1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
কভিড-১৯ চিকিৎসা, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে সুস্থতার হার বেশি, এখনও নিশ্চিত নন চিকিৎসকরা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে হাটহাজারী বিএনপির দোয়া মাহফিল রোটারি ক্লাব অব কুমিল্লা মিড টাউনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জশনে জুলুসে ঈদে-মিলাদুন্নবী চন্দনাইশে পবিত্র রবিউল আউয়ালকে স্বাগত জানিয়ে র‌্যালি মাগুরার শ্রীপুরে বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় জামায়াতের কর্মী শিক্ষা শিবির দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজের আহ্বান: এমপি শাহজাহান চৌধুরী  মাগুরায় বিভিন্ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী  মাগুরায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের রড হস্থান্তর  কবি কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি প্রাঙ্গণে সবুজ আন্দোলনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে সিআর পরোয়ানা ভুক্ত ১ আসামী গ্রেফতার

কভিড-১৯ চিকিৎসা, গ্যাস্ট্রিকের ওষুধে সুস্থতার হার বেশি, এখনও নিশ্চিত নন চিকিৎসকরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১০ মে, ২০২০
  • ৩৯৮ বার

মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার :
যে সব রোগী গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেতেন তারা করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থতার হার বেশি লক্ষ্য করা গেছে। গত শুক্রবার একটি ওয়েবসাইটে পোস্ট করা এক গবেষণা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ফেমোটিডিন গ্রহণ করা যে সব রোগী কভিড-১৯ এ হাসপাতালে ভর্তি হন, তাদের মধ্যে সুস্থতার হার দ্বিগুণের বেশি। তবে এটি এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয় যে, এটি গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের কাজ না অন্যকোন কারণে।

গবেষণা প্রতিবেদনটির সহরচয়িতা এবং নর্থওয়েল হেলথ এর চিকিৎসক ডা. জোসেফ কনিগলিয়ারো বলেন, ‘এ গবেষণা থেকে আমরা যা পেয়েছি তা উৎসাহব্যঞ্জক।’ প্রায় ৪০ বছর ধরে বাজারে আছে ফেমোটিডিন। গ্যাস্ট্রিক বা বুক জ্বালাপোড়ার একটি সাধারণ ওষুধ হিসেবে এটি কার্যকর। গ্যাস্ট্রিকের সমস্যার জন্য ডাক্তারের সাজেশান ছাড়াই মানুষ এটি খেয়ে থাকে।
এ গবেষণায় দেখা যায়, ১ হাজার ৫৩৬ জন রোগী যারা ফেমোটিডিন নিতেন না। তাদের মধ্যে ৩৩২ জন বা ২২ শতাংশ হয় মারা গেছেন বা ভেন্টিলেটরে রাখতে হয়েছে। অন্যদিকে ফেমোটিডিন গ্রহণ করতেন এমন ৮৪ রোগীর মধ্যে ৮ জন বা ১০ শতাংশ মারা গেছেন বা ভেন্টিলেটরে রাখতে হয়েছে।

কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি আরভিং মেডিক্যাল সেন্টারের দুই গবেষক বিবৃতিতে বলেন, যারা ফেমোটিডিন গ্রহণ করতেন অন্য রোগীদের চেয়ে তাদের মৃত্যু ঝুঁকি দ্বিগুণ কম ছিল। তবে আমরা এটি এখনও নিশ্চিতভাবে বলতে পারছি না। কারণ এটি যুগপৎ কোন ঘটনাও হতে পারে। তারা ফেমোটিডেনের কারণে দ্রুত সুস্থ হয়েছেন না অন্য কোন কারণে। তবে এই তথ্যের ওপর ভিত্তি করে কাউকে ফেমোটিডিন নিতে নিষেধ করেছেন ডাক্তাররা। তাদের বক্তব্য এর জন্য আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও তথ্য উপাত্ত দরকার।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net