1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
লকডাউনে সব চলছে নেই শুধু গণপরিবহন,অফিসগামী মানুষের দুর্ভোগ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫৩ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী ১ হাজার ৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণ নিয়ে জাতীয় মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে: রাষ্ট্রপতি আনোয়ারায় তিন দোকানীকে ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা ভক্তিয়ারপাড়া চারপীর আউলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি-৯৬ ব্যাচের বন্ধুদের মিলনমেলা ও রক্তদান কর্মসুচির উদ্ভোধন মাগুরায় বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ‘রাজা’, সাধারণ সম্পাদক ‘রেজাউল’ নির্বাচিত রাঙ্গাবালীতে ভেরিফিকেশনে আটকে গেল ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী সোহানের শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন মাগুরায় বুজরুক শ্রীকুন্ডী মহাবিদ্যালয়ে নবীন বরণ ও বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠিত  কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের এলাকাভিত্তিক নেতাদের তালিকা তৈরি হচ্ছে নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গু প্রতিরোধে ট-ব্লকে পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতা কার্যক্রমের সিদ্ধান্ত বাড়ি-ফ্ল্যাট মালিক কল্যাণ সমিতির নবগঠিত কমিটির সভা

লকডাউনে সব চলছে নেই শুধু গণপরিবহন,অফিসগামী মানুষের দুর্ভোগ

এম আর আমিন,চট্টগ্রাম

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৪৮ বার

চলছে লকডাউন৷ এরমধ্যে সবই খোলা৷ সীমিত পরিসরে চলছে সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কার্যক্রমও৷ কিন্তু যারা এ কর্ম সম্পাদন করবেন, তাদের জন্য রাস্তায় নেই কোনো গণপরিবহন৷

যানবাহন না পেয়ে অনেকে পায়ে হেঁটে রওনা দিয়েছেন গন্তব্যে। দূরপাল্লার যান চলাচলও বন্ধ থাকায় টেক্সি-রিকশায় দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে যেতে হয় কর্মস্থলে।

ফলে সকাল থেকে অফিসগামী মানুষকে পোহাতে হয়েছে দুর্ভোগ। সকালে মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় অফিসগামীরা।

চট্টগ্রাম চলাচলরত মানুষদের মতে, সবই চলছে, করোনা বিস্তারের মূল কেন্দ্র চা-দোকান ও হোটেলগুলো পর্যন্ত খোলা। শহরজুড়ে চলছে সিএনজি চালিত অটোরিকশা, রিকশা৷ ফাঁকে ফাঁকে চলছে ব্যক্তিগত গাড়িও। সেখানেও স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে কিনা সন্দেহ, নেই শুধু গণপরিবহন! থেমে নেই গণপরিবহণের যাত্রীরাও। পায়ে হেটে গন্তব্যে ছুটছে এসব মানুষ।

ব্যাংকার কামাল পারভেজ জানান, সীমিত আকারে অফিস খোলা রেখেছে কিন্তু যাতায়াতের কোনো ব্যবস্থা নেই। রাস্তায় নামলেই যাত্রীদের দুর্ভোগের শেষ নেই।
এক সপ্তাহের লকডাউনের প্রথমদিন সোমবার (০৫ এপ্রিল) সকাল থেকে দেশের প্রত্যন্ত এলাকার এসব দৃশ্য নজরে আসে৷ চোখে পড়ে অফিসগামী মানুষের দুর্বিষহ ভোগান্তি৷ এমন লকডাউনের প্রয়োজন কি? এটাই এখন প্রশ্ন।

গণপরিবহন না থাকায় ক্ষুব্দ মানুষ। বিক্ষুব্দ জনতার প্রশ্ন, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই তো গণপিরিবহণ। কিন্তু কার স্বার্থে তা বন্ধ করা হয়েছে। চা-দোকান, খাবার হোটেল গুলো কেন খোলা রাখা হয়েছে। যেখান থেকে করোনার বিস্তার ঘটছে।

উল্লেখ্য, করোনার সংক্রমণ বাড়ায় গত রোববার (০৪ এপ্রিল) প্রজ্ঞাপন জারি করে সোমবার সকাল থেকে আগামী (১১ এপ্রিল) রাত ১২টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় সারাদেশে লকডাউন ঘোষণা করে সরকার। এর পরিপ্রেক্ষিতে রাতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) গণপরিবহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জরুরি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে৷

এতে আরো বলা হয়, পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা, জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না। এছাড়া, বিদেশগামী/বিদেশ প্রত্যাগত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে না। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিষেবা, যেমন-ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলো (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসগুলো, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতার বাইরে থাকবে৷

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net