1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
আমতলীতে থানা হেফাজতে মৃত্যু : আইনি বাহিনীর বেআইনি কাজ বন্ধ হোক - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় শ্রীপুরে সোনালী ব্যাংকের এটি,এম বুথের উদ্বোধন  নকলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত  মাগুরায় জামায়াতের ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট ও ব্লিচিং পাউডার বিতরণ  নবীনগরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা নৈতিক চিত্তের মানুষ তৈরি করতে হলে শিক্ষার্থীদের আদব শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে : এস এম আকাশ অতিরিক্ত মূল্যে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি : ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর মা‌টিরাঙ্গায় চতুর্থ শ্রেনির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ হাটহাজারী এনসিপির সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি

আমতলীতে থানা হেফাজতে মৃত্যু : আইনি বাহিনীর বেআইনি কাজ বন্ধ হোক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২০
  • ৪৪৭ বার

মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার :
হত্যা মামলার সন্দেহভাজন এক আসামির ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে বরগুনার আমতলী থানার ওসির (তদন্ত) কক্ষ থেকে। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দাবি করা ৩ লাখ টাকা না দেয়ায় তাকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে নিহতের পরিবার অভিযোগ করছেন। পুলিশ হেফাজতে থাকা মানে আইনের হেফাজতে থাকা। সুতরাং তাদের হাতে কারো অপমৃত্যু ঘটা কেবল হত্যাকাণ্ডই নয়, আইনেরও চরম অপব্যবহার। হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত জরুরি মনে করছি। খবরে প্রকাশ, আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ইউনিয়নের পশ্চিম কলাগাছিয়া গ্রামে গত বছর ৩ নভেম্বরে ইব্রাহিম নামের এক কৃষককে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ওই মামলায় শানু হাওলাদারের সৎভাই মিজানুর রহমান হাওলাদার এজাহারভুক্ত আসামি। ওই মামলায় শানু হাওলদারকে গত সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে আমতলী থানাপুলিশ ধরে নিয়ে আসে। শানু হাওলাদারের ছেলে গণমাধ্যমকে বলেন, বিনা অপরাধে আমার বাবাকে ওসি ধরে এনে ৩ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করে। আমরা টাকা দিতে অস্বীকার করায় আমার বাবাকে নির্যাতন করে হত্যা করেছে। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা যাদের, তাদের হাতেই যদি নাগরিকদের জীবন সংশয়ের আশঙ্কা দেখা দেয় কিংবা নিরাপত্তা অনিশ্চিত হয়ে ওঠে তাহলে সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা হবে কীভাবে? হাতেগোনা কিছু লোকের কারণে একটি বিভাগ, যে বিভাগটি জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজ দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে প্রশংসার সঙ্গে, সেই প্রতিষ্ঠানটি প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে কেন? পুলিশের আচরণ মানবিক করতে ২০১০ সালে ১২ দফা নির্দেশনায় বলা হয়, সংবিধানের ৩৩ ও ৩৫(৫) অনুচ্ছেদ অনুসারে আটক ব্যক্তির মৌলিক মানবাধিকার রক্ষায় পুলিশকে সচেষ্ট হতে হবে। জিজ্ঞাসাবাদের ক্ষেত্রে কোনো রকম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা যাবে না। কিন্তু পুলিশ কি সেই নির্দেশনা মেনে কাজ করছে? বাংলাদেশে পুলিশ হেফাজতে নির্যাতন প্রতিরোধে একটি আইন ২০১৩ সালে প্রণয়ন করা হলেও, এর প্রয়োগ নেই বললেই চলে। এই আইনে ভুক্তভোগীরা নিরাপত্তা হেফাজতে শারীরিক এমনকি মানসিক নির্যাতনেরও বিচার চাইতে পারেন। এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। তদন্ত কি আলোর মুখ দেখবে। পুলিশ বা নিরাপত্তা বাহিনীর হেফাজতে নিষ্ঠুর নির্যাতনের অভিযোগ প্রচুর কিন্তু বিচার চেয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছেন গুটিকয়েক মানুষ। গত সাত বছরে এই আইনে হাতেগোনা কয়েকটি মামলা হয়েছে। আইনে কারো সাজা হয়েছে এমন দৃষ্টান্ত খুঁজে পাওয়া কঠিন। আমরা শানু হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার দেখতে চাই।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net