মোঃ শাকিল, সোহেলকে সংগে নিয়ে বিশেষ প্রতিনিধি মোহাম্মদ নুর আলম সিদ্দিকী মানু ঃ
সাভার উপজেলার আশুলিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের চারাবাগ গ্রামের মৃত্যু মারফত আলী মুন্সি মাতা শামর্থ বানু’র ৯সন্তানের সর্বকনিষ্ঠ সন্তানটি ১৯৭৪ সালে কোল জুরে আসেন আজকের জননন্দিত জনআকাংখার জনপ্রিয় মোঃ হোসেন আলী মেম্বর। সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া শিশুটি(হোসেন আলী মেম্বর) প্রতিদিন প্রায় আদা কিলোমিটার রাস্তা অতিক্রম করে দোশাইদ প্রাইমারি স্কুল থেকে প্রাইমারী পাশ করে ১৯৯১ সালে দোশাইদ হাইস্কুল থেকে এসএসসি, ১৯৯৩ সালে দোশাইদ কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ১৯৯৪ সালে ডিগ্রি কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। হোসেন আলী মাস্টার ছাত্র জীবনের শুরুটা ছিলো রাজনীতির হাতে খড়ি কলেজ জীবনে ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মীছিলেন পরবর্তীতে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি, ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি, সেচ্চাসেবকলীগের সাভার উপজেলার সদস্য,আশুলিয়া থানার আহ্বায়ক কমিটি সদস্য, বর্তমান আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও
২৩৩সদস্য বিশিষ্ট আওয়ামী সমর্থক পরিবারের আওয়ামীলীগের একনিস্ট কর্মীরাই শুধু ২৩৩জনের নিজস্ব জমিতে অনির্বাণ সমবায় সমিতির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ছাত্র জীবনে এইচএসসি পাশ করে কিন্ডারগার্টেন স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন, পরবর্তীতে দোশাইদ স্কুলেও শিক্ষকতা করার একপর্যায়ে নিজেই কিন্ডারগার্টেন স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ভাইবোনের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ হলেও মেধাবী বুদ্ধিমান ও নেতৃত্বে ছিলেন অতুলনীয় তিনি ছাত্র জীবন থেকেই মিশুক ছিলেন ভালোবাসা ভালোলাগাকে বুকে লালনকরে তিনি নিজেকে আবিস্কার করেন জননেতার জনআকাংখার জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি তারই ধারাবাহিকতায় জনতার জনপ্রিয়তায় প্রথম নির্বাচনে ৪৫০০ভোটারের ৫জন প্রতিদ্বন্দ্বীর মর্ধ্যে ১৬৫০ ভোট পেয়ে তিনি নির্বাচিত হন, সে-সময় তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১০০০ভোট পেয়ে পরাজিত হন। মেম্বার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে গরিব দুঃখি খেটে খাওয়া কর্মজীবী মানুষসহ সকলের পাশে সুখে দুঃখে জনগনের প্রয়োজনে তিনি হয়ে উঠেন একজন জনআকাংখার জনপ্রিয় মেম্বার,তিনি বিনির্মান করেন ৪নং ওয়ার্ডকে একটি মডেল ওয়ার্ডে। জনগনের ভালোবাসায় ভালোলাগায় শিক্ত হয়ে দ্বিতীয়বার ১৮০০ভোটে নির্বাচিত হন।

তিনি গত ১০ বছরে ওয়ার্ডের জনগনকে সাথে নিয়ে আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিনের সার্বিক সহযোগিতায় প্রায় ১৫কোটি টাকার উন্নয়ন করিয়েছেন। তিনি ব্যাক্তিগত ভাবে মসজিদ মাদ্রাসা এতিমখানা অজুখানা, গরীব অসহায় মেয়ের বিয়ে, অসহায়দের আর্থিক সহযোগিতা সহ তার নিরলস পরিশ্রমের মার্ধ্যমে গরে উঠে একটি মডেল ওয়ার্ডে জনআকাংখার মডেল জনপ্রতিনিধি। ওয়ার্ডের রাস্তার মোরে মোরে স্টিক লাইট বসিয়ে দিয়েছেন যাতে রাতের আধারে লোক চলাচলের বিঘ্ন না ঘটে। এবং ভরবিহীন পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর দিয়েছেন উপঢৌকন ছারাই। সকল সামাজিক কর্মকাণ্ডের সার্বিক সহযোগিতা প্রদান, করোনাকালীন সময় আর্থিক সহায়তা, দুস্তদের দুস্ত ভাতা, বিধবাদের বিধবা ভাতা, শারিরীক প্রতিবন্ধীদের প্রতিবন্ধীভাতা, রাস্তার পানি নিস্কাসনের জন্য ড্রেনেজ ব্যাবস্থা, শুয়ারেজ লাইন, ওয়ার্ডের পথে প্রান্তরে রাস্তার অলিগলি পাকাকরন সহ কালভার্ট নির্মাণসহ কাংখিত উন্নয়ন করিয়েছেন ৮০ভাগ বাকী ২০ভাগ প্রক্রিয়াধিন রয়েছে, এমনি এক মুহুর্তে ইউপি নির্বাচন ঘনিয়ে এসেছে এবারো তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় যায় জনতার আশা আকাংখার জনপ্রিয় মানুষটির চলন বলন সাহায্য সহযোগিতার কথা দৈনিক শ্যামল বাংলা’র এ প্রতিবেদকের কাছে তুলে ধরেন এলাকাবাসী, মোঃ হোসেন আলী (মাস্টার) মেম্বার আগামী ইউপি নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী করার ঘোষনা ওয়ার্ডের ভোটারদের মুখে মুখে শোনা যায় । জনাব হোসেন আলী মেম্বরের সাথে কথা হলে তিনি বলেন আমাকে জনগন ভোট দিয়ে নির্বাচনে বিজয়ী করেছে দুই দু’বার, এবারও তাদের পাশে থেকে প্রতিনিধিত্ব করে তাদের ভালোবাসা ভালোলাগার মানুষ হিসেবে তাদের সেবায় নিবেদিত ও নিয়োজিত থেকে বাকিটা জীবন অতিবাহিত করতে পারি, সকলের দোওয়ায় সফলভাবে আবারও নির্বাচিত হতে পারি।
এলাকাবাসীরমতে যে মানুষটির একাগ্রতা, উন্নয়ন করার প্রতি নিরবচ্ছিন্ন মনোযোগ এবং একনিষ্ঠতার ফলে এই কাজ সম্ভব হয়েছে, তিনি আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এবং আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক হোসেন আলী মাস্টার।
তাঁর একাগ্রতার ফসল নিজ ওয়ার্ডের চারাবাগ, কুমকুমারী ও বাসাইদ এলাকার বিভিন্ন আরসিসি ঢালাই রাস্তা এবং সাথে ড্রেণেজ ব্যবস্থা সহ এই ওয়ার্ডকে একটা মডেল ওয়ার্ড হিসেবে গরে তুলেছেন।

সরেজমিন সম্পন্ন হওয়া এসব রাস্তা ও ড্রেণ পরিদর্শনে গেলে স্থানীয়দের কাছ থেকেও জানা যায় হোসেন আলী মেম্বরের উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পর্কে। এব্যাপারে, স্থানীয় দোসাইদ স্কুল ও কলেজের সহকারী শিক্ষক বলনে, হোসেন আলী মাস্টারের মার্ধ্যমে আমাদের ওয়ার্ডে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সম্পন্ন হয়েছে। এই যে চারাবাগ মধ্যপাড়ায় ড্রেণের কাজ করেছে, এরকম পুরো ওয়ার্ডের প্রায় রাস্তাই আরসিসি ঢালাই করা এবং পানি নিষ্কাশনের জন্য রয়েছে ড্রেণেজ ব্যবস্থা। এখন অবস্থা এমন যে ৪নং ওয়ার্ডের জনসাধারণ ঘর থেকে বের হলেই পাকায় পা দিতে পারে। চারাবাগ, কুমকুমারি ও বাশাইদ এলাকায় কোনো কাঁচা রাস্তা নেই বললেই চলে এখন। আর এলাকাবাসী বিদ্যুৎ আগেই পেয়েছে, এখন পানির সুব্যবস্থা এবং ড্রেণেজ সিস্টেম থাকায় খুব ভালো আছে। আর এর জন্য সম্পূর্ণ অবদান ইউপি সদস্য হোসেন আলী মাস্টারের যার নেতৃত্বে রয়েছেন আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাবুদ্দিন মাদবর।
এছাড়াও, রয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে এলাকার গৃহহীন মানুষের জন্যও ঘর তৈরী করে দিয়েছেন। এরকম ঘর পেয়েছেন চারাবাগ এলাকার আব্দুল গফুর সহ আরও অনেকে,তিনি বলেন, আমি গৃহহীন অবস্থায় আমার পরিবার নিয়ে খুবই দুরাবস্থার মাঝে ছিলাম। আমাদের ইউপি সদস্য হোসেন আলী মাস্টারের মাধ্যমে আমি আমার ঘর পেয়েছি।

এব্যাপারে ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হোসেন আলী মাস্টার বলেন, আমার ওয়ার্ডের প্রায় শতকরা ৮০ ভাগ রাস্তা আরসিসি ঢালাই করেছি, কালভার্ট নির্মাণ করেছি, পাশাপাশি ড্রেণেজ ব্যবস্থাও রেখেছি। এজন্য এখন আর জলাবদ্ধতার আশংকা নেই আমার ওয়ার্ডে। আমাদের ৪নং ওয়ার্ডকে স্বপ্নের ওয়ার্ডে পরিণত করতে নিরলস কাজ করে চলেছি। ইনশা আল্লাহ বাংলাদেশের ভিতরে অন্যতম শ্রেষ্ঠ ওয়ার্ড হিসেবে পরিণত করতে আমার সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা চালিয়ে যাবো। এছাড়াও রাস্তার পাশে সোলার লাইট স্থাপন করেছি।
সাভার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে জননেতা মঞ্জুরুল আলম রাজীব নির্বাচিত হবার পর, এই উপজেলায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড আরো গতিশীল হয়েছে। তাঁর সুযোগ্য নির্দেশনায় প্রতিটি ইউনিয়নে উন্নয়ন কাজ ত্বরান্বিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, আশুলিয়া থানা আওয়ামী লীগের নতুন আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক মোঃ ফারুক হাসান তুহিন ও যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব মোঃ সাইফুল ইসলাম চেয়ারম্যান দু’জনের সার্বিক সহযোগিতা নিয়েই বিভিন্ন মানবিক কর্মকান্ডও করে চলেছি। আমার ওয়ার্ডে বসবাসরত সকল প্রতিবন্ধী, বয়স্ক ও বৃদ্ধরা নিয়মিত ভাতা পাচ্ছেন। এছাড়া করোনা পরিস্থিতির শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত আমার ওয়ার্ডের কর্মহীন ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে ব্যক্তিগত উদ্যোগে খাদ্য সামগ্রী ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী নিয়ে দাঁড়িয়েছি।
প্রসঙ্গত, আশুলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হোসেন আলী মাস্টারকে আগামী কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করলে সমগ্র ইউনিয়নের মানুষের কল্যাণে আরও ভালোভাবে কাজ করে যেতে পারবেন বলে জানান এলাকাবাসী।