1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
দেশে করোনা রোগী আসলে কতো? - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:৩৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
২৭ জুলাই হতে শুরু হচ্ছে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করা হয়েছে; খাগড়াছড়িতে পিসিএনপি চেয়ারম্যান হামিদ রানা চন্দনাইশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাতের ত্রাণ প্রতিবন্ধী যুবককে মারধরের অভিযোগ, ভাঙ্গুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ নকলায় মোটরসাইকেল ও পিকআপ সংঘর্ষে ইলেকট্রিক মিস্ত্রী নিহত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট-পাঠদান ব্যাহত চন্দনাইশ ধোপাছড়িতে ৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা   ক্যামব্রিজ ইসলামিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে কোরআন ক্লাসের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী চন্দনাইশে পেশাজীবী দল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন ভাঙ্গুড়ায় বিভিন্ন আয়োজনে শেষ হলো জগন্নাথ দেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসব 

দেশে করোনা রোগী আসলে কতো?

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২০
  • ৩৮৬ বার

আবদুল্লাহ মজুমদারঃ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের থাবা থেকে বাঁচতে পারেনি বাংলাদেশও। তবে বরাবর এক অভিযোগ শোনা যাচ্ছে বাংলাদেশে। সরকার কর্তৃক করোনা নিয়ে লুকোচুরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করছে অনেজে। এবার আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আসলে কত তা নিয়ে এক সম্ভাব্য পরিসংখ্যান তুলে ধরেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। বুধবার (০১ এপ্রিল) সন্ধ্যায় তার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন আসিফ নজরুল। তার স্ট্যাটাসটি বিডি২৪লাইভের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-

‘দেশে করোনা রোগী আসলে কতো? আইইডিসিআরের পরিচালক মীরজাদি সেব্রিনার দেওয়া তথ্যানুযায়ী ৩০ মার্চ পর্যন্ত ৯ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৫ জন তাদের ফোন করেছেন। এর মধ্যে আইইডিসিআর নমুনা সংগ্রহ করেছে মাত্র ১,৩৩৮ জনের, তার মানে মাত্র ০.১৪ শতাংশের। এ ১৩৩৮ জনের মধ্যে নমুনা পরীক্ষায় করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে ৪৯ জন। ১৩৩৮ জনের মধ্যে করোনা রোগী ৪৯ জন। ঐকিক নিয়মে ফোনকারী সকলের (৯ লাখ ৫৫ হাজার ৪২৫ জন) টেস্ট করা হলে আক্রান্ত পাওয়া যেত ৩৪,৯৯০ জন। এ হিসেবে দেশে করোনা আক্রান্ত আছেন প্রায় ৩৫ হাজার মানুষ।

প্রশ্ন আসবে আইইডিসিআর তো লক্ষন শুনে বাকীদের টেষ্ট করেনি, তাহলে তাদের মধ্যেও এতো করোনা রোগী পাওয়া যাবে কেন? উত্তর হচ্ছে তারা যাদের টেস্ট করেনি, বা করতে চায়নি, তাদের মধ্যে করোনার লক্ষন নিয়ে মারা যাওয়া লোকের সংবাদ আমরা পাচ্ছি প্রায় প্রতিদিন। করোনায় যাদের মৃত্যুসংবাদ আমরা পাই তাদের মধ্যে বরং টেস্ট করা হযনি এমন মানুষের সংখ্যা আরো বেশী। সে বিবেচনায় স্বেচ্ছাচারভাবে যাদের টেস্ট করা থেকে বাদ দেয়া হয়েছে তাদের মধ্যে করোনা রোগীর হার কোনভাবে কম থাকার কথা না। আরেকটা কথা। বাংলাদেশে সবার কি তাদেরকে ফোন করার মতো সুযোগ, সচেতনতা বা সাহস আছে? সবাই কি ফোন করে লাইনে ঢুকতে পেরেছে? এদের সংখ্যা যদি যারা ফোন করেছে ও কানেক্ট করতে পেরেছে তাদের সমানও হয় তাহলে করেনো রোগীর সংখ্যা হবে আরো দুগুন মানে ৭০ হাজার। আপাতত যদি ৩৫ হাজারই ধারনা করি, তাহলেও তা ভয়ংকর শোনায় না? এর যদি ২৫ শতাংশও সঠিক হয় তাহলে সংখ্যাটি অন্তত ৯ হাজার। প্রশ্ন হচ্ছে আর কতো মানুষকে সংক্রমন করে যাচ্ছে এরা না জেনে কিছু? এর দায় আসলে কার? (আমার আশংকার ভিত্তি নিয়ে কোন সন্দেহ থাকলে প্লিজ আমাকে বলেন। যৌক্তিক হলে শুদ্ধ করে নিবো)’

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net