1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঠাকুরগাঁওয়ে কালো জাম বিলুপ্তির পথে । - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
কর্ণফুলীতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্যপণ্য উৎপাদন, মোবাইল কোর্টে বেকারি সিলগালা অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে জয় বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য ‘হিউজ অ্যাচিভমেন্ট’: আশরাফুল নোয়াখালীতে তারেক রহমানের কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে বিশেষ দোয়া ও মিলাদ অনুষ্ঠিত উল্টোপথে মন্ত্রীর গাড়ি, দুই মামলায় ৬ হাজার টাকা জরিমানা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজের আহ্বান রাষ্ট্রপতির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে, অপরাধও কমেছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আনোয়ারায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের দায়ে, ৩ জনকে অর্থ ও কারাদণ্ সাবিনা ইয়াসমিনের জন্মদিনে ‘শুধু গান গেয়ে পরিচয়’ শত বছর পর মার্কিন মুদ্রায় জীবিত প্রেসিডেন্টের ছবি, ১ ডলারের কয়েনে ট্রাম্প ন্যায়বিচার, সমতা ও মানবাধিকারই টেকসই শান্তির সংস্কৃতির ভিত্তি

ঠাকুরগাঁওয়ে কালো জাম বিলুপ্তির পথে ।

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,,
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২
  • ৩০১ বার

ছয় ঋতুর দেশ বাংলাদেশ। তাই ঋতুর পালাবদলে চলছে মধুমাস। মধুমাসে ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন বাজারে দেখা মিলছে আম, কাঁঠাল, লিচু, পেয়ারা সহ হরেক রকম দেশি-বিদেশি ফলের। আর এই অসংখ্য ফলে ভিড়ে হারিয়ে যেতে বসেছে কালো জাম। পল্লী কবি জসীম উদ্দীনের তার ‘মামার বাড়ি’ কবিতায় লিখেছেন ″পাকা জামের মধুর রসে রঙিন করি মুখ″।

আমরা ছোট বেলায় এই কবিতার লাইনটার সঙ্গে সকলেই পরিচিত। কিন্তু মধুমাস চললেও এখন আর খোকা-খুকিদের মুখে রঙ্গীন রসের চিহ্ন দেখা যায় না। তাই কবির কাব্যের সাথে বিলুপ্তের পথে আজ এই ফলটি। সরেজমিনে ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে দেখা যায়, কয়েক বছর আগে বিভিন্ন রাস্তায়,পুকুর ঘাটে, বাড়ির আঙ্গিনায় সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে জাম গাছ চোখে পড়লেও এখন তা প্রায় বিলুপ্তির পথে। সালন্দর ইউনিয়নের সাদেকুল ইসলাম ও শায়ের আলী জানায়, আধুনিক চাষাবাদের পরিক্রমায় জাম গাছ রোপণ না করায়, দিনে দিনে কমছে যাচ্ছে এই গাছের সংখ্যা। ফলে বাজারে মিলছেনা কালো জাম । ভাগ্যক্রমে মিললেও কিনতে হচ্ছে ১৫০-২০০শত টাকা কেজি দরে। এছাড়াও বালিয়াডাঙ্গী মানিক আলী বলেন,কালো জাম গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী সুপরিচিত একটি ফল। শিশু ও বৃদ্ধরা খেতে পারে সুস্বাদু এই ফলটি। নতুন প্রজন্মের জন্য প্রাচীন এ ফলটি টিকিয়ে রক্ষা করা খুব জরুরি।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ কৃষ্ণ চন্দ্র রায়, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা কৃষিবিদ সুবোধ চন্দ্র রায়, জানায়,কালো জাম নিসন্দেহে একটি পুষ্টিকর ফল। অন্যান্য ফলের নেয় এ ফলটি বাণিজ্যিক ভাবে আমাদের ঠাকুরগাঁও জেলায় চাষাবাদ হচ্ছে না। তবে আমাদের কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে আমরা প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে আমা,জাম,কাঠাল সহ বিভিন্ন ফলজ বৃক্ষ রোপনের পরামর্শ প্রদান করে আসছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net