1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
গুইমারায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ, অভিযুক্ত ইয়াছিন গ্রেফতার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মাগুরায় শ্রীপুরের কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান,মতবিনিময় সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচীর উদ্বোধন  ৫ই সেপ্টেম্বরের লংমার্চ সফল করতে নোয়াখালী শহর জামায়াতের উদ্যোগে স্বাগত মিছিল  টানা ৪০ দিন মসজিদে নামাজ আদায়: শিশুদের হাতে পুরস্কার হিসেবে সাইকেল তুলে দিল  চন্দনাইশে পুকুরের পানিতে ডুবে আদিবা রহমান মারা যায় মাগুরায় নানা আয়োজনে জন্মাষ্টমী পালন কোম্পানীগঞ্জে শহীদ আমান উল্যাহ ফারুকের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া  কানাডার বিনিয়োগকারীদের জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের আহ্বান মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের ৫ সেপ্টেম্বর লংমার্চ: সোনারগাঁয়ে চার স্পট পরিদর্শন প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন ফেনীতে কাভার্ড ভ্যানের পেছনে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ ইরান যুদ্ধ দীর্ঘায়িত করছেন ট্রাম্প, চলছে ২০২৭ সালের প্রস্তুতি

গুইমারায় ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ, অভিযুক্ত ইয়াছিন গ্রেফতার

খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০২২
  • ৩৪০ বার

খাগড়াছড়ির গুইমারায় ৮ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে জোর পূর্বক ধর্ষণের মামলায় স্থানীয় মসজিদের ইমাম মো. ইয়াছিন নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার(১৯ মে) করেরহাট এলাকা থেকে
ইয়াছিনকে(২২) গ্রেফতার করে কোর্ট হাজতে প্রেরণা করা হয়েছে।

গ্রেফতার ইয়াছিন (২২) গুইমারা কবুতরছড়া এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে।

ভুক্তভোগী একই এলাকার সিরাজুল ইসলামের মেয়ে সে কবুতরছড়া মক্তবের ছাত্রী।

পুলিশ ও মামলার এজহার সূত্রে জানা যায়, কবুতরছড়া স্থানীয় জামে মসজিদে ইমামতি করছেন ইয়াছিন। সিরাজুল ইসলামের মেয়ে প্রতিদিন সকালে তার কাছে কোরান শিক্ষার জন্য আসতো। এ সুযোগে গোপনে প্রেমের সম্পর্ক করার চেষ্টা করে ইয়াছিন। গত ২১মার্চ রাতে বিয়ের প্রলোভনে তাকে এনে (মসজিদের পাশে) তার থাকার ঘরে তিন দিন পর্যন্ত আটকে রেখে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। তিন দিন পর স্থানীয় লোকজন ভুক্তভোগী মেয়েকে উদ্ধার করে।
পরে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী মেয়ের পিতা সিরাজুল ইসলাম। মামলার পর থেকে ইয়াছিন পলাতক ছিলেন।

অপরদিকে মামলাটি প্রথমে টাকা দিয়ে সমাধানের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন গ্রেফতার ইয়াছিনের মা মাহমুদা বেগম। পরে নিজের ছেলেকে বাচাঁতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে হয়রানি, চুরিসহ নানা মিথ্যা অভিযোগ তোলে। খাগড়াছড়ি আদালতে মামলা দায়ের করার
চেষ্টা করেন। আদালত বিষয়টি অবগত হয়ে মামলাটি খারিজ করে দেন। এরপর পুলিশ সুপারের নিকট অভিযোগ দায়ের করেন এই মহিলা।

সিরাজুল ইসলাম জানান, তার মক্তব পড়ুয়া নাবালিকা মেয়েকে নানান প্রলোভন দেখিয়ে নিজের ইচ্ছামত ধর্ষণ করেছে ইয়াছিন।

এ বিষয়ে গুইমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. মিজানুর রহমান জানান, মামলার পর থেকে পলাতক ছিলো ইয়াছিন। দেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করতো সে। তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে গুইমারা থানার পুলিশ সদস্যরা তাকে করের হাট এলাকা থেকে গ্রেফতার করে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net