1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আফতাবুল কাদেরের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
ভাঙ্গুড়ায় ১৮০ পিস ইয়াবা ও ৬৯ হাজার টাকা নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী আটক  মাগুরায় শহরের বেবি প্লাজা মাকেটের ৬টি দোকানে শাটার ভেঙ্গে  চুরি রাষ্ট্রপতি পদে দলের প্রার্থী হিসেবে মির্জা ফখরুলকে বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী নোয়াখালীকে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণার দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে নোয়াখালী সাংবাদিক ইউনিয়নের স্মারকলিপি জাতীয় পরিচয়পত্রে জন্ম তারিখ, নাম সংশোধন সহজ করলো ইসি মহম্মদপুরে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ সাতকানিয়া-লোহাগাড়া টিভি সাংবাদিক ফোরাম গঠিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রূপান্তরের যুগে তরুণরাই সভ্যতার মূল শক্তি: তথ্যমন্ত্রী লাকসামে সম্পত্তির জের ধরে  গ্রাম্য সালিশির সিদ্ধান্তে মাইকে চার পরিবারকে সমাজচ্যুত করার ঘোষণা  কুমিল্লাকে কোনভাবেই মাদকের নিরাপদ পথ ও আশ্রয় হতে দেয়া হবে না:  গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধে শহীদ আফতাবুল কাদেরের ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত

রামগড় (খাগড়াছড়ি) প্রতিনিধি:

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩০১ বার

রামগড়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আফতাবুল কাদের এর ৫০তম শাহাদাৎ বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে।

শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে রামগড় উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো: আনোয়ার ফারুক এর উদ্যোগে মঙ্গলবার দুপুরে মিলাদ, দোয়া এবং সন্ধ্যায় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়।

১৯৭১ সালের এইদিনে খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের দোসর মিজোবাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে মরণপণ যুদ্ধ করে শহীদ হন তিনি। অকুতোভয় এই বীরকে রামগড় কেন্দ্রীয় কবরস্থানে দাফন করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপুর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে বীর উত্তম খেতাবে ভুষিত করা হয়।

১৯৪৭ সালের ২৫ ডিসেম্বর দিনাজপুর শহরে শহীদ আফতাবুল কাদেরের জন্ম। পিতা মরহুম এম আবদুল কাদের ছিলেন ব্রিটিশ আমলের ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট আর মা রওশন আরা বেগম ছিলেন গৃহিনী। মুক্তিযুদ্ধে তিনি রামগড়ে মেজর জিয়া ও ক্যাপ্টেন রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগ দেন। মুক্তিবাহিনীর একটি দলের সাথে তিনি মহালছড়েিত যুদ্ধে যান। পাকিস্তানি কমান্ডোরা মহালছড়িতে মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থানে প্রচন্ড আক্রমণ চালায়। মহালছড়িতে ছিল মিজোবাহিনীর শক্ত ঘাটি। মিজোবাহিনী পাকিস্তানিদের পক্ষ নিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমন করে চারদিক থেকে ঘিরেও ফেলে। পাকিস্তানি সেনাবেষ্টনী থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের বেরিয়ে যাওয়ার পথ করে দিতে আফতাবুল কাদের গোলাগুলির মধ্যেই একটি কৌশলগত অবস্থানে ছুটে গিয়ে গুলিবর্ষণ করে শক্রপক্ষকে নাস্তানাবুদ করে ফেলেন। অনেকক্ষন লড়াই চালিয়ে একপর্যায়ে শক্রদের বুলেটে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি শহীদ হন।

শহীদ আফতাবুল কাদের এর বীরত্বগাঁথা এ অঞ্চলের মানুষ এখনও ভুলতে পারেননি। দেশমাতৃকার জন্য এই বীরের আত্মদান কিংবদন্তী হয়ে আছে এ অঞ্চলের মানুষের কাছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net