1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
করোনায় বর্ণহীন ওদের জীবন - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৩ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
যুক্তরাষ্ট্রে কর্মী ভিসায় নতুন নিয়ম মাগুরায় ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে: হাইকোর্ট প্রবাসী আয়ে স্বস্তির ধারা, ছয় মাসে বেড়েছে ১৩.১ শতাংশ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার কর্মসূচি বাস্তবায়নে লাকসামে নারী সমাবেশ ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত জালিয়াতির অভিযোগ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের পদত্যাগ চন্দনাইশে ডেঙ্গু জ্বরে সাকিব আহমদের অকালমৃত্যু ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অনুশীলনে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় কবিরহাটের আবুবক্কর সিদ্দিক নিহত  কোনো স্লিপার বাসের রেজিস্ট্রেশন দেয়নি বিআরটিএ: হাইকোর্টে প্রতিবেদন

করোনায় বর্ণহীন ওদের জীবন

মনিরুজ্জামান, ভোলা
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১০ আগস্ট, ২০২১
  • ৪০৪ বার

নাসির উদ্দিন ছিলেন বই ব্যবসায়ী (লাইবেরিয়ার)। বৈশ্বিক দুর্যোগ, করোনার তাণ্ডবে জীবন-জীবিকার তাগিদে হলেন মুদি ব্যবসায়ী৷। উপজেলার পক্ষিয়া ইউনিয়নের তার বসবাস। জীবনকে সুন্দর করার স্বপ্ন নিয়ে ১৯৯৬ সালে বোরহান উদ্দিন হাই স্কুল ব্রিজের কাছে “ইসলামিয়া” লাইব্রেরী শুরু করেন। সময়ের পরিক্রমায় জমে উঠে ব্যবসা। সুখ-স্বাচ্ছন্দ নামক অতিথির আগমন ঘটে তাদের সংসারে।অভাব কী বিধাতা তা তাদেরকে বুঝতে দেয়নি তাকে।হঠাৎ করোনা নামক ঝড় লন্ডভন্ড করে দেয় তার লালিত স্বপ্নকে। সমস্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সাথে সাথে বন্ধ হয়ে যায় তারা এর রথ। অপেক্ষা করতে থাকেন হারানো স্বপ্নকে ফিরে পেতে। বসে খেতে খেতে পুঁজি শেষ। প্রকৃতির রুদ্রাচার তার সুসময় কে ফিরে আসতে দেয়নি।উপায়ান্তর না পেয়ে পেশা পরিবর্তন করেন। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একই দোকানে মুদি ব্যবসা চালু করেন। কোনরকম দিন কাটতে লাগলো।নানারকম দুঃস্বপ্ন তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়। মে মাসে হঠাৎ স্ট্রোক করেন। শুরু হয় দুর্বিষহ জীবন। সুস্থ হয়ে পুনরায় দোকানে শুরু করেন। কর্নার দ্বিতীয় ঢেউয়ে সর্বত্র লকডাউন ঢাকায় বন্ধ হয়ে যায় তার বিকল্প চলার পথটি। কেমন বিক্রয় হচ্ছে জানতে চাইলে, নাসির জানান, তা বলার মতো না।

এখন শুধু মূলধন খাচ্ছি।আক্ষেপ করে বলেন এভাবে কী আর জীবন চলে?
শিহাব (১১) গংগাপুর ইউনিয়নের বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র। এক ভাই তিন বোনের সংসার। করোনায় বাবার আয় দিন দিন কমছে। অন্যদিকে দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ। তাই বাবাকে অর্থনৈতিক সহায়তার জন্য বোরাক (থ্রি হুইলার) চালাচ্ছে । সিহাব জানান, দৈনিক ৫০০/৬০০ টাকা আয় হয় । তা বাবাকে দেই। বাবার কষ্ট একটু কমছে।

পলাশ চন্দ্র দাস। সরকারি আব্দুল জব্বার কলেজের ডিগ্রী চূড়ান্ত বর্ষের ছাত্র। করোনায় থমকে দিয়েছে তার শিক্ষাজীবন। এতদিন পাস করে হয়তো চাকরি বাজারে যেতেন। করোনার তাণ্ডবে বাধ্য হয়ে হাল ধরতে হয়েছে সংসারের। বাবার সাথে এখন এসে পৌরবাজারে জুতা সেলাই এর কাজ করছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net