1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঠাকুরগাঁওয়ে মিল বন্ধ রেখেও সরকারি বরাদ্দ নিচ্ছেন চালকল মালিকরা । - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৩৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে হত্যার অভিযোগে পলাতক থাকা স্বামী ইসমাইল হোসেনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব  শাহ আনোয়ার রহ. ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হাটহাজারীতে ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্প নোয়াখালীর চৌমুহনীতে হোটেল ম্যানেজারকে কুপিয়ে জখম, ক্যাশ থেকে ৫ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ  কোম্পানীগঞ্জে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও পোনা মাছ অবমুক্ত  মৎস্য, কর্মসংস্থান ও রপ্তানি বাড়াতে জলাশয়ের সর্বোচ্চ ব্যবহারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর দক্ষ মানবসম্পদ গঠনে গ্লোবাল বারিস্তা ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের উদ্যোগ নবীগঞ্জে ই-পোস্ট কেন্দ্রের উদ্যোক্তা পুলিশ হেফাজতে, অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ  মাগুরায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ – ২০২৬ এর উদ্বোধন   মাগুরায় হাসপাতালে বিশুদ্ধ পানি প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন এমপি মনোয়ার হোসেন খান  বাবা-মা দুজনই নেই, অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ ১০ বছরের সুরাইয়ার

ঠাকুরগাঁওয়ে মিল বন্ধ রেখেও সরকারি বরাদ্দ নিচ্ছেন চালকল মালিকরা ।

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,,
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৩১৪ বার

সারা বছর ঠাকুরগাঁও জেলায় হাস্কিং মিলগুলো বন্ধ থাকলেও মৌসুমে ঠিকই পাচ্ছে গুদামে সরবরাহের সরকারি বরাদ্দ। আর বিষয়টি জেনেও ঠাকুরগাঁও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয় কর্তৃপক্ষ বন্ধ থাকা মিল মালিকদের দিচ্ছে সরকারি সুযোগ সুবিধা।

জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও জেলায় হাতেগোনা দু-একটি হাস্কিং মিল ছাড়া সবগুলোই বন্ধ হয়ে গেছে। চালকলে স্থাপন করা ধান ভাঙার উপকরণগুলো হয়ে পড়েছে অকার্যকর। পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে আছে শত শত একর জমি। উত্তরের ঠাকুরগাঁও এ জেলায় এক সময়ে গড়ে ওঠা দেড় হাজারের বেশি হাস্কিং মিলে গড়ে প্রতিদিন সহস্রাধিক শ্রমিক কাজ করলেও এখন বেকার হয়ে পড়েছেন। অটোমিল মালিকদের উৎপাদিত চকচকে চালের বাজারে টিকে থাকতে না পারায় একে একে বন্ধ হয়েছে ঠাকুরগাঁও জেলার হাস্কিং মিলগুলো। তবে সারা বছর বন্ধ থাকলেও বছরের বোরো ও আমন মৌসুমে দু-একটি মিল চালু দেখালেও বেশিরভাগ মিল মালিকরা কৌশলে নিচ্ছেন সরকারি গুদামে চাল সরবরাহের বরাদ্দ। এ অবস্থায় কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন বলে মনে করছেন সবাই। চালকল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সন্তোষ কুমার আগরওয়ালা জানান, সরকারের নীতিমালায় যদি যোগ করা হয় সারা বছর মিল চালু রেখে কতটুকু বিদ্যুৎ খরচ হয়েছে। তাহলে মিল বন্ধ রেখে বরাদ্দ নিচ্ছে নাকি খোলা থাকছে এটি পরিষ্কারভাবে উঠে আসবে।

এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মনিরুল ইসলাম জানান, সারা বছর মিলগুলো বন্ধ থাকে এটা সত্য। তবে মৌসুমে মিলগুলো চালু থাকে বলে দাবি তার। তবে সারা বছর কীভাবে মিলগুলো চালু রাখা যায় সে বিষয়ে মিলারদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

ঠাকুরগাঁও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের তথ্য মতে, চলতি বোরো মৌসুমে ৩২ হাজার ৭১৩ মেট্রিকটন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে ২২টি অটো রাইসমিল ও ৮৯৪টি হাস্কিং মিল মালিককে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net