1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
বিশ্ব বাবা দিবস : সব বাবা হোক স্বপ্নদ্রষ্টা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় শ্রীপুরে সোনালী ব্যাংকের এটি,এম বুথের উদ্বোধন  নকলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত  মাগুরায় জামায়াতের ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে লিফলেট ও ব্লিচিং পাউডার বিতরণ  নবীনগরে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও আলোচনা সভা নৈতিক চিত্তের মানুষ তৈরি করতে হলে শিক্ষার্থীদের আদব শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে : এস এম আকাশ অতিরিক্ত মূল্যে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি : ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা কুষ্টিয়ায় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়িতে হামলা-ভাঙচুর মা‌টিরাঙ্গায় চতুর্থ শ্রেনির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ হাটহাজারী এনসিপির সাংগঠনিক সভা অনুষ্ঠিত ডিআইজি-অতিরিক্ত ডিআইজিসহ পুলিশের ২৪ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি

বিশ্ব বাবা দিবস : সব বাবা হোক স্বপ্নদ্রষ্টা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ২১ জুন, ২০২০
  • ৩৫৩ বার

মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার :
গল্পটা এক নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের। সজল নামের ছেলেটা ছোট থেকেই বাবার কাছে ব্যর্থদের সফল হওয়ার গল্প শোনে। এভাবেই বাবা ছেলের মনে স্বপ্নের বীজ বোনেন। বাবা অফিস থেকে ফেরার পথে আইসক্রিম, চকলেট নিয়ে আসেন। অভাবের সংসারেও ছেলের আবদারে প্রতি শুক্রবার মিষ্টি আনা হয়। একবার শক্ত অসুখ হল সজলের, নিউমোনিয়া। কোনো খাবারই খেতে পারে না। শুধু সুজি আর সাগু।

অবশেষে মা-বাবার সেবায় সুস্থ হয়ে ওঠে সজল। ছেলেটি প্রথম থেকেই লেখাপড়ায় ভালো। তৃতীয় শ্রেণিতে রোল ৩, চতুর্থ শ্রেণিতে ১, পঞ্চম শ্রেণিতে ২, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ৪, সপ্তম শ্রেণিতে ২- এভাবে মাধ্যমিক পর্যন্ত ভালো অবস্থান ধরে রাখে সজল। এ কারণে বন্ধু-বান্ধব, আত্মীয়-স্বজন সবার কাছে সমাদর পায় সে। কিন্তু এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে সজল জিপিএ-৪.৩৮ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়। সমাজের চোখে এটি নিম্নমানের ফল। সমালোচনার রোল পড়ে যায় আত্মীয় মহলে। বন্ধুরাও হেয় করতে ছাড়ে না। কটূক্তি, সমালোচনায় বিষাক্ত হয়ে ওঠে সজলের ভাবনার জগৎ। সে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে, ছাত্ররা তার রেজাল্টের সমান বড়।

এ অবস্থায় শুধু বাবা সজলকে সাহস দেন। তিনি বলেন, আমরা হাঁটতে গিয়ে যদি পিছলে পড়ে যাই, তাহলে কি মাটিতেই বসে থাকব? অবশ্যই না। উঠে দাঁড়াতে হবে। আবার শুরু করব পথচলা। আত্মীয়রা বলেছিল, এ ছেলেকে দিয়ে কিছু হবে না। সজলের মা বলেছিলেন, ছেলেকে ডিপ্লোমায় ভর্তি করালে একটা চাকরি অন্তত পাবে। কিন্তু ছেলেকে নিয়ে স্বপ্ন দেখলেন একমাত্র বাবা। সজলকে ভর্তি করলেন একটা সরকারি কলেজে। এর পরের গল্প আরও কষ্টের। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় সজল এক বিষয়ে ফেল করে। এরই মধ্যে বন্ধুবান্ধব এই ‘গুণহীন’ ছেলেটির কাছ থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নেয়। কিন্তু বাবা তো স্বপ্নদ্রষ্টা, তিনি কিভাবে ছেলের স্বপ্নভঙ্গ করেন! সজলের বাবা এবার সজলকে বোঝালেন। তাকে বললেন, মনে করো মাঝ নদীতে একটা নৌকা আছে, যদি নৌকাটার ইঞ্জিন চলতে থাকে, আর হাল কেউ ধরে রাখে, তাহলে নৌকা তো কোনো না কোনো কূলে ফিরবেই। বাবা সজলকে অভয় দিয়ে বলেন, তুমি লেখাপড়া চালিয়ে যাও, ভালো কিছু হবে ইনশাআল্লাহ।

সজল পরেরবার পরীক্ষা দেয় ভালো ফলের আশায়। এবার সে অন্য একটি বিষয়ে ফেল করে। চারপাশ থেকে কেমন সমালোচনা হতে থাকে, তা সহজেই অনুমেয়। পরেরবার সে আবার পরীক্ষা দেয়, এবার আর ফেল নয়, ৪.৬৮ পায় সে। ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিদ্যাপীঠ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে। এমন স্বপ্নদ্রষ্টা বাবারাই বাঁচিয়ে রাখেন সন্তানের আশা। ব্যর্থতা কাটিয়ে সফল হয়ে ওঠে সন্তানরা এমন স্বপ্নদ্রষ্টা বাবাদের কারণেই। আজ বাবা দিবস। সব স্বপ্নদ্রষ্টা বাবার মুখে হাসি ফোটাবে সজলরা, এটাই হোক বাবা দিবসের অঙ্গীকার।

লেখকঃ বিশেষ প্রতিবেদক | সাবেক কাউন্সিলর বিএফইউজে-বাংলাদেশ ও সদস্য ডিইউজে |

২১ জুন ২০২০-| ৭ আষাঢ় ১৪২৭| ২৮ শাওয়াল ১৪৪১ | রোববার -|

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net