1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
সরকার লকডাউন তুলে দিন পেটের জ্বালায় আর বাঁচিনা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী বিএনপি পরিবারের সন্তান লিটু গাজী প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগ ‘রিলিফ’ বাস্তবায়ন করল জেসিআই ঢাকা ডায়নামিক চন্দনাইশ শঙ্খ নদীতে স্লাইজ পড়া বন্ধ করেছে বিদ্যুৎ বিভাগ নোয়াখালীর সেনবাগে ৩০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক ঢাকার মীরপুর “ল” কলেজের শিক্ষার্থীদের সম্বর্ধনা প্রদান ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অবস্থানের জেরে শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের হুমকির অভিযোগ, আইন বিভাগের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের প্রতিবাদ মাগুরার শ্রীপুরে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে নির্মান শ্রমিকের মৃত্যু মাগুরার শ্রীপুরে শিক্ষক সোহেল রানার বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন থিয়েটার ইউনিট মাগুরার তিন দিনব্যাপী অভিনয় কর্মশালা ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠিত মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি জলজ পরিবেশ রক্ষা করতে হবে – আবু সুফিয়ান এমপি

সরকার লকডাউন তুলে দিন পেটের জ্বালায় আর বাঁচিনা

আমিনুল হক বিশেষ প্রতিনিধি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৯১ বার

একের পর এক লকডাউনে মধ্যবৃও ও নিম্নবৃও মানুষদের দুঃখ ও কষ্ট দিনের পর দিন বেড়েই যাচ্ছে। ২য় কঠোর সাতদিনের টানা লকডাউনে দিনমজুর, রিকশাচালক ও দিন এনে দিন খাওয়া লোকদের কষ্টের পরিমান বেড়েই চলছে। আজ সকালে অনেক দিনমুজুররা রোজা রেখে কাজের আশায় খুব সকাল ৭টা বা ৮টায় কান্দিরপাড় মোড়ে এসে ভীড় জমায় প্রতিদিনের মতোই। কিন্তুু,২য় লকডাউন ১ম লকডাউনের চেয়ে অনেক অংশে কঠোর হওয়ায় সব দিনমুজুরদের কে ফিরতে হয় খালি হাতে।লকডাউন কঠোর হওয়ায় কেউ কোন কাজের জন্য তাঁদের নিয়ে যেতে আসেনি বা তাঁরা কাজ পাননি।

প্রায় সকল দিনমুজুররা চলে গেলে ও কিছু কিছু দিনমুজুর কষ্টে আকুতি ও কান্না শুরু করে দেয়। এমন তাই দেখা মিলল কুমিল্লা জেলা শহরের কুমিল্লার প্রাণ কেন্দ্র কান্দিরপাড় এলাকায় দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষের গুঞ্জন ও রাহাজানি।

সকালে কাজ করতে এসে কান্দির পাড় দুপুর বেলা ১২.৩০ এ তাঁরা এমন আকুতি করে কাঁদতে থাকে দেখা মিলে কয়েকজন দিন মজুর শ্রমিক তারা কান্না করছে আর বলছে,
আজ কোন কাজ পায়নি।আজ কয়েকদিন ধরে কাজ তেমনটা নেই, এখন লকডাউনে কেউ কাজে নিচ্ছে না আমরা দিন ইনকাম করে। এখন যদি আমরা কাজ করতে না পারি তাহলে আমাদের না খেয়ে মরতে হবে।
এই মহামারী করোনাভাইরাস আমাদের শুধু দুঃখই দিতে এসেছে আমরা এখন কী করবো। কোন জায়গায় যাব কি করে খাব।আমাদের তো সরকারি চাকরির মতো বেতন নির্ধারিত নেই।দিন এনে দিন খাই।জমানো টাকা ও নেই। ত্রাণ ও পাইনা আমারা। আমরা খাব কি?সরকার লকডাউন তুলে নিন।আমাদের বাঁচান।আমরা তো খেতে না পেয়ে মারা যাব।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net