1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
সরকার লকডাউন তুলে দিন পেটের জ্বালায় আর বাঁচিনা - দৈনিক শ্যামল বাংলা
রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৩:১৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
২৭ জুলাই হতে শুরু হচ্ছে হজের প্রাথমিক নিবন্ধন পার্বত্য চট্টগ্রাম নাগরিক পরিষদকে ফ্যাসিস্ট মুক্ত করা হয়েছে; খাগড়াছড়িতে পিসিএনপি চেয়ারম্যান হামিদ রানা চন্দনাইশে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাতের ত্রাণ প্রতিবন্ধী যুবককে মারধরের অভিযোগ, ভাঙ্গুড়া থানায় লিখিত অভিযোগ নকলায় মোটরসাইকেল ও পিকআপ সংঘর্ষে ইলেকট্রিক মিস্ত্রী নিহত প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক সংকট-পাঠদান ব্যাহত চন্দনাইশ ধোপাছড়িতে ৬ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বেহাল দশা   ক্যামব্রিজ ইসলামিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে কোরআন ক্লাসের মৌখিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত সেমিকন্ডাক্টর শিল্পই হতে পারে বাংলাদেশের নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনাময় খাত : প্রধানমন্ত্রী চন্দনাইশে পেশাজীবী দল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন ভাঙ্গুড়ায় বিভিন্ন আয়োজনে শেষ হলো জগন্নাথ দেবের উল্টোরথযাত্রা উৎসব 

সরকার লকডাউন তুলে দিন পেটের জ্বালায় আর বাঁচিনা

আমিনুল হক বিশেষ প্রতিনিধি

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৩৬০ বার

একের পর এক লকডাউনে মধ্যবৃও ও নিম্নবৃও মানুষদের দুঃখ ও কষ্ট দিনের পর দিন বেড়েই যাচ্ছে। ২য় কঠোর সাতদিনের টানা লকডাউনে দিনমজুর, রিকশাচালক ও দিন এনে দিন খাওয়া লোকদের কষ্টের পরিমান বেড়েই চলছে। আজ সকালে অনেক দিনমুজুররা রোজা রেখে কাজের আশায় খুব সকাল ৭টা বা ৮টায় কান্দিরপাড় মোড়ে এসে ভীড় জমায় প্রতিদিনের মতোই। কিন্তুু,২য় লকডাউন ১ম লকডাউনের চেয়ে অনেক অংশে কঠোর হওয়ায় সব দিনমুজুরদের কে ফিরতে হয় খালি হাতে।লকডাউন কঠোর হওয়ায় কেউ কোন কাজের জন্য তাঁদের নিয়ে যেতে আসেনি বা তাঁরা কাজ পাননি।

প্রায় সকল দিনমুজুররা চলে গেলে ও কিছু কিছু দিনমুজুর কষ্টে আকুতি ও কান্না শুরু করে দেয়। এমন তাই দেখা মিলল কুমিল্লা জেলা শহরের কুমিল্লার প্রাণ কেন্দ্র কান্দিরপাড় এলাকায় দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষের গুঞ্জন ও রাহাজানি।

সকালে কাজ করতে এসে কান্দির পাড় দুপুর বেলা ১২.৩০ এ তাঁরা এমন আকুতি করে কাঁদতে থাকে দেখা মিলে কয়েকজন দিন মজুর শ্রমিক তারা কান্না করছে আর বলছে,
আজ কোন কাজ পায়নি।আজ কয়েকদিন ধরে কাজ তেমনটা নেই, এখন লকডাউনে কেউ কাজে নিচ্ছে না আমরা দিন ইনকাম করে। এখন যদি আমরা কাজ করতে না পারি তাহলে আমাদের না খেয়ে মরতে হবে।
এই মহামারী করোনাভাইরাস আমাদের শুধু দুঃখই দিতে এসেছে আমরা এখন কী করবো। কোন জায়গায় যাব কি করে খাব।আমাদের তো সরকারি চাকরির মতো বেতন নির্ধারিত নেই।দিন এনে দিন খাই।জমানো টাকা ও নেই। ত্রাণ ও পাইনা আমারা। আমরা খাব কি?সরকার লকডাউন তুলে নিন।আমাদের বাঁচান।আমরা তো খেতে না পেয়ে মারা যাব।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net