1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
ভাষা-আন্দোলনের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধের আহ্বান - এম এ বার্ণিক - দৈনিক শ্যামল বাংলা
মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০৮:৪৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
আনোয়ারা চাতরী চৌমুহনীতে এসিল্যান্ডের অভিযান, ৩ মামলায় ১১ হাজার টাকা জরিমানা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নবীগঞ্জে বাস-পিকআপ সংঘর্ষে ৩ জন নিহত প্রতিবন্ধী দীপঙ্করের জীবনে নতুন আশার আলো, পাশে দাঁড়াল চ্যারিটেবল ট্রাস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তিতে এগিয়ে মেয়েরা এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ চট্টগ্রামে সিএনজি স্টেশনে চাঁদাবাজি অভিযোগে মিছিল হাটহাজারী মাদরাসায় এলেন প্রধানমন্ত্রী নৃত্য, গান, কবিতায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবস শ্রদ্ধাঞ্জলি বরুড়ায় আর্মি ছেলে পরিচয়ে নালিশী নিষেধাজ্ঞা ভূমি বেদখলের চেষ্টা  আসামী সুশেনের বিরুদ্ধে 

ভাষা-আন্দোলনের ইতিহাস বিকৃতি বন্ধের আহ্বান —- এম এ বার্ণিক

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৪৬০ বার

স্টাফ রিপোটার

ভাষা-আন্দোলন গবেষক ও জ্ঞানভিত্তিক সামাজিক আন্দোলন সভাপতি -এম এ বার্ণিক বাংলা ভাষার রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিবস উপলক্ষে এক সাক্ষাৎকারে শ্যামল বাংলা কে বলেন

­

“বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিবস” হলো, ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬; অথচ গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪ তারিখে ‘ভাষা আন্দোলন স্মৃতিরক্ষা পরিষদ’ উক্ত দিবস পালন করে বিবৃতি দেয় যে, দিবসটি নাকি ৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬।
২. ভাষা আন্দোলন স্মৃতিরক্ষা পরিষদের এহেন ইতিহাস বিকৃতির আয়োজনগুলো বন্ধ করার জন্য, আমি একজন ভাষা-আন্দোলনের গবেষক হিসেবে, আহ্বান জানাচ্ছি। জাতিকে বারবার বিভ্রান্ত না-করার জন্য তাদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাচ্ছি।


৩. সত্য তুলে ধরার স্বার্থে, সকলের অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, ১৯৫৬ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানের গণপরিষদে( পূর্ব-পাকিস্তানের আইনসভায় নয়) উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। এটাই পাকিস্তানের সংবিধানে গঅন্তর্ভুক্ত হয়।
৪. সেটি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান সরকার কোন পদক্ষেপ গ্রহণ না-করয়,অসন্তুষ্টচিত্তে ভাষা-আন্দোলনের জনক ও স্থপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম, পূর্ব পাকিস্তান ব্যবস্থাপক পরিষদের একজন সদস্য হিসেবে, পূর্ব পাকিস্তানের আইনসভায় ৩০সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ তারিখে একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যা সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হয়।
৫. কাসেম সাহেবের প্রস্তাবটি ছিলো, কেন্দ্রীয় সরকারের আইনসভায় পাশকৃত সাংবিধানিক প্রক্রিয়ার আলোকে, পূর্ব-পাকিস্তানের অফিস-আদালতে ও শিক্ষায় যাতে বাংলায় চালু করা হয়, তা তুলে ধরা।
৬. কোথায় করাচিতে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় আইসভার সাংবিধানিক স্বীকৃতি, আর কোথায় ঢাকায় পূর্ব-পাকিস্তানেরন প্রাদেশিক আইনসভার একটি প্রস্তাব? এভাবে ভাষা-আন্দোলনের ইতিহাস চর্চার নামে জাতিকে বিভ্রান্ত করার করাণ একটিই, এবং তা-হলো অজ্ঞতা, না-জেনে, না-বুঝে, ভাষা আন্দোলন স্মৃতিরক্ষা পরিষদের অপতৎপরতা!

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net