1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গংগাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাংগনের কবলে 'আবাদি জমি' দিশেহারা নদী এলাকার কৃষকরা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০:৪০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
চকবাজার থানা কমিটি কর্তৃক সাইবার ইউজার দলের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে গুজব/তথ্য সন্ত্রাস প্রতিরোধে সচেতনতামূলক আলোচনা ও দোয়া মাহফিল ডেমরায় জিপসাম কারখানা বন্ধে এলাকাবাসীর বিক্ষোভ ও মানববন্ধন কোম্পানীগঞ্জে চৌধুরীহাট ডিগ্রী কলেজের পুনর্গঠিত গভর্নিং বডির পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  ২৭ জুলাই হতে শুরু হচ্ছে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করা হয়েছে; খাগড়াছড়িতে পিসিএনপি চেয়ারম্যান হামিদ রানা চন্দনাইশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাতের ত্রাণ প্রতিবন্ধী যুবককে মারধরের অভিযোগ, ভাঙ্গুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ নকলায় মোটরসাইকেল ও পিকআপ সংঘর্ষে ইলেকট্রিক মিস্ত্রী নিহত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট-পাঠদান ব্যাহত চন্দনাইশ ধোপাছড়িতে ৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা   ক্যামব্রিজ ইসলামিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে কোরআন ক্লাসের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

গংগাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাংগনের কবলে ‘আবাদি জমি’ দিশেহারা নদী এলাকার কৃষকরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০
  • ৪০৬ বার

মোহাম্মদ নুর আলম সিদ্দিকী মানু,স্টাফ রিপোর্টারঃ রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নে তিস্তার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ভুট্টা ও পাট ক্ষেত সহ আবাদি জমি। এছাড়াও ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে তিস্তা নদীর ডানতীরের বাঁধ। গত বছর থেকে তিস্তার পানি মূল নদীতে না গিয়ে গ্রোয়েন বাঁধ ক্রস করে ফসলের ক্ষেত ও আবাদি জমি বিলীন করে তিস্তা প্রতিরক্ষা ডানতীর বাঁধে আঘাত হানে। এতে বাঁধের অধিকাংশ স্থান নদীতে বিলীন হয়ে যায়। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড বালির বস্তা ডাম্পিং করে আপাতত রক্ষা করেছে। প্রতক্ষদর্শিরা জানায় উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে তিস্তার ভাঙন এসে ঠেকেছে মূল বাঁধে। সেই সঙ্গে ভেঙে যাচ্ছে ফসলের ক্ষেত ও আবাদি জমি। স্থানীয়দের মর্ধ্যে কয়েকজন শ্যামল বাংলা কে জানান- তিস্তার পানি বাড়লে ভাঙন এসে আবারও আঘাত হানবে।তাছাড়া উজান ও ভাটিতে অবস্থিত দুই গ্রোয়েন বাঁধের মাঝে একটি বেড়িবাঁধ না দিলে মূল বাঁধসহ আবাদি জমি রক্ষা করা যাবে না বলে আশঙ্কা করছেন তারা। নোহালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম টিটুল বলেন- জরুরী ভাবে ভাঙন রোধ করা না হলে অনেক কৃষকের আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হবে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম ভাঙনের কথা স্বীকার করে বলেন-ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছে। আপাতত বালুর বস্তা ডাম্পিং করা হয়েছে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন- মূল বাঁধ রক্ষায় একটি বেড়িবাঁধ করা জরুরি এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net