1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঠাকুরগাঁওয়ে মিল বন্ধ রেখেও সরকারি বরাদ্দ নিচ্ছেন চালকল মালিকরা । - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
রামগড়ে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শন ও বিজিবির আর্থিক অনুদান চৌদ্দগ্রামে এনসিপির আংশিক আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন, আহ্বায়ক ওমর ফারুক, সদস্য সচিব সালাউদ্দিন খান রাজিব নকলায় জাতীয় স্যানিটেশন মাস অক্টোবর ও বিশ্ব হাত ধোয়া দিবস পালিত কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি মাগুরায় রেড ক্রিসেন্ট মা ও শিশু হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত  বাংলাদেশে ঢুকছে নতুন মাদক ‘কুশ’: কতটা বিপজ্জনক এই মাদক? এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা অপরাধ: মেহজাবীন দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী মাটিরাঙ্গায় সরকারি চাল-গম মজুদ রাখায়, দোকানিকে জরিমানা ও পণ্য জব্দ রায়ের পরও জটিলতায় কোম্পানীগঞ্জ সরকারি কলেজের জমি, ইউএনও-এসিল্যান্ড-পৌর প্রশাসকের বিরুদ্ধে অধ্যক্ষের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ে মিল বন্ধ রেখেও সরকারি বরাদ্দ নিচ্ছেন চালকল মালিকরা ।

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,,
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩৩০ বার

সারা বছর ঠাকুরগাঁও জেলায় হাস্কিং মিলগুলো বন্ধ থাকলেও মৌসুমে ঠিকই পাচ্ছে গুদামে সরবরাহের সরকারি বরাদ্দ। আর বিষয়টি জেনেও ঠাকুরগাঁও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় কর্তৃপক্ষ বন্ধ থাকা মিল মালিকদের দিচ্ছে সরকারি সুযোগ সুবিধা।

জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলায় হাতেগোনা দু-একটি হাস্কিং মিল ছাড়া সবগুলোই বন্ধ হয়ে গেছে। চালকলে স্থাপন করা ধান ভাঙার উপকরণগুলো হয়ে পড়েছে অকার্যকর। পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে আছে শত শত একর জমি। উত্তরের ঠাকুরগাঁও এ জেলায় এক সময়ে গড়ে ওঠা দেড় হাজারের বেশি হাস্কিং মিলে গড়ে প্রতিদিন সহস্রাধিক শ্রমিক কাজ করলেও এখন বেকার হয়ে পড়েছেন। অটোমিল মালিকদের উৎপাদিত চকচকে চালের বাজারে টিকে থাকতে না পারায় একে একে বন্ধ হয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলার হাস্কিং মিলগুলো। তবে সারা বছর বন্ধ থাকলেও বছরের বোরো ও আমন মৌসুমে দু-একটি মিল চালু দেখালেও বেশিরভাগ মিল মালিকরা কৌশলে নিচ্ছেন সরকারি গুদামে চাল সরবরাহের বরাদ্দ। এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সবাই। চালকল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ কুমার আগরওয়ালা জানান, সরকারের নীতিমালায় যদি যোগ করা হয় সারা বছর মিল চালু রেখে কতটুকু বিদ্যুৎ খরচ হয়েছে। তাহলে মিল বন্ধ রেখে বরাদ্দ নিচ্ছে নাকি খোলা থাকছে এটি পরিষ্কারভাবে উঠে আসবে।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনিরুল ইসলাম জানান, সারা বছর মিলগুলো বন্ধ থাকে এটা সত্য। তবে মৌসুমে মিলগুলো চালু থাকে বলে দাবি তার। তবে সারা বছর কীভাবে মিলগুলো চালু রাখা যায় সে বিষয়ে মিলারদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

ঠাকুরগাঁও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের তথ্য মতে, চলতি বোরো মৌসুমে ৩২ হাজার ৭১৩ মেট্রিকটন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ২২টি অটো রাইসমিল ও ৮৯৪টি হাস্কিং মিল মালিককে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net