1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
সরকার লকডাউন তুলে দিন পেটের জ্বালায় আর বাঁচিনা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মৎস্য প্রজেক্ট থেকে ২০ মণ মাছ চুরির অভিযোগ  বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থায়নে ড. শহীদুল্লাহ একাডেমী শিক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার ল্যাব মাগুরায় টেনিস লাভার্স  অ্যাসোসিয়েশনে চ্যাম্পিয়ন রাকিব-আলাউদ্দিন ও মাজেদ-রাজা হযরত খাজা আবু আলী সিন্ধী শাহ (রহ.)-এর বার্ষিক ওরশ মোবারক ও পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) অনুষ্ঠিত  মাগুরায় বদলে গেছে ঐতিহ্যবাহী দারিয়াপুর ডিগ্রি কলেজের চিত্র এশিয়া কাপে পাকিস্তানের সর্বনিম্ন রেকর্ড, বড় জয় ভারতের ইরানের তিন তেলবাহী ট্যাংকারে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করেন এমপি ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন 

সরকার লকডাউন তুলে দিন পেটের জ্বালায় আর বাঁচিনা

আমিনুল হক বিশেষ প্রতিনিধি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৭৯ বার

একের পর এক লকডাউনে মধ্যবৃও ও নিম্নবৃও মানুষদের দুঃখ ও কষ্ট দিনের পর দিন বেড়েই যাচ্ছে। ২য় কঠোর সাতদিনের টানা লকডাউনে দিনমজুর, রিকশাচালক ও দিন এনে দিন খাওয়া লোকদের কষ্টের পরিমান বেড়েই চলছে। আজ সকালে অনেক দিনমুজুররা রোজা রেখে কাজের আশায় খুব সকাল ৭টা বা ৮টায় কান্দিরপাড় মোড়ে এসে ভীড় জমায় প্রতিদিনের মতোই। কিন্তুু,২য় লকডাউন ১ম লকডাউনের চেয়ে অনেক অংশে কঠোর হওয়ায় সব দিনমুজুরদের কে ফিরতে হয় খালি হাতে।লকডাউন কঠোর হওয়ায় কেউ কোন কাজের জন্য তাঁদের নিয়ে যেতে আসেনি বা তাঁরা কাজ পাননি।

প্রায় সকল দিনমুজুররা চলে গেলে ও কিছু কিছু দিনমুজুর কষ্টে আকুতি ও কান্না শুরু করে দেয়। এমন তাই দেখা মিলল কুমিল্লা জেলা শহরের কুমিল্লার প্রাণ কেন্দ্র কান্দিরপাড় এলাকায় দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষের গুঞ্জন ও রাহাজানি।

সকালে কাজ করতে এসে কান্দির পাড় দুপুর বেলা ১২.৩০ এ তাঁরা এমন আকুতি করে কাঁদতে থাকে দেখা মিলে কয়েকজন দিন মজুর শ্রমিক তারা কান্না করছে আর বলছে,
আজ কোন কাজ পায়নি।আজ কয়েকদিন ধরে কাজ তেমনটা নেই, এখন লকডাউনে কেউ কাজে নিচ্ছে না আমরা দিন ইনকাম করে। এখন যদি আমরা কাজ করতে না পারি তাহলে আমাদের না খেয়ে মরতে হবে।
এই মহামারী করোনাভাইরাস আমাদের শুধু দুঃখই দিতে এসেছে আমরা এখন কী করবো। কোন জায়গায় যাব কি করে খাব।আমাদের তো সরকারি চাকরির মতো বেতন নির্ধারিত নেই।দিন এনে দিন খাই।জমানো টাকা ও নেই। ত্রাণ ও পাইনা আমারা। আমরা খাব কি?সরকার লকডাউন তুলে নিন।আমাদের বাঁচান।আমরা তো খেতে না পেয়ে মারা যাব।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net