1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
কাউন্টার ক্যু রক্ষা করার ক্ষমতা সরকারের আছে!! - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ৫০০ শয্যার নতুন ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে সিআর পরোয়ানা ভুক্ত ১ আসামী গ্রেফতার চন্দনাইশ থানা পুলিশের অভিযানে পরোয়ানা ভুক্ত ৫ আসামী গ্রেফতার মাগুরার শ্রীপুর মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের দেড় মাস যাবৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন, রোগীদের দুর্ভোগ চরমে অশ্রুসিক্ত নয়নে মায়ের শেষ বিদায়, জানাজা-দাফন শেষে কারাগারে ফিরলেন সাবেক এমপি পুত্র ও আ.লীগ নেতা রাসেল সুপেয় পানির আওতায় বান্দরবানের পাঁচ হাজার মানুষ নোয়াখালীতে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় যুবদল নেতাকে কুপিয়ে জখম চন্দনাইশে শাহজালাল বেকারীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা  ভাঙ্গুড়ায় ১৮০ পিস ইয়াবা ও ৬৯ হাজার টাকা নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী আটক  মাগুরায় শহরের বেবি প্লাজা মাকেটের ৬টি দোকানে শাটার ভেঙ্গে  চুরি

কাউন্টার ক্যু রক্ষা করার ক্ষমতা সরকারের আছে!!

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ৩৪১ বার

মুহাম্মদ আমির হোছাইন

জুলাই-অগাস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর দেশ ছেড়ে পালানোর পর হাসিনার সে লাগাতার কয়েকটা কলরেকর্ড সামাজিক মাধ্যমে ছয়লাব হয়েছে। হাসিনার কল রেকর্ড ফাঁস পরিকল্পতি। ফাঁসের মূল উদ্দেশ্য হল দেশের সব আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীরা যেন হাল না ছেড়ে দেয়, অবস্থান ধরে রাখে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কাজ চালায় দেয়।

তাঁর পরিফলন ঘঠেছে, গোপালগঞ্জে মিছিল, বরগুনা, সর্বশেষ কক্সবাজার আওয়ামীলীগ নেতা রাশেদ গ্রেফতারে মিছিল।
এমনকি গোপালগঞ্জে বিএনপির গাড়ি বহরে হামলা করা। এসব এলাকায় এখনও তাদের ধরতে পারিনি প্রশাসন।

দ্বিতীয়ত বিগত সরকারের আমলের শ্রমিকর সংঘঠনগুলো কমিটি ভাঙ্গতে পারিনি। এ শ্রমিক সংঘঠনের নেতাগুলো আওয়ামীলীগে আশ্রয় গড়ে তোলা হয়েছে।

তাঁর অংশ বিশেষ হল এখনও কারখানায় ভাঙচুর বিক্ষোভ প্রদর্শন, আগুন লাগনো।
কালকে রাতে জাবিতে গণপিটুনিতে ছাত্রলীগনেতা নিহত হওয়া।

সবচেয়ে বড় হচ্ছে হিন্দু নির্যাতনের বয়ান। কিছু গণমাধ্যম খুব ফলো করে তা প্রকাশ করছে।
ভারত সংখ্যালঘুদের আলাদা করে ভিক্টিম সাজাবে তাদের দিয়ে সম্মেলন তাঁর অংশ বিশেষ। তাঁদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার মাধ্যমে, কাউন্টার ক্যু টিকায় রাখা।
ভারত এখন দেশে হাসিনা বিরোধী দলের মধ্যে মারামারি বাঁধানোর চেষ্টা করা। পলিটিক্যাল ভিশনহীন সমন্বয়কের দিয়েছে অপরাপর সমন্বয়কদের ভিতের মতানৈক্য তৈরি করা। এমনকি ছোট-ছোট হত্যা কান্ডের মধ্য দিয়ে আওয়ামী জনমত গঠন করা।

উপদেষ্টা পরিষদে আওয়ামীপন্থীরা এখনো বসে আছে। তারা জাতীয় ঐক্যের তৈরির লক্ষ্য উদ্দেশ্য তেমন কারো নেই।

যদি কোন ক্যু হয়ে গেলে জনগণের অংশগ্রহণ করা ছাড়া ধ্বংস করার এ সরকারে ভিতরে এমন কোন শক্তি নেই। জনগণ রাস্তায় নেমে ক্যু না ভাঙলে, ক্যু টিকে যাবে।
সরকারের উচিত নতুন সংবিধান তৈরি করার মাধ্যমে বিপ্লব বিরোধী সবার বিচার করা।
ভারতের কাছ থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান, তাঁর অবস্থানের কারণ জানা মাধ্যমে দেশে ফিরে এনে দ্রুত শাস্তি নিশ্চিত করা।
কাউন্টার ক্যু কি জনগণ মেনে নিবে!!

ঠেকাইতে পারবে কি না। উত্তর হচ্ছে পারবে যদি সব শ্রেণির মানুষ আবার রাস্তায় নেমে আসে। তাঁর অভিজ্ঞতা তো কম নেই। আবর বসন্তের পর মিসরে মুহাম্মদ মুরসি জনগণের ভোটে আসার পরেও ক্ষমতা সিসিকে বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে জনগণ কাজ হয়নি। অনুরূপভাবে পাকিস্তানের ইমরান খানের পক্ষে নেমেও কাজ হয়নি। তারপরও শাহবাজ সকার বহল তবিয়তে টেকে রয়েছে।
বর্তমান ছাত্র-জনতার সরকারের উচিত দ্রুত সংস্কার করার মাধ্যমে নির্বাচন করা।
লেখক,সাংবাদিক

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net