1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
সদ্য ঘোষিত গাজীপুর জেলা বিএনপি কমিটিতে নিষ্কিয়,অযোগ্যদের পদ দেয়ায় নেতা-কর্মীদের তীব্র ক্ষোভ - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
এলজিআরডি মন্ত্রীর সাথে সাইবার ইউজার দলের নেতৃবৃন্দের সাক্ষাৎ  নাঙ্গলকোটে ভূয়া বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে চিকিৎসা সেবা প্রদান : জনস্বাস্থ্যের জন্য ভয়াবহ হুমকি ২২ অবৈধ পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম চিহ্নিত করল বাংলাদেশ ব্যাংক ছাত্রদের আন্দোলনের মুখে সার্বিয়ার প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ সাংবাদিকরা সাইবার সুরক্ষা আইনের শিকার হোক, সেটা আমরা চাই না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাগুরার মহম্মদপুরে প্রথম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের  উদ্বোধন  ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও গৌরবের বার্তা নিয়ে লন্ডনে ‘চট্টগ্রাম উৎসব ২০২৬’ স্বার্থ সংরক্ষণে জাতীয় পর্যায়ে কৃষকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির মৌডুবী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী যুবদল নেতা লিটু গাজী প্লাস্টিক বর্জ্য থেকে সবুজ ভবিষ্যৎ গড়ার উদ্যোগ ‘রিলিফ’ বাস্তবায়ন করল জেসিআই ঢাকা ডায়নামিক

সদ্য ঘোষিত গাজীপুর জেলা বিএনপি কমিটিতে নিষ্কিয়,অযোগ্যদের পদ দেয়ায় নেতা-কর্মীদের তীব্র ক্ষোভ

শ্রীপুর(গাজীপুর)থেকে ফজলে মমিনঃ
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  • ৪১৩ বার

গাজীপুর জেলা বিএনপির ঘোষিত কমিটি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তুষ্ট বিরাজ করছে নেতা-কর্মীদের মধ্যে। কমিটিতে বাদ পড়া এবং কাঙ্খিত পদ বঞ্চিত নেতাদের পক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে চলছে পদ বানিজ্যসহ নানা মন্তব্য। আর ঘোষিত এ কমিটিকে স্বেচ্ছাচারিতা, বিবেক বিবর্জিত, অনৈতিক, অসামঞ্জস্য্য,পদ বানিজ্য ও একতরফা বলে দাবি করছে জেলা বিএনপির পদ বঞ্চিত নেতাকর্মীরা। সদ্য ঘোষিত গাজীপুর জেলা বিএনপির কার্যক্রম স্থগিত করে গ্রহণযোগ্য ও আন্দোলনমুখী কমিটি গঠনের দাবি জানানো হয়েছে বিএনরি শীর্ষ নেতৃবৃন্দের কাছে।

এরই মধ্যে কমিটি ঘোষণার তিন দিনের মধ্যে গত ৮ সেপ্টেম্বর ঘোষিত কমিটির কৃষি বিষয়ক সম্পাদক কাপাসিয়ার তরগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ খলিলুর রহমান তার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন।
আবেদনে পদ বঞ্চিত নেতা-কর্মীরা বলেন, গত ৫ সেপ্টেম্বর ২০২২ তারিখে বহু প্রত্যাশিত ঐতিহ্যবাহী গাজীপুর জেলা বিএনপির ১৫১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদিত হয়। এই কমিটি পেয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন সংগ্রামের নেতা কর্মীরা হতাশ, উদ্বিগ্ন ও মনক্ষুন্ন। কমিটি প্রকাশের পর থেকে সর্বত্র সমালোচনা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হয়েছে।
আবেদনে তারা আরো বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৫৪ নং পৃষ্ঠার ১৫ (ক) ধারায় সুস্পষ্ট উল্লেখ আছে যে, কোন ব্যক্তি একই সঙ্গে দলের জেলা, মহানগর, উপজেলা, থানা, পৌরসভা, ইউনিয়ন কিংবা ওয়ার্ড কমিটিতে সভাপতি অথবা সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হতে পারবে না। অনেক নেতা যারা সদ্য ঘোষিত কমিটিতে পদ পেয়েছেন তাদের মধ্যে অনেকের রয়েছে ৩ থেকে ৫টি পদ বহন করছেন। যা সাধারণ নেতাকর্মীদের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।
নেতারা অভিযোগ করেন বিগত সময়ে যারা রাজপথে থেকে মামলা ও হামলার শিকার হয়েছেন এবং দলের দীর্ঘ সময়ের পরীক্ষিত নেতা তাদেরকে বর্তমান কমিটি থেকে পরিকল্পিতভাবে বাদ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন- প্রবীন রাজনীতিবিদ কারা নির্যাতিত শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য পীরজাদা এস.এম রুহুল আমিন, (কারা নির্যাতিত) শ্রীপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিরাজ উদ্দিন কাইয়া, সাবেক চেয়ারম্যান সুলতান উদ্দিন,মীর নুরে আব্দুল হাই,শ্রীপুর পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি আবুল মুনসুর মন্ডল (কারা নির্যাতিত)। পৌর বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাতি জেলা বিএনপির সাবেক তথ্য গবেষণা সম্পাদক অ্যাড. নাহীন আহমেদ মমতাজী। জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য ও সাবেক ভিপি মনিরুজ্জামান খান লাবলু, সাবেক এমপি ও কাপাসিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম ওবায়েদুল্লাহ, প্রফেসর ফ.ম. এমদাদুল হোসেন, খলিলুর রহমান চেয়ারম্যান, জামাল উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সেলিম,শ্রীপুরের অধ্যাপক রফিকুল ইসলামসহ অসংখ্য নেতা-কর্মী রয়েছেন এ তালিকায়। নেতৃবৃন্দ বলেন, জেলা বিএনপির বিগত কমিটির প্রায় শতকরা ৪৫ ভাগ নেতাদের এই কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি পদে সিনিয়র নেতাদের টপকিয়ে অপেক্ষাকৃত জুনিয়র নেতাদের বড় পদবী দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন।

এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির জেলা কমিটিতে জায়গা না পাওয়া একাধিক নেতা বলেন, বিগত কমিটিতে আমরা ছিলাম। সেখানে যেসব অযোগ্য নেতা বিভিন্ন পদে ছিলেন তাদের এবারের কমিটিতে পদ পাওয়ার কথা নয়। কিন্তু তারাই জেলা কমিটির গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন। যারা যোগ্য ছিলেন তাদের সরিয়ে দেয়া হয়েছে। আমরা নিজেকে যোগ্য বলে দাবি করছি না। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে যারা যোগ্য তাদেরও তো পদ দেয়া হয়নি।
নেতারা আরও বলেন, বিষয়টি যোগ্য নেতাদের জন্য লজ্জার। সারা দেশে বিএনপির যখন বেহাল অবস্থা, তখন সে অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা না করে অযোগ্যদের দিয়ে কমিটি গঠন করে দলের অবস্থা আরও শোচনীয় করা হচ্ছে। বিগত একযুগে দলের কঠিন সময়েও যাদের দলের পাশে পাওয়া যায়নি তাদের অনেককেই এ কমিটিতে স্থান দেয়া হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

বঞ্চিত নেতারা অভিযোগ করেন যাদের ইউনিয়ন কমিটিতে থাকার যোগ্যতা নেই তারা জেলা কমিটির বড় বড় পদে অধিষ্ঠিত হয়েছে, সিনিয়র কে জুনিয়র আর জুনিয়রকে সিনিয়র করা হয়েছে কমিটির বিভিন্ন পদে।

ইতিপুর্বে বিভিন্ন উপজেলায় কমিটি গঠন নিয়েও পদ বাণিজ্য করতে ছাড়েননি জেলা কমিটির শীর্ষ দু’ নেতা। নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, টাকার বিনিময়ে উপজেলার কমিটিতে অযোগ্যদের স্থান দেয়া হয়েছে। এ নিয়ে জেলা ও উপজেলা
প্রতিটি কমিটিরই পদবঞ্চিত নেতারা বলছেন, কমিটিতে যোগ্য নেতাদের স্থান দেয়া হয়নি। যা বিএনপির বিভেদকে আরও প্রকট করে তুলছে।
এ নিয়েও বিএনপির নেতাদের মাঝে ক্ষোভ রয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহ রিয়াজুল হান্নান বলেন, আমরা জেলা বিএনপির প্রতিটি থানা ও পৌর কমিটি থেকে নাম চাওয়া হয়েছিল। কমিটি কর্তৃক দেওয়া নামের তালিকা থেকে নাম নিয়ে জেলা কমিটিতে পদ দেওয়া হয়েছে। জেলার সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক জেলা কমিটিকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net