1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবার ডাক্তার সংকট নেই নারী চিকিৎসক - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সচিবালয়ে ৬ নম্বর ভবনে আগুন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ফেনী নদীর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এমপি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম পুনর্গঠন হচ্ছে এনসিপি, কে কোন পদ পাচ্ছেন? তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ কোম্পানীগঞ্জে ফজলুল হক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা মানোন্নয়ন মতবিনিময় ও কার্যকরি কমিটির সভা  ফজর নামাজ শেষে হাঁটতে বের হন দম্পতি, চাপা দিয়ে মারল গাড়ি মাগুরায় ব্যতিক্রমী উদ্যোগে শৃঙ্খলা ফিরেছে শ্রীপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজে! বেড়েছে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নোয়াখালীর মাইজদী মাদারল্যান্ড হসপিটালের জানালার গ্রিল কেটে ৯ লাখ টাকা চুরির অভিযোগ  কুমিল্লায় যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে হেলপার নিহত, আহত ৫ চকবাজারে ২১ ঘণ্টা পরও ধোঁয়া, কাজ করছেন ফায়ার ফাইটাররা

শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবার ডাক্তার সংকট নেই নারী চিকিৎসক

মোঃ শাহীন হাওলাদার / স্টাফ রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২২
  • ৩৩৭ বার

বাগেরহাটের শরণখোলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আবার চিকিৎসক সংকট দেখা দিয়েছে। যোগদানের পর পরই চার জন নারী চিকিৎসক অন্যত্র চলে গেছেন। এখন একজনও নারী চিকিৎসক নেই হাসপাতালটিতে। বর্তমানে চিকিৎসক আছেন মাত্র ছয় জন। তারা সবাই পুরুষ। উপজেলার প্রায় দুই লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে হিমশিম অবস্থায় পড়েছেন তারা।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, চার জন নারী চিকিৎসকের মধ্য থেকে ডা. ইসরাত জাহান যোগদানের পর পরই বাগেরহাট সদর হাসপাতালে এবং ডা. তাহসিনা হক প্রমি এক সপ্তাহ আগে খুলনা মেডিক্যালে সংযুক্ত (অ্যাটাচমেন্ট) হয়েছেন।

অপর দুই জনের মধ্যে ডা. শাহানা এবং ডা. কেয়া মনি রয়েছেন মাতৃত্বকালিন ছুটিতে। বর্তমানে একজন নারী চিকিৎসকও নেই এখানে। আবার পূর্বের সেই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. এস এম ফয়সাল আহমেদ জানান, সরকারি নিয়মে চাকরিতে যোগদানের পর কমপক্ষে দুই বছর নতুন চিকিৎসকদের গ্রামে থাকার বিধান রয়েছে। কিন্তু সেই নিয়ম অনেকেই মানছেন না। যে দুই জন অন্যত্র সংযুক্ত হয়েছেন, খাতাপত্রে ঠিকই তারা শরণখোলায় পোষ্টিং রয়েছেন। বেতনও তুলবেন এখান থেকে।

অথচ একটু ভালো সুযোগসুবিধা ভোগ করার আশায় উপর মহলে তদবির করে চলে গেছেন তারা। এ কারণে ডেলিভারী বা অন্যান্য নারী রোগিদের সেবা দিতে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। সঠিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে গ্রামের সাধারণ মানুষ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রিয় গোপাল বিশ্বাস বলেন, একঝাঁক তরুণ চিকিৎসক নিয়ে নতুন করে দীর্ঘদিনের সংকট কাটিয়ে উঠতে শুরু করেছিলাম। প্রায় ছয় বছর ধরে বন্ধ থাকা অপারেশন থিয়েটারটিও স্বচল করা হয়েছে। এরই মধ্যে এক সাথে চার জন নারী চিকিৎসক চলে যাওয়ায় আবার সেই সংকটে পড়েছি। প্রতিদিন শত শত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net