1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ইনকাম ট্যাক্সের ফাঁদে সঞ্চয়পত্রের মালিকরা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নবীগঞ্জে ছোট বোন হত্যা মামলার প্রধান আসামি শাহীন সিলেট থেকে গ্রেফতার নোয়াখালীর হাতিয়ায় তমরদ্দি ইউনিয়নে বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে আবারও অসুস্থ ২১ শিক্ষার্থী মাগুরায় ছাত্রদলের পরিছন্নতা কর্মসুচির উদ্বোধন দেওয়ানেশ্বরী কালীবাড়ি মন্দিরে ২০ ভরি স্বর্ণের হিসাব নেই গঠনতন্ত্র উপেক্ষা করে কমিটি গঠনের অভিযোগ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে আটক ৬: অস্ত্র – সরঞ্জামসহ প্রাইভেটকার জব্দ ইউপি নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত : প্রথম ধাপ ১২ নভেম্বর, ভোট হবে ৭ ধাপে শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে : প্রধানমন্ত্রী শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি খাতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ‎কুমিল্লায়  পেশী শক্তি  ও অনাচারে জড়িত থাকায় ‎দুই যুবদল নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার স্বাক্ষর অমিল : চবির নিয়োগ পরীক্ষায় প্রার্থী বরখাস্ত

ইনকাম ট্যাক্সের ফাঁদে সঞ্চয়পত্রের মালিকরা

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০
  • ৩৫৮ বার

সুমন দত্ত।।

বাঙাল কে হাইকোর্ট দেখানো। প্রচলিত এই প্রবাদ ঘুরিয়ে বললে সঞ্চয়পত্রের মালিকদের এনবিআর ( জাতীয় রাজস্ব বোর্ড) তথা ইনকাম ট্যাক্স অফিস দেখানো। প্রথমে প্রচার করা হলো জনগণের কষ্ট লাঘবে সঞ্চয়পত্রের মুনাফা চলে যাবে এর মালিকের ব্যাংক হিসাবে। এখন ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে ঘোষণা এলো প্রত্যেক টিন নম্বরধারী সঞ্চয়পত্রের মালিকদের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে হবে। মোদ্দা কথা এখন সঞ্চয়পত্র কিনলে ইনকাম ট্যাক্স অফিসের দরজায় কড়া নাড়তে হবে। আর এই সুযোগে সরকারি অফিসের লোকরা নানা অজুহাত দেখিয়ে নিজেদের পকেট ভারি করবে। যা দেখার কেউ থাকবে না। এভাবে সরকার সঞ্চয়পত্রের মালিকদের আয়করের ফাঁদে ফেলে হয়রানির মুখে ঠেলে দিচ্ছে। যা আগে কখনও ছিল না।

বর্তমান নিয়মে যারা সঞ্চয়পত্র কিনছেন, তারা ব্যাংকের হিসাব নম্বর ও টিন নম্বর দিচ্ছেন। এতে এনবিআরের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো খুব সহজেই জেনে যাচ্ছে কার হিসাবে কত টাকা আছে এবং কে কত টাকার সঞ্চয়পত্র কিনছে। সেই হিসেবে তারা কর কেটে নিচ্ছে। এতে সঞ্চয়পত্রের মালিকদের প্রশ্ন করারও প্রয়োজন পড়ছে না। সিস্টেম ডেভেলাপ করার কারণে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে তা হয়ে যাচ্ছে।

এই যদি হয় বাস্তবতা, তাহলে আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা কেন? সরকার যে নিয়ম করেছে তাতে এ বিষয়টা হাস্যকর ঠেকছে। বিষয়টা এমন আমি জানি তার নাম ‘ক’ তিনি ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র কিনেছেন, এখন তাকে এই একই কথা আয়কর অফিসে গিয়ে বলতে হবে আমার নাম ‘ক’, আমার ৩০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র আছে। অথবা এ কথাটা বলতে ব্যক্তিকে প্রতি বছর আয়কর দিবসে লাইনে দাড়াতে হবে, নচেৎ আয়কর অফিসারের সামনে গিয়ে নানা ফালতু প্রশ্নের জবাব দিতে হবে।

এভাবে সঞ্চয়পত্র থেকে সুবিধাভোগীদের এক হয়রানির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে সরকার। যা একটি গণতান্ত্রিক দেশের জনবান্ধব নীতি হতে পারে না।

সংসদে বাজেট পেশের সময় অর্থমন্ত্রী যদি বলতেন যাদের টিন দিয়ে সঞ্চয়পত্র কেনা। তাদের যদি সঞ্চয়পত্রের বাইরে কোনো স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি না থাকে তবে তাদের আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। করযোগ্য আয় থাকলেই আয়কর রিটার্ন দিতে হবে। তাহলে বিষয়টা হতো গঠনমূলক ও ন্যায় সংগত আচরণ। কিন্তু সরকার তা করছে না। আশা করি সরকার এ বিষয়গুলো ভেবে দেখবে।

এটা সত্য, কর ফাকি দেয়ার প্রবণতা এদেশের নাগরিকদের মধ্যে দেখা যায়। তাই দেশের সচেতন নাগরিক হিসেবে আমরাও চাই সরকার কর আদায়ে বিশেষ উদ্যোগ নিক। তাই বলে যার কোনো স্থায়ী আয় নেই তাকে ইনকাম ট্যাক্স অফিস দেখানো ঠিক না। আইন এমনভাবে করতে হবে যা দেশের মানুষের আর্থ সামাজিক অবস্থার সঙ্গে খাপ খায়। সরকার নিজের খেয়াল খুশিমতো আইন করলে তা বাস্তবায়ন হবে না। এদেশে প্রকাশ্যে সিগারেট খাওয়ার বিরুদ্ধেও আইন আছে। মুরগির মাথা নিচে ঝুলিয়ে আনা নেয়া করা যাবে না, এমন আইনও আছে। সেগুলো কি মানা হচ্ছে? রাস্তায় বের হলেই এসব ঠুনকো আইনের লঙ্ঘন দেখা যায়।

তাই অবিলম্বে প্রত্যেক টিনধারী সঞ্চয়পত্রের মালিকদের আয়কর রিটার্ন জমা দেয়ার নিয়ম থেকে অব্যহতি দেয়া হোক। বর্তমানে যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তা পুনর্বিবেচনা করা হোক। এতে যারা শুধুই সঞ্চয়পত্রের সুবিধাভোগী তারা উপকৃত হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net