1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
দেশে করোনা রোগী আসলে কতো? - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ‘রাজা’, সাধারণ সম্পাদক ‘রেজাউল’ নির্বাচিত রাঙ্গাবালীতে ভেরিফিকেশনে আটকে গেল ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী সোহানের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন মাগুরায় বুজরুক শ্রীকুন্ডী মহাবিদ্যালয়ে নবীন বরণ ও বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত  কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের এলাকাভিত্তিক নেতাদের তালিকা তৈরি হচ্ছে নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে ট-ব্লকে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত বাড়ি-ফ্ল্যাট মালিক কল্যাণ সমিতির নবগঠিত কমিটির সভা কর্ণফুলী প্রেসক্লাবের মাসিক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত মাগুরার শ্রীপুরে স্ত্রীর হাতে স্বামী খুন! পুলিশ হেফাজতে স্ত্রী, এলাকায় চাঞ্চল্য জাতিসংঘ নিখুঁত নয়, তবে অপরিহার্য: ড. খলিলুর রহমান জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধিতে বেড়েছে সবজির দাম

দেশে করোনা রোগী আসলে কতো?

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪১৪ বার

আবদুল্লাহ মজুমদারঃ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের থাবা থেকে বাঁচতে পারেনি বাংলাদেশও। তবে বরাবর এক অভিযোগ শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশে। সরকার কর্তৃক করোনা নিয়ে লুকোচুরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করছে অনেজে। এবার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আসলে কত তা নিয়ে এক সম্ভাব্য পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। বুধবার (০১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন আসিফ নজরুল। তার স্ট্যাটাসটি বিডি২৪লাইভের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘দেশে করোনা রোগী আসলে কতো? আইইডিসিআরের পরিচালক মীরজাদি সেব্রিনার দেওয়া তথ্যানুযায়ী ৩০ মার্চ পর্যন্ত ৯ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৫ জন তাদের ফোন করেছেন। এর মধ্যে আইইডিসিআর নমুনা সংগ্রহ করেছে মাত্র ১,৩৩৮ জনের, তার মানে মাত্র ০.১৪ শতাংশের। এ ১৩৩৮ জনের মধ্যে নমুনা পরীক্ষায় করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে ৪৯ জন। ১৩৩৮ জনের মধ্যে করোনা রোগী ৪৯ জন। ঐকিক নিয়মে ফোনকারী সকলের (৯ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৫ জন) টেস্ট করা হলে আক্রান্ত পাওয়া যেত ৩৪,৯৯০ জন। এ হিসেবে দেশে করোনা আক্রান্ত আছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ।

প্রশ্ন আসবে আইইডিসিআর তো লক্ষন শুনে বাকীদের টেষ্ট করেনি, তাহলে তাদের মধ্যেও এতো করোনা রোগী পাওয়া যাবে কেন? উত্তর হচ্ছে তারা যাদের টেস্ট করেনি, বা করতে চায়নি, তাদের মধ্যে করোনার লক্ষন নিয়ে মারা যাওয়া লোকের সংবাদ আমরা পাচ্ছি প্রায় প্রতিদিন। করোনায় যাদের মৃত্যুসংবাদ আমরা পাই তাদের মধ্যে বরং টেস্ট করা হযনি এমন মানুষের সংখ্যা আরো বেশী। সে বিবেচনায় স্বেচ্ছাচারভাবে যাদের টেস্ট করা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে করোনা রোগীর হার কোনভাবে কম থাকার কথা না। আরেকটা কথা। বাংলাদেশে সবার কি তাদেরকে ফোন করার মতো সুযোগ, সচেতনতা বা সাহস আছে? সবাই কি ফোন করে লাইনে ঢুকতে পেরেছে? এদের সংখ্যা যদি যারা ফোন করেছে ও কানেক্ট করতে পেরেছে তাদের সমানও হয় তাহলে করেনো রোগীর সংখ্যা হবে আরো দুগুন মানে ৭০ হাজার। আপাতত যদি ৩৫ হাজারই ধারনা করি, তাহলেও তা ভয়ংকর শোনায় না? এর যদি ২৫ শতাংশও সঠিক হয় তাহলে সংখ্যাটি অন্তত ৯ হাজার। প্রশ্ন হচ্ছে আর কতো মানুষকে সংক্রমন করে যাচ্ছে এরা না জেনে কিছু? এর দায় আসলে কার? (আমার আশংকার ভিত্তি নিয়ে কোন সন্দেহ থাকলে প্লিজ আমাকে বলেন। যৌক্তিক হলে শুদ্ধ করে নিবো)’

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net