদক দিয়ে রাকিব নামে এক যুবকে পাসানোর চেষ্টা

অভিনন্দন ইশরাক ও তাবিথকে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৫৪০ বার

: এম. আবদুল্লাহ :
অভিনন্দন টগবগে তারুণ্যদীপ্ত প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন ও তাবিথ আউয়ালকে। তারা কথা রেখেছেন। শেষ পর্যন্ত লড়েছেন, মাঠে ছিলেন। হুংকার দিয়ে নগর কাঁপিয়েছেন। দলবাজ ও মেরুদণ্ডহীন ভোট কর্মকর্তাদের দিনভর তটস্থ ও চাপে রাখার চেষ্টা করেছেন। দুঃখজনক হলেও সত্যি, দল হিসেবে বিএনপির মহানগর, থানা, ওয়ার্ডের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীরা শক্তি সামর্থ্য নিয়ে দুই প্রার্থীর পাশে থাকতে, অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে পরিস্কার ব্যর্থ হয়েছেন। পর্দার আড়ালে অদৃশ্য চাপে ভড়কে গিয়ে নিজেদের গুটিয়ে রেখেছেন। দল ও জোটগতভাবে লড়াই করা দূরে থাক কেন্দ্রমুখী হয়ে ন্যুনতম শক্তির জানান দেননি। কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া বিএনপির কাউন্সিলর প্রার্থীরা অজ্ঞাত কারণে হারার আগেই আত্মসমর্পণ করে বসেছিলেন।

তবে সাধারণ ভোটারদের একাংশ সাহস করে গিয়ে কেউ কেউ পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পেরেছেন, আবার অনেকেই গেটে ও গোপন বুথে নাজেহাল হয়ে কষ্ট নিয়ে ফেরার সময় তওবা করেছেন। দলীয় সরকারের অধীনে তারা হয়তো আর কখনোই ভোট দিতে যাবেন না। ভোটারের বড় অংশ বাসায় বসে টিভি ও সামাজিক মাধ্যমে নজর রেখেছেন কেন্দ্রের পরিবেশের দিকে। হিসেব কষেছেন ভোট দিলে তা ফলাফলে আদৌ প্রতিফলন ঘটবে কিনা। সকাল থেকে ধানের শীষ মার্কার এজেন্টদের কেন্দ্রে ঢুকতে বাধা ও পিটুনি দেওয়া, খোদ প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ দেখে তারা লেপ-কম্বল ছেড়ে আড়মোড়া ভাঙার প্রয়োজন অনুভব করেন নি।

বিকেলে নয়াপল্টনে কয়েকশো নেতাকর্মীর বীরত্ব দেখে আমার হাসি পেয়েছে, বিরক্ত হয়েছি। বিএনপির দৌড় কি তাহলে নয়াপল্টন পর্যন্ত। সারাদিন তারা কোথায় ছিলেন? কেন দশটি কেন্দ্রেও শক্তি প্রদর্শন করতে পরেননি? বিক্ষোভ করলে তা গোটা ঢাকাজুড়ে নয় কেন? কোথাও বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে উল্লেখ করার মত সংঘাত হয়েছে? বড়ো ধরনের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া? আমার জানা নেই। মহাসচিব মির্জা ফখরুল দুপুরে যখন বললেন- ‘ডোন্ট লিভ দ্য সেন্টার’ তখন তাকে বলতে ইচ্ছে করেছে, কেন্দ্রে থাকলেইতো ফিরে যাওয়ার প্রশ্ন।

শেষ পর্যন্ত রাতে নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে হরতাল ডেকেছে বিএনপি। ২০১৫ সালের পর এই প্রথম হরতালের কর্মসূচি দিল দলটি। এখন দেখার বিষয় হরতাল সফলে মাঠে নামে কিনা। নাকি ফেসবুকীয় হরতাল পালন করে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net