1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আফতাবুল কাদেরের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কোম্পানীগঞ্জে জুলাই গনঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও বিশেষ মোনাজাত  “স্পেশাল ট্রাইব্যুনালে জুলাই গণহত্যার বিচার করেন, জনগণ আপনাদের ছাড়বে না: সাক্কু ভাষা সৈনিক অজিত গুহ মহাবিদ্যালয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসের আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে পার্কভিউ হাসপাতাল আমিলাইষে ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্পে ২ হাজার রোগীকে সেবা, বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে ৩ আসামী গ্রেফতার শহীদ মজিদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলির মধ্যে দিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালন নবীনগরে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও চারা বিতরণ মাগুরায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে প্রেসক্লাবে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মাগুরায় যথাযথ মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত  মাগুরার শ্রীপুরে জুলাই যোদ্ধা শহীদ ফরহাদের দ্বিতীয় শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত 

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আফতাবুল কাদেরের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ২৯৫ বার

রামগড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আফতাবুল কাদের এর ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।

শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে রামগড় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো: আনোয়ার ফারুক এর উদ্যোগে মঙ্গলবার দুপুরে মিলাদ, দোয়া এবং সন্ধ্যায় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

১৯৭১ সালের এইদিনে খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের দোসর মিজোবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে মরণপণ যুদ্ধ করে শহীদ হন তিনি। অকুতোভয় এই বীরকে রামগড় কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপুর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে বীর উত্তম খেতাবে ভুষিত করা হয়।

১৯৪৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর দিনাজপুর শহরে শহীদ আফতাবুল কাদেরের জন্ম। পিতা মরহুম এম আবদুল কাদের ছিলেন ব্রিটিশ আমলের ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট আর মা রওশন আরা বেগম ছিলেন গৃহিনী। মুক্তিযুদ্ধে তিনি রামগড়ে মেজর জিয়া ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগ দেন। মুক্তিবাহিনীর একটি দলের সাথে তিনি মহালছড়েিত যুদ্ধে যান। পাকিস্তানি কমান্ডোরা মহালছড়িতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানে প্রচন্ড আক্রমণ চালায়। মহালছড়িতে ছিল মিজোবাহিনীর শক্ত ঘাটি। মিজোবাহিনী পাকিস্তানিদের পক্ষ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমন করে চারদিক থেকে ঘিরেও ফেলে। পাকিস্তানি সেনাবেষ্টনী থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের বেরিয়ে যাওয়ার পথ করে দিতে আফতাবুল কাদের গোলাগুলির মধ্যেই একটি কৌশলগত অবস্থানে ছুটে গিয়ে গুলিবর্ষণ করে শক্রপক্ষকে নাস্তানাবুদ করে ফেলেন। অনেকক্ষন লড়াই চালিয়ে একপর্যায়ে শক্রদের বুলেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি শহীদ হন।

শহীদ আফতাবুল কাদের এর বীরত্বগাঁথা এ অঞ্চলের মানুষ এখনও ভুলতে পারেননি। দেশমাতৃকার জন্য এই বীরের আত্মদান কিংবদন্তী হয়ে আছে এ অঞ্চলের মানুষের কাছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net