https://www.dailyshamolbangla.com/
আব্দুর রকিব,শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) সংবাদদাতাঃ মুন্সীগরেঞ্জ শ্রীনগরে সামাজিক দূরত্ব মানছেনা, কমছেনা আড্ডাবাজী। অনেকেই সময় কাটাচ্ছে আড্ডাবাজীতে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকার প্রথম পর্যায়ে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষনা করলেও পরে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি বাড়িয়ে দেয় । এসময় দেশের সব মার্কেট, শপিংমল, বিপনিবিতান, গনপরিবহনসহ সব ধরনের বিনোদনকেন্দ্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশনার পাশাপাশি জনসাধারনকে প্রয়োজনীয় সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়। আর মূলত সামাজিক দূরত্ব সৃষ্টির তাগিদেই এ ঘোষনা দেওয়া হয়েছে। প্রানঘাতি করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাঠে কাজ করে যাচ্ছে সেনাবাহিনী,পুলিশ ও প্রশাসন। এর পরও অনেকেই সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের চায়ের দোকান, পাড়া, মহল্লা, অলিগলি ও খেলার মাঠে প্রতিনিয়ত আড্ডাবাজী করে যাচ্ছেন। দেখেমনে হয়, অবসর সময় কাটাতেই তাদের কর্মস্থল ও বাড়ি থেকে ছুটি দেওয়া হয়েছে। শ্রীনগর, আল আমিন,ভাগ্যকুল, তিনদোকানসহ উপজেলার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখাগেছে, সকাল থেকে চলছে শতশত নারী পুরুষের জনসমাগম। খোদ শ্রীনগর সদর বাজারে নারী পুরুষের সমাগম দেখলে মনেহয় ঈদ কিংবা দূর্গোৎসবের কেনা কাটার ধুম চলছে। ক্রেতাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার ক্ষেত্রে দোকানিদের নেই কোন উদ্যোগ বা চেষ্টা। শুধু পন্য বিক্রিতেই তারা অতি ব্যস্ত। শুধু তাই নয়, রাঢ়ীখাল ইউনিয়নের মাইজপাড়া খেলারমাঠে প্রতিদিন বিকেলে চলছে ফুটবল খেলা। আর এ খেলা উপভোগ করার জন্য নানা শ্রেনি পেশার বিভিন্ন বয়সী শতশত মানুষ উপস্থিত হয়। সামাজিক দূরত্ব না মেনেই তারা মাঠের চারদিক বসে আড্ডায় মেতে থাকছেন। এছারা প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডের অলিগলি বা গুরুত্ব পূর্ন মোড়, চায়ের দোকানে প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে সর্বদাই ২০/২৫ জনকে আড্ডা দিতে দেখাযায়। আর এসব আড্ডবাজি প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও মেম্বার দেখেও যেন না দেখার ভান করে পাশকাটিয়ে চলে যাচ্ছেন। তাদের এ ধরনের উদাসিনাতার কারনে কোন ভাবেই পাড়া,মহল্লা, অলিগলি কিংবা সড়কের গুরুত্ব পূর্ণ মোড়ে কিছুতেই আড্ডা কমছেনা। দিনে অথবা রাতে থানা পুলিশের টমহল টিমের উপস্থিতি টের পেলেই আড্ডাবাজেরা যে যার মতে সটকে পরে। আবার পুলিশ সরে যেতে না যেতেই শুরু হয় তাদের আড্ডাবাজি। অনেকে সামাজিক দূরত বজায় রাখার চেয়ে আড্ডাকেই বেশী প্রাধান্য দিচ্ছেন। এ ভাবে বিভিন্ন স্থানে জনসমাগমের কারনে প্রানঘাতি করোনাভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে উপজেলার সর্বত্র ঝুকি থেকেই যাচ্ছে বলে মনে করেন সচেতন মহল।