1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আফতাবুল কাদেরের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, এমপিকে অভিনন্দন: এলাকায় মিষ্টি বিতরণ  আনোয়ারায় মাদক সেবনের দায়ে তিনজন কারাদণ্ড মাগুরায় ভূতুরে বিল! পল্লী বিদ্যুতের জিএম বরখাস্ত! বিদ্যুৎমন্ত্রীর দুঃখ প্রকাশ মাগুরায় প্রতিবন্ধী ও স্বামীহারা সাহিদা বেগম ক্যান্সারে আক্রান্ত! অর্থাভাবে ধুঁকে ধুঁকে মৃত্যুর প্রহর গুনছে জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ প্রয়োজন – জেলা প্রশাসক চট্টগ্রাম  নবীগঞ্জে কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে মেধা বৃত্তি প্রদান  মাগুরায় জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত  দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের প্রতি সহায়তার আহ্বান রাষ্ট্রপতি রাশিয়ার বোমারু বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬ মুছাপুর রেগুলেটর নির্মাণে ৭৫১ কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সংবাদ সম্মেলন 

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আফতাবুল কাদেরের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩২০ বার

রামগড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আফতাবুল কাদের এর ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।

শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে রামগড় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো: আনোয়ার ফারুক এর উদ্যোগে মঙ্গলবার দুপুরে মিলাদ, দোয়া এবং সন্ধ্যায় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

১৯৭১ সালের এইদিনে খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের দোসর মিজোবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে মরণপণ যুদ্ধ করে শহীদ হন তিনি। অকুতোভয় এই বীরকে রামগড় কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপুর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে বীর উত্তম খেতাবে ভুষিত করা হয়।

১৯৪৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর দিনাজপুর শহরে শহীদ আফতাবুল কাদেরের জন্ম। পিতা মরহুম এম আবদুল কাদের ছিলেন ব্রিটিশ আমলের ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট আর মা রওশন আরা বেগম ছিলেন গৃহিনী। মুক্তিযুদ্ধে তিনি রামগড়ে মেজর জিয়া ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগ দেন। মুক্তিবাহিনীর একটি দলের সাথে তিনি মহালছড়েিত যুদ্ধে যান। পাকিস্তানি কমান্ডোরা মহালছড়িতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানে প্রচন্ড আক্রমণ চালায়। মহালছড়িতে ছিল মিজোবাহিনীর শক্ত ঘাটি। মিজোবাহিনী পাকিস্তানিদের পক্ষ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমন করে চারদিক থেকে ঘিরেও ফেলে। পাকিস্তানি সেনাবেষ্টনী থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের বেরিয়ে যাওয়ার পথ করে দিতে আফতাবুল কাদের গোলাগুলির মধ্যেই একটি কৌশলগত অবস্থানে ছুটে গিয়ে গুলিবর্ষণ করে শক্রপক্ষকে নাস্তানাবুদ করে ফেলেন। অনেকক্ষন লড়াই চালিয়ে একপর্যায়ে শক্রদের বুলেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি শহীদ হন।

শহীদ আফতাবুল কাদের এর বীরত্বগাঁথা এ অঞ্চলের মানুষ এখনও ভুলতে পারেননি। দেশমাতৃকার জন্য এই বীরের আত্মদান কিংবদন্তী হয়ে আছে এ অঞ্চলের মানুষের কাছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net