1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আফতাবুল কাদেরের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ০৯:২০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বন্যায় ভেঙেছে সাতকানিয়ার সড়ক নেটওয়ার্ক, সংস্কারে প্রয়োজন ৩০ কোটি টাকা বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে পরিবেশ রক্ষার আহ্বান, নবীনগরে উদ্বোধন করলেন এমপি কর্ণফুলীতে গরু চুরি, মাদক ও বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনায় উদ্বেগ আইন-শৃঙ্খলা সভায় টহল জোরদারসহ একাধিক নির্দেশনা ঈদগাঁওয়ে দ্রুতগামী ট্রাক চাপায় শিশু নিহত পারিবারিক কলহের জের লাকসামে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু মাগুরায়  ভাই ভাই বেকারীকে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা ও দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার মাগুরায় আন্তর্জাতিক রেটিং দাবা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত  তরুণ রেস্টুরেন্ট উদ্যেক্তা এস. আলম আলভির উদ্যাগে শহরে প্রথম প্যান এশিয়ান রেস্টুরেন্ট ‘নাযা’ প্রত্যাশী সিমস্ প্রকল্পের উদ্যোগে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক বহুপক্ষীয় প্যানেল অধিবেশনে যৌথ সভাপতিত্ব বাংলাদেশের

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আফতাবুল কাদেরের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৮৭ বার

রামগড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আফতাবুল কাদের এর ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।

শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে রামগড় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো: আনোয়ার ফারুক এর উদ্যোগে মঙ্গলবার দুপুরে মিলাদ, দোয়া এবং সন্ধ্যায় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

১৯৭১ সালের এইদিনে খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের দোসর মিজোবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে মরণপণ যুদ্ধ করে শহীদ হন তিনি। অকুতোভয় এই বীরকে রামগড় কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপুর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে বীর উত্তম খেতাবে ভুষিত করা হয়।

১৯৪৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর দিনাজপুর শহরে শহীদ আফতাবুল কাদেরের জন্ম। পিতা মরহুম এম আবদুল কাদের ছিলেন ব্রিটিশ আমলের ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট আর মা রওশন আরা বেগম ছিলেন গৃহিনী। মুক্তিযুদ্ধে তিনি রামগড়ে মেজর জিয়া ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগ দেন। মুক্তিবাহিনীর একটি দলের সাথে তিনি মহালছড়েিত যুদ্ধে যান। পাকিস্তানি কমান্ডোরা মহালছড়িতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানে প্রচন্ড আক্রমণ চালায়। মহালছড়িতে ছিল মিজোবাহিনীর শক্ত ঘাটি। মিজোবাহিনী পাকিস্তানিদের পক্ষ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমন করে চারদিক থেকে ঘিরেও ফেলে। পাকিস্তানি সেনাবেষ্টনী থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের বেরিয়ে যাওয়ার পথ করে দিতে আফতাবুল কাদের গোলাগুলির মধ্যেই একটি কৌশলগত অবস্থানে ছুটে গিয়ে গুলিবর্ষণ করে শক্রপক্ষকে নাস্তানাবুদ করে ফেলেন। অনেকক্ষন লড়াই চালিয়ে একপর্যায়ে শক্রদের বুলেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি শহীদ হন।

শহীদ আফতাবুল কাদের এর বীরত্বগাঁথা এ অঞ্চলের মানুষ এখনও ভুলতে পারেননি। দেশমাতৃকার জন্য এই বীরের আত্মদান কিংবদন্তী হয়ে আছে এ অঞ্চলের মানুষের কাছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net