1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গংগাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাংগনের কবলে 'আবাদি জমি' দিশেহারা নদী এলাকার কৃষকরা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
একদিন আগেই হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর : নারায়ণগঞ্জ ভূমি অফিসের অনিয়মে ক্ষুব্ধ ভূমি প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার রামপুরে সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে ডাকাতি, আটক ৩  নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডিবি পরিচয়ে ব্যাংক কর্মকর্তাকে গাড়িতে তুলে ১২ লাখ টাকা ছিনতাই  সোনারগাঁয়ে চৈতী কম্পোজিট কে পৌনে ১ কোটি টাকা জরিমানা জাতীয় নবম বেতন স্কেল ২০২৬ অনুমোদন, দুই বছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন ছাত্রদলের পদবঞ্চিত ও পদপ্রাপ্তদের সংঘর্ষ, আহত ২ শেরপুরে ৫০ লাখ টাকার চেক মামলায় ইদ্রিস কোম্পানির সাবিক ডিএমডির ১ বছরের কারাদন্ড বাসসের নেতৃত্বে কাদের গনি চৌধুরী, সিএমইউজের অভিনন্দন চোরাচালান, মাদক ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বিজিবির প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান বাড়ৈখালিতে এতিম শিশুদের ওপর নির্যাতন: মিষ্টি জামালের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন

গংগাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাংগনের কবলে ‘আবাদি জমি’ দিশেহারা নদী এলাকার কৃষকরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০
  • ৪৪৪ বার

মোহাম্মদ নুর আলম সিদ্দিকী মানু,স্টাফ রিপোর্টারঃ রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নে তিস্তার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ভুট্টা ও পাট ক্ষেত সহ আবাদি জমি। এছাড়াও ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে তিস্তা নদীর ডানতীরের বাঁধ। গত বছর থেকে তিস্তার পানি মূল নদীতে না গিয়ে গ্রোয়েন বাঁধ ক্রস করে ফসলের ক্ষেত ও আবাদি জমি বিলীন করে তিস্তা প্রতিরক্ষা ডানতীর বাঁধে আঘাত হানে। এতে বাঁধের অধিকাংশ স্থান নদীতে বিলীন হয়ে যায়। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড বালির বস্তা ডাম্পিং করে আপাতত রক্ষা করেছে। প্রতক্ষদর্শিরা জানায় উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে তিস্তার ভাঙন এসে ঠেকেছে মূল বাঁধে। সেই সঙ্গে ভেঙে যাচ্ছে ফসলের ক্ষেত ও আবাদি জমি। স্থানীয়দের মর্ধ্যে কয়েকজন শ্যামল বাংলা কে জানান- তিস্তার পানি বাড়লে ভাঙন এসে আবারও আঘাত হানবে।তাছাড়া উজান ও ভাটিতে অবস্থিত দুই গ্রোয়েন বাঁধের মাঝে একটি বেড়িবাঁধ না দিলে মূল বাঁধসহ আবাদি জমি রক্ষা করা যাবে না বলে আশঙ্কা করছেন তারা। নোহালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম টিটুল বলেন- জরুরী ভাবে ভাঙন রোধ করা না হলে অনেক কৃষকের আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হবে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম ভাঙনের কথা স্বীকার করে বলেন-ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছে। আপাতত বালুর বস্তা ডাম্পিং করা হয়েছে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন- মূল বাঁধ রক্ষায় একটি বেড়িবাঁধ করা জরুরি এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net