1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঠাকুরগাঁওয়ে চাষিরা আলুর উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না । - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
রায়ের পরও জটিলতায় কোম্পানীগঞ্জ সরকারি কলেজের জমি, ইউএনও-এসিল্যান্ড-পৌর প্রশাসকের বিরুদ্ধে অধ্যক্ষের অভিযোগ মাগুরায় ব্র্যাকের উদ্যোগে বিনামূল্যে ৫০০ জন নারী পুরুষকে চক্ষু চিকিৎসা প্রদান মাগুরায় মাদকাসক্ত ব্যাক্তির ছুরিকাঘাতে পুলিশের এসআই আহত ছোটফরিংগা সীমান্তে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ সচিবালয়ে ৬ নম্বর ভবনে আগুন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ফেনী নদীর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এমপি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম পুনর্গঠন হচ্ছে এনসিপি, কে কোন পদ পাচ্ছেন? তিস্তা প্রকল্পে কারিগরি সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস, স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ কোম্পানীগঞ্জে ফজলুল হক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা মানোন্নয়ন মতবিনিময় ও কার্যকরি কমিটির সভা  ফজর নামাজ শেষে হাঁটতে বের হন দম্পতি, চাপা দিয়ে মারল গাড়ি

ঠাকুরগাঁওয়ে চাষিরা আলুর উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না ।

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,,
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২২
  • ২৯০ বার

ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় গত বছরের মতো এবারও আলু চাষ করে লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষিদের। ফলন কম আর কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে আগাম জাতের আলুতে উৎপাদন খরচ তুলতে পারছেন না চাষিরা। এদিকে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় কোনো হিমাগার না থাকায় বাধ্য হয়ে ক্ষেত থেকে আলু বিক্রি করতে হচ্ছে কৃষকদের। সংরক্ষণের ব্যবস্থা থাকলে অনেক চাষিই আলু সংরক্ষণ করতেন বলে জানান। শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে শ্রমিকদের নিয়ে গ্রানুলা জাতের আলু তুলছিলেন বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার বড়বাড়ি ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের চাষি ইসমাইল হোসেন।

জানান, ৯ টাকা কেজি দরে আলু বিক্রি করেছেন তিনি। এক বিঘা জমিতে তার ৬০ কেজি ওজনের ৪০ বস্তা আলু হয়েছে। বাজারদর অনুযায়ী, এই আলুর দাম ২১ হাজার ৬০০ টাকা। অথচ ৪০ বস্তা আলু উৎপাদন করতে খরচ হয়েছে প্রায় ২৯ হাজার টাকা। প্রতি কেজিতে আলু উৎপাদন খরচ প্রায় ১২ টাকা। কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় গ্রানুলা, স্টিক ও সেভেন জাতের আলু আবাদ হয়েছে। তিন ধরনের আলুতে বীজের মূল্য এবং পরিচর্যা অনুযায়ী উৎপাদন খরচের বেশ তারতম্য রয়েছে। গ্রানুলা আলুতে প্রতি বিঘায় চাষাবাদে ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা, স্টিক ও সেভেন জাতের আলুতে ৩৫ থেকে ৩৮ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আলু চাষি আবুল কাশেম জানান, চলতি মৌসুমে তিনি চার বিঘা জমিতে সেভেন ও গ্রানুলা জাতের আলু আবাদ করেছেন। বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী, প্রতি বিঘায় কমপক্ষে ১২ হাজার টাকা লোকসান গুনতে হবে তাকে। ঠাকুরগাঁও জেলার নারগুন, রায়পুর, চাড়োল, দুওসুও ও বড়বাড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের চাষির কাছ থেকে আলু কিনছেন ব্যবসায়ী দুলাল চৌধুরী। তিনি জানান, ৩০ ডিসেম্বর শুক্রবার গ্রানুলা জাতের আলু ৯ টাকা, স্টিক ও সেভেন জাতের আলু ১২ টাকা কেজিদরে কেনা হয়েছে। গত এক সপ্তাহে আলুর দাম প্রতি কেজিতে পাঁচ থেকে সাত টাকা কমেছে। ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে জানা গেছে, চলতি বছর উপজেলায় ১৫ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে, যা গতবারের তুলনায় প্রায় ৫০০ হেক্টর কম।

ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ বলেন, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় তুলনামূলক আলুর চাষাবাদ বেশি হয়। তবে সেখানে হিমাগার না থাকায় কৃষকরা ভরা মৌসুমে কম দামে আলু বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। কৃষকদের এ সমস্যা আমরা চিহ্নিত করেছি। সমস্যাটি থেকে উত্তরণের জন্য আলু সংরক্ষণের উদ্যোগ নিতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net