ঢাকা   ০৪:৪৫:১৮ পিএম, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম:
রক্তে ভেজা ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে মাগুরায় জামায়াতের বিক্ষোভ  মিছিল ও সমাবেশ  অনুষ্ঠিত  কুমিল্লায় ইন্টারনাল মেডিসিন দিবসে সাইন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত কুমিল্লায়  জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে শোভাযাত্রা ও  আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  শিমুলিয়ায় বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস-২০২৬ উপলক্ষে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও স্বাস্থ্যসামগ্রী বিতরণ শিমুলিয়া ইউনিয়নে ৭৭ জনের মাঝে পুষ্টিচাল বিতরণ বিনিয়োগবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও ব্যবসায়িক পরিবেশ উন্নয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী মধ্যরাতে পুকুরের মাছ লুট-বসতঘরে হামলা-ভাঙচুর, গ্রেপ্তার ২ ৩১অক্টোবরের লং মার্চ সফল করার লক্ষ্যে মাগুরা শ্রীপুরে জামায়াতের ইসলামীর লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়ায় কোম্পানীগঞ্জ সোসাইটির নতুন কমিটি গঠন সম্পন্ন  নকলায় আইন শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

মাগুরায় ফোরলেন সড়ক নির্মানে চরম অনিয়ম! ৩ বার সময় বাড়ানো হলেও শেষ হচ্ছেনা কাজ!! “জনদুর্ভোগ চরমে”!!!

মােঃসাইফুল্লাহ;
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ১১ মে, ২০২২
  • ৩৫৫ বার
  • ৭ মিনিট পড়ার সময়
  • ফন্ট:

মাগুরায় ৬২ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ মাগুরা-ঝিনাইদহ মহাসড়ক প্রশস্তকরণ কাজ নানা অনিয়মে নির্ধারিত সময়ে শেষ হচ্ছে না। ফলে সড়কে যান চলাচলে চরম জনদুৃর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে।
২০১৬ সালে শুরু হওয়া এ কাজ দুদফা সময় বাড়িয়ে চলতি বছরের ১৫ মার্চের মধ্যে শেষ হবার কথা। কিন্তু কাজের ধীরগতি ও সড়কের অধিগ্রহনকৃত ১ কিলোমিটার জমি নিয়ে মামলা থাকায় নির্ধারিত সময় মার্চ মাস শেষ হয়ে মে মাস গড়ানোর উপক্রম হলে ও এখনো কাজ সম্পন্ন হয়নি।

অন্যদিকে গোটা ৮.৮ কিলোমিটার সড়কের যেটুক কাজ শেষ হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সড়ক ও জনপদ বিভাগ দাবি করছে সেখানে কাজ নিম্নমানের হওয়ায় অনেক স্থানে ক্ষত ও গর্ত তৈরী হয়েছে। ভেঙ্গে গেছ ডিভাইডার। তড়িঘড়ি করে এসব ডিভাইডার ও ক্ষত স্থানে নতুন করে সংস্কারের প্রয়োজন হওয়ায় কাজ আরও পিছিয়ে যাচ্ছে ।
এদিকে ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই জনগুরুত্বর্পূণ সড়ক নির্মানে র্দীঘ ৪ বছর সময় লাগায় জনর্দুভোগ বেড়েই চলেছে। প্রতিনিয়ত রাস্তা খোড়াখুড়ি ও কাজের প্রয়োজনে রাস্তা সংকুচিত হওয়ায় একদিকে যেমন যানজট তৈরী হচ্ছে। অপরদিকে সড়ক এলাকায় ব্যবসায়ী কর্মজীবী ও সাধারণ জনগন পড়েছেন চরম সংকটে।

শহররে তাতিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মমিনুল ইসলামসহ একাধিক এলাকাবাসি অভিযোগ করেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রকৌশলীদের সঠিক তদারকির অভাবে ৪ লেনের রাস্তার যে টুুকুই সম্পন্ন হয়েেছ তা খুবই নিন্মমানের হয়েছে। তাতিপাড়ায় ঢুকতে ঢাকারোড ও পারনান্দুয়ালী এলাকার রাস্তা খোড়াখুড়ি চলছে ধীরগতিতে। ঢাকারোড ও পারনান্দুয়ালী অংশের কিছু দোকানপাট এখনও উচ্ছদে করাই সম্ভব হয়নি। ফলে কবে যে মাগুরার মানুষ প্রকৃত ৪ লেনের সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারবে সে ব্যাপারে জনগন সন্দিহান। সরকারের টাকার সঠিক ব্যবহারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষরে সুদৃষ্টি আশা করেন তারা।

২০১৬ সালে সড়ক ও জনপথ বিভাগের মাধ্যমে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এম এম বির্ল্ডাস মাগুরার রামনগর থেকে পুিলশ লাইন্স পর্যন্ত ৮.৮ কিলোমিটার র্দীঘ এই সড়ক নির্মানের কাজ শরু করে। যার মধ্যে পারনান্দুয়ালী থেকে পুিলশ লাইন্স পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার চার লেনের। বাকি অংশ দুই লেনের। দুই লেনের ৪.৮ কিলোমিটার সড়কের কাজ ইতমিধ্যে শষে হয়েছে। কিন্তু ৪ লেনের রাস্তা নির্মানে ধীর গতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে শুরু থেকেই। এছাড়া ইতিমধ্যে শেষ হওয়া কিছু অংশে ফাটল ও গর্ত দেখা দেয়ায় নতুন করে সংস্কার প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। একই অবস্থা চার লেনের মাঝখানে দেয়া ডিভাইডারের অংশই ভেঙ্গে যাওয়ায় চলছে নিত্যদিনের সংস্কার। সরজেমিনে গিয়ে দেখা গেছে অনেক স্থানইে ডিভাইডারে চলছে সংস্কার কাজ। এছাড়া নির্মিত রাস্তার অনেক ক্ষেত্রে দেবে গেছে। মাগুর শহরের হাসপাতাল এলাকার ফুড গোডাউনের সামনে এবং পিটিআইএর সামনে রাস্তা যে ভাবে বসে গেছে তাতে দুর্ঘটনা যে কােন সময় ঘটতে পারে। রাস্তা হ্যান্ডওভারের আগেই এই অবস্থা তাহলে এর আয়ু কতদিন। গত বছরের ১৫ মাচের্র মধ্যে এ কাজ শেষ হবার কথা থাকলে যে গতিতে কাজ হচ্ছে আগামী বছর মার্চের মধ্যে শেষ হবে কিনা সন্দেহ।
মাগুরা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আশিকুল ইসলাম জানান, ৬২ কোটি টাকার রামনগর থেকে পুলিশ লাইন পর্যন্ত ৮.৮ কিলোমিটার সড়ক প্রসস্থকরন কাজের সাথে জমি অধিগ্রহনে সময় লেগে গেছে অনেক। যে কারনে প্রথম মেয়াদের মধ্যে কাজ শেষ করা সম্ভব হয়নি। দ্বতিীয় দফায় কাজ দ্রুত এগিয়ে চলছে, আগামী ৩০ জুনের মধ্যে কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি।
চলমান অবস্থায় যদি কোথাও কোন ত্রুটি হয়ে থাকে সেখানে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নিজ দ্বায়িত্বে সম্পন্ন করবেন। তবে এ ছাড়া অন্যান্য কাজে এখন ও হাত দেয়া হয়নি। রাস্তার ডিভাইডার গ্রীল , গাছ লাগানোসহ কাজ গুলো এ সময় করলে কাজ এগিয়ে থাকবে।

এ কাজে সবচেয়ে লক্ষনীয় রাস্তার নির্মান কাজে তদারকি নেই বলইে চলে। ঠিকাদার তার ইচ্ছামত কাজ করে যাচ্ছে কি পরিমান বালি, কি পরিমান ঘোয়া বা কি পরিমান পীচ দেয়া হচ্ছে তা কেউ দেখার আছে বলে মনে হয়না।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় লোকালহোস্ট আইটি