1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঈদগাঁও নদীর চরে অবৈধ দোকান ঘর! - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কোম্পানীগঞ্জে মাদক, কিশোর গ্যাং ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে চরকাঁকড়া ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল বেবিচকের ছাড়পত্রের জন্য ৪টি গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করেছে জাপানি কনসোর্টিয়াম কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যার ঘটনায় গ্রেফতার এক নোয়াখালীর সেনবাগে কৃষি জমিতে ইঁদুর মারার বৈদ্যুতিক ফাঁদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে কৃষকের মৃত্যু  যৌতুকের দাবিতে নির্যাতনের অভিযোগ, জ্যোতির মৃত্যু আসছে মডেল খাল কর্মসূচি: বহুমুখী জীবিকা ও কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আজ মাঠে নামছে বাংলাদেশ প্রতিটি ইউনিয়নে খেলার মাঠ গড়ে তোলার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল ও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপোতে ডিপি ওয়ার্ল্ডের বিনিয়োগ চান প্রধানমন্ত্রী নবীনগরে আশেকান মঞ্জিলে ৩৯তম উরস মোবারক অনুষ্ঠিত

ঈদগাঁও নদীর চরে অবৈধ দোকান ঘর!

সেলিম উদ্দীন,কক্সবাজার।
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২ মার্চ, ২০২২
  • ৩১৩ বার

কক্সবাজারের ঈদগাঁও উপজেলার ঈদগাঁও নদী দখলে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চিহ্নিত ভুমিদস্যুরা।

ঈদগাঁও বাজারের ব্যস্ততম এলাকা বাঁশঘাটায় নদীর দক্ষিন তীরের চরের শিকস্তি জমি দখল করে রাতারাতি ডজনাধিক দোকান নির্মান করেছে তারা।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নদীর দক্ষিন তীরে বাঁশঘাটা ব্রীজ লাগোয়া পূর্বপাশে নদীর তীর দখল করে সারিবেঁধে প্রায় ১৮ টি দোকানঘর তৈরী করা হয়েছে। এসব দোকান হোটেল, ফার্নিচার কারখানা, চোরাই গাছের গোডাউন, মুদি দোকান ও পানের দোকান হিসাবে ভাড়া দিয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ইসলামাবাদ ইউনিয়নের সিকদার পাড়া গ্রামের কাউছারের নেতৃত্বাধীন দখলবাজ সিন্ডিকেট এসব দোকান তৈরী করেছে। নদীর জলায়তন ও মূল স্রোতধারার ২০ ফুটের মধ্যে সরকারী জমিতে তৈরী করা এসব দোকান ভাড়া দিয়ে সালামী বাবদ কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে এ সিন্ডিকেট৷

এসব দোকান নির্মানের ফলে আগামী বর্ষা বন্যার সময় নদীর মূলস্রোতধারা বাঁধাপ্রাপ্ত হলে নদীর উভয় তীরে ব্যাপক ভাঙ্গন সৃষ্টি হতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

ভাঙ্গনের ফলে বাঁশঘাটা ব্রীজ, জাহানারা ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, ঈদগাঁও- গেমাতলী সড়ক, ইসলামাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ ভবন, বাঁশঘাটা জামে মসজিদ ও সরকারী বেসরকারী অপরাপর স্থাপনা নদীগর্ভে তলিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত কাউছারের সাথে যোগাযোগ করা হলে দখলকৃত জমির কাগজপত্র আছে দাবী করে ফোনের সংযোগ কেটে দেয়।

কক্সবাজার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন রায় বলেন, নদী শিকস্তি জমিতে স্থাপনা নির্মানের কোন সুযোগ নেই। অভিযান পরিচালনা করে দখলকৃত সরকারী জমি উদ্ধার করা হবে বলেও জানান ইউএনও।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net