1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
দৃর্গম পাহাড়ি এলাকায় জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে রাউজান রাবার বাগান পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয় - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নোয়াখালীতে আবাসিক হোটেলে অভিযান,অসামাজিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে ১২ জন গ্রেফতার  চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে হত্যা মামলা সহ ৩ আসামী গ্রেফতার মসজিদে তালা মারার হুমকি নিউজ করায় সাংবাদিকের ওপর হামলা  মাগুরায় সড়ক দুর্ঘটনায় ২ মোটরসাইকেল  আরোহী নিহত, আহত- ১ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ঘুম থেকে উঠে শিশুর নিথর দেহ, হত্যার অভিযোগ বাবা-মায়ের পরস্পরের বিরুদ্ধে  বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মাগুরায় বৃক্ষরোপণ অভিযান, বৃক্ষ ও ফল মেলার উদ্বো রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে রোগ প্রতিরোধই সরকারের মূল লক্ষ্য : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট আজ

দৃর্গম পাহাড়ি এলাকায় জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে রাউজান রাবার বাগান পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয়

শাহাদাত হোসেন. রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ২৯১ বার

২০০২সালে পূর্ব রাউজান রাবার বাগান এলাকায় প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশে গড়ে উঠেছে রাবার বাগান পৌর প্রাথমিক বিদ্যালয়।প্রতিষ্ঠার শুরুতেই গুরুত্ব দেয়া হয় নিয়ম শৃঙ্খলা ও পড়াশোনার দিকে।বেসরকারী এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি টিন সেট আর টিনের ভেড়া দিয়ে নির্মাণ করে দিয়েছেন রাউজান পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জসিম চৌধুরী।২২ বছর ধরে দৃর্গম পাহাড়ি এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়াচ্ছে এ বিদ্যালয়।এ বিদ্যালয়ের চারপাশে রয়েছে রাবার বাগান।পাহাড়ি অঞ্চলের অবহেলিত এলাকার কোমলমতি শিশুদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য এ বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়।বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানিক চন্দ্রন বড়ুয়া জনান,বর্তমানে এ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা ১ম শ্রেণি থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ১শত জন।পাঠদানের জন্য ৬জন শিক্ষক রয়েছে।

এর মধ্যে তিন জন শিক্ষিকা।প্রতিজন শিক্ষককে রাউজান পৌরসভা থেকে ৫ হাজার ৫শত টাকা করে বেতন দেয়া হয়।এ বেতন নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান দিয়ে যাচ্ছি।প্রত্যেকটি সমাপনী পরীক্ষায় ১০০% পাসের হার।তিনি আরো জানান,উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস হতে পাঠ্যবইয়ের সংকট মিটানো গেলেও এখনোও জাতীয় জাতীয়করণের আওতায় আসেনি প্রতিষ্ঠানটি।নেই কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা, নেই কোনো ছাত্র ছাত্রীদের জন্য উপবৃত্তিরর ব্যাবস্থা,নেই প্রয়োজনমত অবকাঠামো।বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা,পৌর কাউন্সিলর জসিম উদ্দিন চৌধুরী বলেন.টিন সেটের ভেড়া দিয়ে নির্মাণ করা বিদ্যালয়টিতে ২২ বছর ধরে চলছে শিক্ষার কার্যক্রম।শিক্ষার্থীদের জন্য উপযোগী ক্লাস রুম, শৌচাগারসমৃদ্ধ ওয়াশরুম,একটি ডিপ টিউবল,খেলার মাঠসহ প্রত্যেকটি ক্লাস রুমে রয়েছে বিদ্যুৎ সংযোগ।শিক্ষকদের বেতন দেয়া হয় পৌরসভা থেকে।তবে স্কুলে আসবাবপত্র সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের ক্লাস রুমে বসতে হচ্ছে গাদাগাদি করে।তিনি আরো জানান,এ প্রতিষ্ঠানে নেই কোনো সরকারি সুযোগ-সুবিধা। স্কুলটি সরকারিকরণের জন্য শিক্ষাবান্ধব সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও রাউজানের সংসদ সদস্য এবি এম ফজলে করিম চৌধুরীর সুদৃষ্টি কামনা করছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net