1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ঠাকুরগাঁওয়ে জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রকল্পের টাকায় চেয়ারম্যানের পকেটে- ডিসির কাছে অভিযোগ । - দৈনিক শ্যামল বাংলা
সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আনোয়ারায় একই চেয়ারে তিন বছরের বেশি মৎস্য কর্মকর্তা, ৭,৭৪৪ মৎস্যজীবীর তালিকা যাচাই ও প্রকাশের দাবি কুমিল্লায় প্রাডো গাড়িতে ৩ লাখ পিস ইয়াবা, আটক ২ বাংলাদেশে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ার লক্ষ্য অর্জনে সহায়তার আশ্বাস এডিবির গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় অন্তহীন পথ চলছে সরকার : মাহদী আমিন নবীনগরে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা-ভাঙচুরের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান ভাঙ্গুড়ায় ৪ বছরের শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে ১ যুবক আটক মাগুরার শ্রীপুরে নানা আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন,আলোচনা, পুরস্কার বিতরণ ও মাছের পোনা অবমুক্তকরণ নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে হত্যার অভিযোগে পলাতক থাকা স্বামী ইসমাইল হোসেনকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব  শাহ আনোয়ার রহ. ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে হাটহাজারীতে ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্প নোয়াখালীর চৌমুহনীতে হোটেল ম্যানেজারকে কুপিয়ে জখম, ক্যাশ থেকে ৫ লাখ টাকা লুটের অভিযোগ 

ঠাকুরগাঁওয়ে জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রকল্পের টাকায় চেয়ারম্যানের পকেটে– ডিসির কাছে অভিযোগ ।

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ২৩৬ বার

মোঃ মজিবর রহমান শেখ

প্রকল্পের কাজে অনিয়ম ও অর্থ লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গেল মাসের ২১জানুয়ারি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস.এম মুস্তাক এর বিরুদ্ধে প্রকল্পের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তুলে ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের বরাবরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে একই পরিষদের ইউপি সদস্য মো: ফারুক হোসেন।
লিখিত অভিযোগ থেকে জানা গেছে, কাবিখা, এলজিইডি সহ অন্যান্য প্রকল্পের প্রায় ৬০-৬৫ লক্ষ টাকা জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদ বরাদ্দ পেয়েছে। প্রকল্পের টাকা খরচের জন্য চেয়ারম্যান ও ইউপি সচীব যেনতেন একটি কমিটি করেন। ইউপি সসদ্যরা প্রকল্পের টাকা উত্তোলনের জন্য ৫টি রাস্তা উন্নয়নের বিল ভাউচারে সই করলেও একটি রাস্তাও কাজ হয়নি। তবে ইতোপূর্বে যতগুলো রাস্তার কাজ হয়েছে তা হয়েছে চল্লিশ দিনের কর্মসূচীর টাকা দিয়ে। লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, প্রকল্পের টাকার হিসাব চাইতে গেলে চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যদের বরখাস্ত সহ নানা প্রকার হুমকি দেয়। পরিষেদের পুকুরে মাটি ভরাটের জন্য ২ ধাপে ৪ লক্ষ টাকা বরাদ্দ নেওয়া হলেও এখনো পুকুর ভরাট হয়নি। একস্কুলে টিনসেটের একটি ঘর নির্মাণের জন্য ২ লক্ষ, আরেক স্কুলে বেঞ্চ বানানোর জন্য ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দ নিলেও বাস্তবে ৫০হাজার টাকা খরচ হয়নি। ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ২ লক্ষ টাকা বরাদ্দে বেশ কয়েকটি কালভার্ট নির্মাণ করা হলেও তাতে খচর হয়েছে অর্ধেক। অভিযোগে আরো বলা হয়েছে, বিভিন্ন ভাতার, চালের কার্ড, টিসিবির ১৭৩০টির কার্ডের মধ্যে চেয়ারম্যান একাই ৮৭০টি নিজের কাছে রাখেন। এমনকি গরিবের চালেও দরিদ্রদের কাছে থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়। এসব প্রতিবাদ করতে গেলে তিনি ইউপি সদস্য ফারুক হোসেনের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে মারধর করে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দেয় বলে তিনি অভিযোগে উল্লেখ করেন। লিখিত অভিযোগের সূত্র ধরে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ঐ ইউনিয়নের বিশ্বাসপুর গ্রামে একটি কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। এতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২ লক্ষ টাকা। কিন্তু গ্রামবাসীর অভিযোগ এখানে ২ লক্ষ টাকা নয়, খরচ হয়েছে ৪০-৫০ হাজার টাকা। কাজও হয়েছে নিম্নমানের। নির্মাণের ৭ দিনেই চার পাশ ভেঙ্গে গেছে।
এ ব্যাপারে প্রকল্প সভাপতি ইউপি সদস্য মো: নাসিরুল ইসলাম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি কথা বলতে রাজী হননি। অন্যদিকে, মহব্বতপুর গ্রামের কালভার্টের চিত্র একই। তবে প্রকল্প সভাপতি শ্রী কবিন্দ্র জানান, ভিন্ন কথা। তিনি বলেন, কালভার্টের বরাদ্দ ২ লক্ষ টাকা ধরা হলেও বাস্তবে তা খরচ হয়েছে ১ লক্ষ টাকা। আর বাকি টাকা ইঞ্জিনিয়ার ও অন্যন্যদের যাতায়াত খরচ দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। এ বিষয়ে ইউপি সদস্য ফারুক হোসেন জানান, চেয়ারম্যান এস.এম মুস্তাক তিনি তাঁর ইচ্ছামতো কাজ করেন। কোন কাজ সঠিক ভাবে করা হয়নি। সবখানেই চেয়ারম্যান অনিয়ম ও দুর্নীতি করেছে। আমরা প্রতিবাদ করলে মারমুখি আচরণ এবং বিভিন্ন ধরণের হুমকি দেয়। যেখানের ৭ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে, সেখানে কাজ হয়েছে দেড় লক্ষ টাকার। আমি চেয়ারম্যানের বিভিন্ন অনিয়মের কারণে জেলা প্রশাসক সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান এস.এম মুস্তাক জানান, আমার সম্পর্কে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা-বানোয়াট। তিনি (ফারুক হোসেন) এর আগেও আমার নামে অভিযোগ করেছিলো কিন্তু কোন লাভ হয়নি। তদন্তে কোন দুর্নীতি ধরা পড়েনি।
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, প্রকল্পে অনিয়ম হলে বরাদ্দ বাতিল করা হবে। এর আগেও ঐ ইউনিয়নে প্রকল্পে অনিয়মের কারণে বরাদ্দ বাতিল করা হয়েছে। এবারও অনিয়ম হলে তা খতিয়ে দেখে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net