1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
করোনা : বদলে গেছে ইফতার সামগ্রীর বাজার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে একসঙ্গে কাজ করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর আহ্বান নৌ ও বিমানবাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর টেস্ট র‍্যাংকিংয়ে ইতিহাসের সেরা অবস্থানে বাংলাদেশ রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে থেকে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় যোগ দিলে সংশ্লিষ্ট দেশকে ‘শত্রু’ হিসেবে গণ্য করা হবে : ইরান বঙ্গভবনে উঠলেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল টানা তৃতীয় ডাক লিটনের, ইনিংস হারের পথে বাংলাদেশ চট্টগ্রামে সমাজবিরোধী অপতৎপরতার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মাগুরায় ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চোর আহত মাগুরায় ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন 

করোনা : বদলে গেছে ইফতার সামগ্রীর বাজার

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪৬৫ বার

মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার :
করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বদলে গেছে ইফতার সামগ্রীর বাজার। অধিকাংশ রেস্তোরাঁ বন্ধ। ফুতপাতেও বিক্রি করতে দেওয়া হচ্ছে না ইফতার সামগ্রী। তবে বিভিন্ন পাড়া-মহল্লার ছোট ছোট রেস্তোরাঁয় অল্প পরিমাণে ইফতার সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে।

রোববার (২৬ এপ্রিল) দ্বিতীয় রোজার দিনে রাজধানীর ধানমন্ডি, জিগাতলা ও শঙ্কর এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে।

এসব এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ফুটপাত বা রাস্তার পাশে ইফতার সামগ্রীর দোকান নেই। তাই অন্যান্য বছরের মতো ইফতার সামগ্রীর ব্যবসায়ীদের হাকডাকও নেই। কিছু রেস্তোরাঁয় একটা ঝাপ বা সাটার খুলে অল্প পরিমাণ ইফতার সামগ্রী বিক্রি করা হচ্ছে। সেসব দোকানে মানুষের ভিড় দেখা গেছে।

ধানমন্ডি ১৫ নাম্বারের বিসমিল্লাহ হোটেলের ইফতার সামগ্রী বিক্রেতা হানিফ মিয়া বলেন, ‘করোনার কারণে এবার হাকডাক দিয়ে ইফতার বিক্রি করতে পারছি না। একটি ঝাপ খুলে ইফতার বিক্রি করছি। ক্রেতাদের সবাইকে বলেছি, সবাই যেন সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখে।’

ধানমন্ডির আরেক ব্যবসায়ী আজগর আলী জানান, তিনি ২১ বছর ধরে রমজান মাসে ইফতার সামগ্রী বিক্রি করেন। ১০ থেকে ১৫ আইটেম সাজিয়ে নিয়ে তিনি বসতেন। কিন্তু এবারের মতো অবস্থা আগে কখনো হয়নি। এবার পুলিশ তাদের বসতে দিচ্ছে না।

ইফতারি কিনতে আসা তামিম হোসেন বলেন, ‘বাসায় ইফতারি বানানোর মতো কেউ নেই। আমি ব্যাচেলর। তাই বাইরে ইফতারি কিনতে আসলাম। কিন্তু এখানে এসে দেখি, একটাই হোটেল খোলা আর ইফতারির পরিমাণও অনেক কম। তার ওপর অনেক ভিড়।’

তিনি আরো বলেন, ‘প্রতি বছর আমরা বন্ধুরা মিলে অনেক ধরনের আইটেম দিয়ে ইফতার করে থাকি। কিন্তু এ বছর সামান্য কিছু খাবার খেতে হচ্ছে ইফতারিতে।

করোনাভাইরাস ছড়ানোর আশঙ্কায় এবার ইফতার সামগ্রীর বাজার নিষিদ্ধ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নির্দেশনার পর রাস্তায় ও ফুটপাতে ইফতার সামগ্রীর দোকান বসতে দিচ্ছে না ঢাকা মহানগর পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net