1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
দেশে সচল সিনেমা হলের সংখ্যা বর্তমানে ৬২ টি এরমধ্যে বন্ধ ১২ টি হল বন্ধ হয়ে আছে - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপিকে অভিনন্দন: এলাকায় মিষ্টি বিতরণ  আনোয়ারায় মাদক সেবনের দায়ে তিনজন কারাদণ্ড মাগুরায় ভূতুরে বিল! পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত! বিদ্যুৎমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ মাগুরায় প্রতিবন্ধী ও স্বামীহারা সাহিদা বেগম ক্যান্সারে আক্রান্ত! অর্থাভাবে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর প্রহর গুনছে জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন – জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম  নবীগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধা বৃত্তি প্রদান  মাগুরায় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত  দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতি রাশিয়ার বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬ মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন 

দেশে সচল সিনেমা হলের সংখ্যা বর্তমানে ৬২ টি এরমধ্যে বন্ধ ১২ টি হল বন্ধ হয়ে আছে

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৫৬২ বার

মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার :
বছর দুয়েক আগে বাংলাদেশে চালু সিনেমা হলের সংখ্যা ছিল প্রায় ২৬০টি। বিশেষ দিনে সেই সংখ্যা বেড়ে ৩০০টি অতিক্রম করত। কিন্তু চলতি বছরে এসে দেশে সিনেমা হলের সংখ্যা কমে সচল সিনেমা হলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মাত্র ৬২টি! এরমধ্যে বন্ধ হয়ে আছে ১২ টি।

প্রদর্শক সমিতির তথ্যমতে, সাদাকালো যুগ পরবর্তী নব্বই দশকে দেশে হলের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৪৩৫টির মতো। বর্তমানে সিনেমা হল কমতে কমতে দেশে সিনেমা হলের সংখ্যা ৬২টি তে দাঁড়িয়েছে! দেশে ২৫টি জেলায় এখন আর কোনও সিনেমা হল নেই। জেলাগুলোর মধ্যে মুন্সিগঞ্জ, নরসিংদী, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, গাইবান্ধা, নাটোর, নড়াইল, ব্রাক্ষণবাড়িয়া, বরগুনা, চুয়াডাঙ্গা, খাগড়াছড়ি, বাগেরহাট, ঝালকাঠি, কক্সবাজার, বান্দরবানসহ আরো কয়েকটি জেলায় কোনো সচল হল নেই।

প্রযোজক, পরিবেশক ও প্রদর্শক সমিতির কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ২০০০ সাল পর্যন্ত দেশের প্রতিটি জেলায় বিশের অধিক সিনেমা হল ছিল। কিন্তু এরপর থেকে দেশে হল সংখ্যা কমতে শুরু করে এখন শূন্যের কোঠায়। সিনেমা হল সংখ্যার অন্যতম কারণ হিসেবে অনেকে উল্লেখ করেছেন, সিনেমার গল্প, চলচ্চিত্র শিল্পী সংকটসহ চলচ্চিত্রের বিভাজন ও সিনেমা নির্মাণ কম হওয়ার কারণে হল সংখ্যা কমে গেছে। সিনেমা হলে নতুন কোনো সিনেমা মুক্তি দিতে না পারায় নতুন হল মালিকরা হল ক্রমশ বন্ধ করে দিয়ে মার্কেট নির্মাণ করেছেন।

পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার বলেন, ‘এখন সিনেমা হল থেকে হল মালিকরা লাভবান হতে পারছেন না। তাই অনেকে হল ভেঙে মার্কেট বানাচ্ছেন বা অন্য ব্যবসা করছেন। তাই হল যে কোনো মূল্যেই হোক হল টিকিয়ে রাখতে হবে।’

ঢাকাই সিনেমায় সালমান শাহ, শাকিব খান, শাকিল খান ও মৌসুমিকে ঢাকাই চলচ্চিত্রে নিয়ে আসছিলেন সোহানুর রহমান সোহান। তিনি অবশ্য জানালেন ভিন্নকথা। তিনি বলেন, আমাদের কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে পারলে সিনেমা হলের সংখ্যা কমার চেয়ে বাড়বে। কারণ সিনেমা ভালো মানের নির্মাণ করতে হলে নায়ক-নায়িকা অব্যশই নতুন নিতে হবে। দর্শক এক নায়ককে সবসময় দেখতে চায় না। তাছাড়া সিনেমা বানানোর জন্য গল্পের দিকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। এগুলো নানা সংকটে আমাদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি আজ আইসিইউতে।

সিনেমা হলগুলো বন্ধ হওয়ার পেছনের কারণ হিসেবে সিনেমা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ভালো সিনেমা নির্মাণ না হওয়ার কারণে দিনদিন সিনেমা হল কমে যাচ্ছে। কেউ আবার বলছেন, হল নেই বলেই সিনেমার ব্যবসা খারাপ। তাই ভালো সিনেমাও নির্মিত হচ্ছে না। এখন বাংলাদেশে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি টিকিয়ে রাখতে সরকারকে বিশেষ নজর দিতে হবে। তা না হলে সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি একদিন বাংলাদেশ থেকে হারিয়ে যাবে।

আইসিইউ থেকে বাংলা চলচ্চিত্রের সংকট কাটিয়ে তুলতে সরকারিভাবেও নেওয়া হয়েছে পদক্ষেপ। গেল সপ্তাহে সরকারি অনুদানের টাকা বাড়িয়ে দশ কোটিতে করা হয়েছে। পাশাপাশি চলচ্চিত্রের হল বাচাতেও দেশে সিনেপ্লেক্স নির্মাণের ঘোষণা আসছে তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net