1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঈদগাঁও নদীর চরে অবৈধ দোকান ঘর! - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে: স্পিকার লংমার্চ করে অশান্তি সৃষ্টির চেষ্টা বরদাশত করা হবে না: এ্যানি মাগুরার শ্রীপুরে মাদক ও সন্ত্রাস বিরোধী র‍্যালি অনুষ্ঠিত সৌদির দাম্মাম বিমানবন্দরে হামলায় ঝরল ২ প্রাণ, আহত দুই বাংলাদেশি মাগুরায় যুবদল নেতা শাকের হত্যায় মামলা দায়ের, আটক-২ মাগুরায় নানা আয়োজনে শ্রীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজের এইচ এস সি ১৯৮৬ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত রাঙ্গাবালীতে মৎস্যজীবী দলের কমিটি গঠন সভাপতি গনি, সাধারণ সম্পাদক রাকিব ইনসাফ হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপার্সের চেয়ারম্যান অধ্যাপক এমদাদুল হক মামুন, এমডি আক্তার হোসেন আইন পেশায় প্রবেশের বয়সসীমা নিয়ে কী হচ্ছে? সৌদি আরবের তেল স্থাপনায় হামলা, দুই বিদেশি নাগরিক নিহত

ঈদগাঁও নদীর চরে অবৈধ দোকান ঘর!

সেলিম উদ্দীন,কক্সবাজার।
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২ মার্চ, ২০২২
  • ৩১৯ বার

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাঁও নদী দখলে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চিহ্নিত ভুমিদস্যুরা।

ঈদগাঁও বাজারের ব্যস্ততম এলাকা বাঁশঘাটায় নদীর দক্ষিন তীরের চরের শিকস্তি জমি দখল করে রাতারাতি ডজনাধিক দোকান নির্মান করেছে তারা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নদীর দক্ষিন তীরে বাঁশঘাটা ব্রীজ লাগোয়া পূর্বপাশে নদীর তীর দখল করে সারিবেঁধে প্রায় ১৮ টি দোকানঘর তৈরী করা হয়েছে। এসব দোকান হোটেল, ফার্নিচার কারখানা, চোরাই গাছের গোডাউন, মুদি দোকান ও পানের দোকান হিসাবে ভাড়া দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ইসলামাবাদ ইউনিয়নের সিকদার পাড়া গ্রামের কাউছারের নেতৃত্বাধীন দখলবাজ সিন্ডিকেট এসব দোকান তৈরী করেছে। নদীর জলায়তন ও মূল স্রোতধারার ২০ ফুটের মধ্যে সরকারী জমিতে তৈরী করা এসব দোকান ভাড়া দিয়ে সালামী বাবদ কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এ সিন্ডিকেট৷

এসব দোকান নির্মানের ফলে আগামী বর্ষা বন্যার সময় নদীর মূলস্রোতধারা বাঁধাপ্রাপ্ত হলে নদীর উভয় তীরে ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

ভাঙ্গনের ফলে বাঁশঘাটা ব্রীজ, জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ঈদগাঁও- গেমাতলী সড়ক, ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, বাঁশঘাটা জামে মসজিদ ও সরকারী বেসরকারী অপরাপর স্থাপনা নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কাউছারের সাথে যোগাযোগ করা হলে দখলকৃত জমির কাগজপত্র আছে দাবী করে ফোনের সংযোগ কেটে দেয়।

কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন রায় বলেন, নদী শিকস্তি জমিতে স্থাপনা নির্মানের কোন সুযোগ নেই। অভিযান পরিচালনা করে দখলকৃত সরকারী জমি উদ্ধার করা হবে বলেও জানান ইউএনও।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net