1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গংগাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাংগনের কবলে 'আবাদি জমি' দিশেহারা নদী এলাকার কৃষকরা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
লাকসামে স্বামীর পরকীয়ার জেরে স্ত্রীর আত্মহত্যা পদত্যাগ করছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ভোটের আগের রাতেই স্থগিত সাতকানিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার নির্বাচন সরকারি রাস্তার জায়গা দখলের অভিযোগ, পাল্টা দাবি জমির মালিকের চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে ৩ আসামী গ্রেফতার। ঈদগাঁওয়ে দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক ইন্তেকাল করেছেন শিমুলিয়ায় ইউপি নির্বাচনী হাওয়া, ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে নির্বাচন-সংক্রান্ত মতবিনিময় সভা জাতীয় ক্রাইম রিপোর্টার্স সোসাইটি চট্টগ্রাম বিভাগের উদ্যোগ বাঁশখালী বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ মাগুরায় স্ত্রী-সন্তানকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে স্বামীর মৃত্যু 

গংগাচড়ায় তিস্তা নদীর ভাংগনের কবলে ‘আবাদি জমি’ দিশেহারা নদী এলাকার কৃষকরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০
  • ৪০০ বার

মোহাম্মদ নুর আলম সিদ্দিকী মানু,স্টাফ রিপোর্টারঃ রংপুর জেলার গঙ্গাচড়া উপজেলার নোহালী ইউনিয়নে তিস্তার ভাঙনে বিলীন হচ্ছে ভুট্টা ও পাট ক্ষেত সহ আবাদি জমি। এছাড়াও ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে তিস্তা নদীর ডানতীরের বাঁধ। গত বছর থেকে তিস্তার পানি মূল নদীতে না গিয়ে গ্রোয়েন বাঁধ ক্রস করে ফসলের ক্ষেত ও আবাদি জমি বিলীন করে তিস্তা প্রতিরক্ষা ডানতীর বাঁধে আঘাত হানে। এতে বাঁধের অধিকাংশ স্থান নদীতে বিলীন হয়ে যায়। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড বালির বস্তা ডাম্পিং করে আপাতত রক্ষা করেছে। প্রতক্ষদর্শিরা জানায় উপজেলার নোহালী ইউনিয়নের শেষ প্রান্তে তিস্তার ভাঙন এসে ঠেকেছে মূল বাঁধে। সেই সঙ্গে ভেঙে যাচ্ছে ফসলের ক্ষেত ও আবাদি জমি। স্থানীয়দের মর্ধ্যে কয়েকজন শ্যামল বাংলা কে জানান- তিস্তার পানি বাড়লে ভাঙন এসে আবারও আঘাত হানবে।তাছাড়া উজান ও ভাটিতে অবস্থিত দুই গ্রোয়েন বাঁধের মাঝে একটি বেড়িবাঁধ না দিলে মূল বাঁধসহ আবাদি জমি রক্ষা করা যাবে না বলে আশঙ্কা করছেন তারা। নোহালী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম টিটুল বলেন- জরুরী ভাবে ভাঙন রোধ করা না হলে অনেক কৃষকের আবাদি জমি নদী গর্ভে বিলীন হবে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম ভাঙনের কথা স্বীকার করে বলেন-ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেছে। আপাতত বালুর বস্তা ডাম্পিং করা হয়েছে। রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মেহেদী হাসান বলেন- মূল বাঁধ রক্ষায় একটি বেড়িবাঁধ করা জরুরি এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net