1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গংগাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাংগনের কবলে 'আবাদি জমি' দিশেহারা নদী এলাকার কৃষকরা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:০১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার কর্মসূচি বাস্তবায়নে লাকসামে নারী সমাবেশ ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত জালিয়াতির অভিযোগ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের পদত্যাগ চন্দনাইশে ডেঙ্গু জ্বরে সাকিব আহমদের অকালমৃত্যু ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অনুশীলনে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় কবিরহাটের আবুবক্কর সিদ্দিক নিহত  কোনো স্লিপার বাসের রেজিস্ট্রেশন দেয়নি বিআরটিএ: হাইকোর্টে প্রতিবেদন পলিথিনের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল সেবায় নতুন সম্ভাবনা নিয়ে কাজ করছে ক্রিয়েটিভ আইটি কর্ণার সিইও তরুণ উদ্যোক্তা তানবীন ফারুক মানিকছড়িতে বাজার শেড অবৈধ দখলমুক্তকরণ ও পুনঃস্থাপনের দাবীতে মানববন্ধন নোয়াখালীর সদর উপজেলায় মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ: অভিযুক্ত শিক্ষক আটক ‘শেষ দেখে ছাড়ব’, আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা বাঁধনের

গংগাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাংগনের কবলে ‘আবাদি জমি’ দিশেহারা নদী এলাকার কৃষকরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০
  • ৪৫৫ বার

মোহাম্মদ নুর আলম সিদ্দিকী মানু,স্টাফ রিপোর্টারঃ রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নে তিস্তার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ভুট্টা ও পাট ক্ষেত সহ আবাদি জমি। এছাড়াও ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে তিস্তা নদীর ডানতীরের বাঁধ। গত বছর থেকে তিস্তার পানি মূল নদীতে না গিয়ে গ্রোয়েন বাঁধ ক্রস করে ফসলের ক্ষেত ও আবাদি জমি বিলীন করে তিস্তা প্রতিরক্ষা ডানতীর বাঁধে আঘাত হানে। এতে বাঁধের অধিকাংশ স্থান নদীতে বিলীন হয়ে যায়। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড বালির বস্তা ডাম্পিং করে আপাতত রক্ষা করেছে। প্রতক্ষদর্শিরা জানায় উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে তিস্তার ভাঙন এসে ঠেকেছে মূল বাঁধে। সেই সঙ্গে ভেঙে যাচ্ছে ফসলের ক্ষেত ও আবাদি জমি। স্থানীয়দের মর্ধ্যে কয়েকজন শ্যামল বাংলা কে জানান- তিস্তার পানি বাড়লে ভাঙন এসে আবারও আঘাত হানবে।তাছাড়া উজান ও ভাটিতে অবস্থিত দুই গ্রোয়েন বাঁধের মাঝে একটি বেড়িবাঁধ না দিলে মূল বাঁধসহ আবাদি জমি রক্ষা করা যাবে না বলে আশঙ্কা করছেন তারা। নোহালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম টিটুল বলেন- জরুরী ভাবে ভাঙন রোধ করা না হলে অনেক কৃষকের আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হবে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম ভাঙনের কথা স্বীকার করে বলেন-ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছে। আপাতত বালুর বস্তা ডাম্পিং করা হয়েছে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন- মূল বাঁধ রক্ষায় একটি বেড়িবাঁধ করা জরুরি এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net