1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
অন্ধকারে পড়ে আছে প্রায় আড়াই শত পরিবার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৩৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
যুক্তরাষ্ট্রে কর্মী ভিসায় নতুন নিয়ম মাগুরায় ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে: হাইকোর্ট প্রবাসী আয়ে স্বস্তির ধারা, ছয় মাসে বেড়েছে ১৩.১ শতাংশ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার কর্মসূচি বাস্তবায়নে লাকসামে নারী সমাবেশ ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত জালিয়াতির অভিযোগ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের পদত্যাগ চন্দনাইশে ডেঙ্গু জ্বরে সাকিব আহমদের অকালমৃত্যু ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অনুশীলনে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় কবিরহাটের আবুবক্কর সিদ্দিক নিহত  কোনো স্লিপার বাসের রেজিস্ট্রেশন দেয়নি বিআরটিএ: হাইকোর্টে প্রতিবেদন

অন্ধকারে পড়ে আছে প্রায় আড়াই শত পরিবার

মীরসরাই প্রতিনিধি:

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৯১ বার

বারবার আশ্বাস এর পরেও বিদ্যুতের আলো দেখেনি মীরসরাই উপজেলার ১নং করেরহাট ইউনিয়নের বদ্ধ-ভবানী, ইসলামপুর ও হরিঙ্গা গ্রামের প্রায় আড়াই শত পরিবার। সারাদেশ যখন বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত তখন এই অঞ্চলগুলো অন্ধকারে নিমজ্জিত। ফলে এই এলাকার জনগণের দুর্ভোগের শেষ নেই।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জনগণের প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌঁছে দেয়ায় তাঁর সরকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, বিদ্যুৎ ব্যতীত কোনভাবেই কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ‘একটি দেশের উন্নয়নে বিদ্যুৎ অপরিহার্য। আমরা দেশের সুষম উন্নয়নে বিশ্বাসী। কাজেই আমাদের লক্ষ্য শুধু শহরেই নয় তৃণমূলের গ্রাম গঞ্জের ঘরে ঘরে বিদ্যুতের সেবা পৌঁছে দেয়া।

মীরসরাই উপজেলার করেরহাট ইউনিয়নের বদ্ধ গেরামারা গ্রামে‌ সন্ধ্যা হলেই নেমে আসে ঘুটঘুটে অন্ধকার। গ্রামের বাসিন্দাদের ভাঙাচোরা রাস্তায় খুব কষ্টে হাঁটাচলা করছে। এই গ্রাম এখনো আধুনিক যুগের সকল সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এসব গ্রামের প্রায় ২০০০ মানুষ উন্নত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, বিদ্যুৎ কোনো কিছুর মুখই দেখছে না। শিক্ষার অভাবে অন্ধকার এ পরিবেশে বেড়ে চলেছে বিভিন্ন অপরাধ।
এখানে ১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১টি মাদরাসা, ২টি মক্তব রয়েছে। প্রতিষ্ঠান গুলো বিদ্যুতের আলো চোখে দেখেনি। প্রায় ১০ কিলোমিটার রাস্তা ভাঙাচোরা। এখানে তিনটি স্কিম রয়েছে। যেগুলো বিদ্যুতের অভাবে আর চালু হয়নি। ফলে অনেক আবাদি জমি চাষাবাদ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ মানিক মিয়া বলেন, আমরা সকল প্রকার সামাজিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত। কেউ আমাদের খবর নেয় না। পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় আমরা সরকারি নানাবিধ এর সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত । জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা বা প্রশাসনের লোকও এখানে আসেন না।
আরেক বাসিন্দা আবু তৈয়ব জানান, গত তিন মাস আগেও পল্লী বিদ্যুৎ এর সভাপতি এবং অন্যান্য কর্মকর্তারা সরেজমিনে এসে পরিদর্শন করে গেছেন। এক মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ সেবার আওতায় আসবে বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর সভাপতি জাবেদ ইকবাল বলেন, বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য আমি চেষ্টা চালাচ্ছি। এখন পর্যন্ত কোনো অনুমোদন হয় নাই। মীরসরাই সাংসদ ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এর নিকট আমরা সুপারিশ করেছি। অতিশীঘ্রই বিদ্যুৎ সুবিধা পৌঁছে দিতে পারবো বলে আশা করি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net