1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
দূর্নীতির বরপুত্র পৌর নির্বাহী রফিকুল হাসান এখনও বহাল তবিয়তে! "শ্রীপুর পৌরসভা" - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বিয়ে নিবন্ধন হবে অনলাইনে, সহজেই জানা যাবে আগের বিয়ের তথ্য: আইনমন্ত্রী মাগুরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পৌরসভার বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান মনোহরগঞ্জে শিশুর বাবা-মা ঋণের চাপে গ্রাম ছাড়া সেই শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ আটক পরিকল্পিত সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বায়েজিদ বোস্তামী থানা মহিলা দলের বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত  আখতারুজ্জামানকে বিমানবন্দর থানায় হস্তান্তর করেছে ডিবি বিডিনিউজ টুয়েন্টিফোর ডটকমের প্রধান সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী মারা গেছেন কক্সবাজারে টঙ্গী রিপোর্টার্স ক্লাবের চার দিনের আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার মনোহরগঞ্জে স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে বাঁচাতে গিয়ে ডাকাতিদের হামলায় শিকার ওমর ফারুক মাগুরায় জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আন্তর্জাতিক প্রবীন দিবস পালিত 

দূর্নীতির বরপুত্র পৌর নির্বাহী রফিকুল হাসান এখনও বহাল তবিয়তে! “শ্রীপুর পৌরসভা”

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট, ২০২৪
  • ৩৭৯ বার

ফজলে মমিন,শ্রীপুর(গাজীপুর)

গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার দূর্নীতি আর লুটপাটের মাস্টারমাইন্ট পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃরফিকুল হাসান বৈষম্য বিরুধী ছাত্র-জনতা আর স্হানীয় বিএনপি ও অংগ সংঘটনের নেতা/কর্মিদের ফাঁকি দিয়ে কৌশলে এখনও স্ব-দায়িত্বে বহাল রয়েছেন।তার দূর্নীতি আর স্বেচ্ছচারিতা গত দু’বছরে চরমে ছিল।প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে শুরু করে স্হানীয় সরকার মন্ত্রনালয়েকে ঘৃরে তার দাপট ছিল সর্বত্র।শ্রীপুর পৌরসভায় দুর্দান্ত দাপুটে নানা অনিয়ম করে আসছে।অন্যায় আর স্বেচ্ছাচারিতা দেখে ভয়ে কেউ মুখ খুলতে রাজি হননি।অনেক কর্মকর্তার সাথে চরম অবিচার করে বরাবরই পার পেয়ে যেতেন।

তার আকাম-কুকামে খোদ মেয়র পর্যন্ত ছিল নিরুপায়।অনেকটা পৌর নির্বাহীর বানানো নিয়মে পৌরসভার দাপ্তরিক কার্যকম চালিয়ে আসছে।ইচ্ছেমত বেতন বন্ধ,এক শাখা হতে অন্য শাখায় এমএলএসদের পাঠানো,পিয়ন দিয়ে নিজের বাসার হাট-বাজারসহ অন্যান্য কাজ করিয়ে নেওয়া,সৎ কর্মকর্তাদের পৌর ফান্ড থেকে টাকা খরচ করে বদলি করানো,ঠিকাদের ফাইল আটকিয়ে টাকা আদায়,বিভিন্ন শিল্প কারখানায় কর কমানো নামে এবং ট্রেড লাইসেন্সে বেশি টাকা নিয়ে পৌরসভা কম টাকা দেখানো,কর্মকর্তাদের উচ্চতর গ্রেড প্রাপ্ততিতে মনগড়া কমিটি গঠন,পৌর মালিকে দিয়ে বিভিন্ন দিবসে কেনাকাটার নামে ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরি,পৌরসভার রাস্তা-ঘাট, নর্দমার ময়লা পরিস্কারের নামে লাখ লাখ টাকা আদায়,সহকর্মিদের ফাঁদে ফেলে কয়েক লাখ টাকা ঘুষ গ্রহনসহ বিধি বর্হিঃভুত পৌরসভার গাড়ি নিয়ে দেশের বাড়ি জামালপুরে অহরহ যাতায়াত করে আসছিল নির্দিধায়।তার বিরুদ্ধে দূর্নীতির সু-নিদৃষ্ট অভিযোগ থাকায় দুদক আর স্হানীয় সরকার মন্ত্রনালয় হতে একাধিক তদন্ত চিঠি দেয়া হয়েছে।তার বিরুদ্ধে তদন্ত চলমান রয়েছে বলে জানা গেছে।
বৈষম্য বিরুধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হাসিনা সরকারের পদত্যাগ হলেও চিহ্নিত দূর্নীতিবাজরা এখনও কেন ধরাছোঁয়ার বাইরে এ প্রশ্ন শ্রীপুর পৌর নাগরিকদের মনে।

গতাকাল এবং আজ পৌর সচেতন নাগরিকের ব্যানারে মেয়র পৌর নির্বাহীর অপসারনের দাবিতে পৌর কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করেন।মানববন্ধন হতে একাধিক পৌর নাগরিক ক্ষোভ জানিয়ে বলেন,দীর্ঘ দ’বছরেরও অধিক সময় পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃরফিকুল হাসান শ্রীপুর পৌরসভাটিকে লুটপাট ও দূর্নীতির মাধ্যমে স্বর্গরাজ্য পরিণত করার পরও কি করে এখনো সরে যাচ্ছেনা তা আমাদের বোধদয় হচ্ছেনা।নাগরিকরা আরো বলেন,রফিকুল হাসান খুবই দুরন্ত আর চালাক।হয়তোবা কারো সাথে লেয়াজু করে ওই পদে এখনো বহাল তবিয়তে আছেন।তারমত দূর্নীতিপরায়ন কর্মকর্তাদের দ্রুত সরাতে না পারলে বৈষম্য সমাজ ব্যবস্হা সংস্কারের আলোর মুখ কখনোই দেখা সম্ভব হবেনা।রাষ্ট্রীয় ব্যবস্হায় রফিকের মত কর্তারা ঘাপটি মেরে থাকলে বৈষম্য বিরুধী আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন তাদের আত্না কখনোই শান্তি পাবেনা বলে পৌর নাগরিকরা বলেন।তারা অনিতিবিলম্বে এ দূর্নীতিবাজ কর্মকর্তাসহ জড়িত সকলকে স্ব-সম্মানে চলে যাওয়ার দাবি জানান।

উল্লেখ্য মোঃ রফিকুল হাসান জামালপুরের সরিষাবাড়ী পৌরসভায় অফিস প্রধান বা কেরাণী থাকাকালীন পৌরসভার বিদুৎ বিলের প্রায় উনত্রিশ লাখ টাকা লুপাট,ময়মনসিংহের গৌরিপুর এবং নান্দাইল পৌরসভায় কর্মরত থাকাকালীন স্হানীয় ঠিকাদারের লান্চিত করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।গত দু’বছর আগে রাজনৈতিক প্রভাব এবং স্হানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ের অবৈধ প্রভাব বিস্তার করে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তা হয়েও প্রথম শ্রেণীর পৌরসভা শ্রীপুরে যোগদান করেন।যোগদান করে বিধি বর্হিঃভুতভাবে ৯বম গ্রেডে বেতন ভাতাদি নিয়মিত উত্তোলন করছেন।যা নাকি তৃতীয় শ্রেণীর কর্মকর্তা ১১তম বেতন উত্তোলন করার আইনগত বিধান রয়েছে।সে আইনকে তোয়াক্কা করে অনিয়মতান্ত্রিকভাবে বেতন-ভাতা নিচ্ছেন বলে একটি নির্ভরযোগ্য সুত্র থেকে জানা যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net