1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে সরকারি গুদামে ধান বিক্রি -প্রকৃত কৃষকেরা নায্যমূল্যে পাচ্ছে না - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে হাটহাজারী বিএনপির দোয়া মাহফিল রোটারি ক্লাব অব কুমিল্লা মিড টাউনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি জশনে জুলুসে ঈদে-মিলাদুন্নবী চন্দনাইশে পবিত্র রবিউল আউয়ালকে স্বাগত জানিয়ে র‌্যালি মাগুরার শ্রীপুরে বেগম খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত  চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় জামায়াতের কর্মী শিক্ষা শিবির দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজের আহ্বান: এমপি শাহজাহান চৌধুরী  মাগুরায় বিভিন্ন প্রকল্পের চেক বিতরণ করলেন মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী  মাগুরায় নির্বাচনী গণসংযোগ ও মসজিদের উন্নয়ন প্রকল্পের রড হস্থান্তর  কবি কাজী কাদের নওয়াজের বাড়ি প্রাঙ্গণে সবুজ আন্দোলনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে সিআর পরোয়ানা ভুক্ত ১ আসামী গ্রেফতার

মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে সরকারি গুদামে ধান বিক্রি -প্রকৃত কৃষকেরা নায্যমূল্যে পাচ্ছে না

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০২৪
  • ২৭৪ বার

শাহাদাত হোসেন,

রাউজান ( চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:

সরকার নির্ধারিত দামে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু হয়েছে চট্টগ্রামের রাউজানে । অভিযোগ উঠেছে প্রকৃত কৃষক নায্যমূল্যে সরাসরি সরকারি গুদামে ধান বিক্রি করতে পাচ্ছে না। মধ্যস্বত্বভোগীরা প্রান্তিক কৃষকের ধান কমিশন নিয়ে বিক্রি করছে সরকারী গুদামে। এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে  (৩০মে) বৃহস্পতিবার দুপুরে খাদ্যগুদাম চত্বরে ধান সংগ্রহ কর্মসূচি উদ্বোধন অনুষ্ঠানে দেখা যায়।  ধান সংগ্রহ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন উপজেলা কৃষি অফিসার মাসুম কবির ও রাউজান উপজেলা খাদ্যগুদামের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা মোরশেদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সনজীব কুমার সুশীল।ধান বিক্রয় কর্মসূচীর অনুষ্ঠানে গিয়ে দেখা যায়, চার জন কৃষক বস্তাবন্ধি করে নিয়ে এসেছে দশ টন ধান। একজন সরাসরি ধান বিক্রির সুযোগ পেলেও তিনজন মধ্যস্বত্বভোগীর মাধ্যমে ধান বিক্রি করতে হয়েছে। ফলে এই তিন কৃষক কম দামে ধান বিক্রি করেছে রাউজানের একটি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কাছে। খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করতে আসা নুরু মোহাম্মদ, কাজল রুদ্র পাল ও সুনীল কুলাল বলেন, ধান-চাল ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের সদস্য মোহাম্মদ আলী নামে এক ব্যক্তির মাধ্যমে সরকারী দামের চেয়ে কম দামে ধান বিক্রি করেছি। খাদ্যগুদামে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা নিদিষ্ট কিছু লোক ছাড়া ধান ক্রয় করেন না। উপজেলার গশ্চি এলাকা থেকে ধান বিক্রি করতে আসা মোহাম্মদ ফয়সাল বলেন, ৬০ একর জমিতে চাষাবাদ করেছি পূর্বগুজরা ও বাগোয়ান এলাকায়। আমি তিনটন ধান বিক্রি করতে নিয়ে এসেছি খাদ্য গুদামে। এখানে এসে জানলাম মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে বিক্রি করতে হবে। কৃষি কর্মকর্তা ও সাংবাদিকরা উপস্থিত থাকায় সরাসরি সরকারি গুদামে বিক্রি করা সম্ভব হয়েছে।উপজেলা কৃষি অফিসের সূত্রে জানা যায়, এবার রাউজান উপজেলার ১৪টি ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় শুস্ক মৌসুমে ৫ হাজার ১০ হেক্টর জমিতে ৭ হাজার প্রান্তিক কৃষক বোরো ধানের চাষাবাদ করেন। ৫ হাজার ১০ হেক্টর জমিতে ২৯ হাজার মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপাদন হয়। এবার সরকার কৃষকদের কাছ থেকে প্রতি কেজি ধান কিনবে ৩২ টাকা দরে।রাউজান উপজেলা খাদ্য গুদামের কর্মকর্তা মোরশেদ বলেন, সরকারের নির্দেশনায় রাউজানের প্রান্তিক কৃষক থেকে ৪৪১টন ধান সংগ্রহ করা হবে। নিয়ম অনুসারে কৃষককে অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রির আবেদন করতে হবে। এরপর লটারীর মাধ্যমে কৃষকের নাম প্রকাশ করা হয়। নির্বাচিত কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করা হয়। দালাল ও মধ্যস্বত্বভোগীর বিষয়টি আমার জানা নেই। আমি তিনদিন আগে কর্মস্থলে নতুন যোগদান করেছি। আমি আসার পূর্বে কোন অনিয়ম হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। তবে আমি যতদিন দায়িত্বে থাকব কোন প্রকার অনিয়ম হতে দেব না।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মাসুম কবির  বলেন, ১ শত ৯১ জন কৃষক অনলাইনে ধান বিক্রির আবেদন করেছেন। তৎমধ্যে ৮১জন লটারীর মাধ্যমে নির্বাচিত হয়। নির্বাচিত কৃষক হতে ধান সংগ্রহ করা হবে। তিনি সরাসরি খাদ্য গুদামে ধান নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন কৃষকদের।

উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আবদুল ওহাব বলেন, দলের সভাপতি হিসাবে অনেক কৃষক আমাকে অভিযোগ করেছে তারা সরকারের ধান সংগ্রহ কর্মসূচীতে সুযোগ পাচ্ছে না। এখানে মধ্যস্বত্যভোগী বা দালাল ছাড়া ধান বিক্রি সম্ভব হচ্ছে না। অভিযোগের ভিক্তিতে আমি উপজেলা কৃষি অফিসার, খাদ্য অফিসার ও খাদ্য গুদামে কর্মকর্তার সাথে কথা বলি। বাস্তবতা হচ্ছে একজন কৃষক অনলাইনে আবেদন করে ধান বিক্রি করার মত স্মার্ট হননি। তাই আমি কর্মকর্তাদের পরামর্শ দিয়েছি প্রকৃত কার্ডধারি কৃষকদের অগ্রাধিকা দেওয়ার জন্য। তাহলে দালল চক্র থেকে কৃষক রেহাই পাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net