1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মিলছে না জটিল রোগের চিকিৎসা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
যুক্তরাষ্ট্রে কর্মী ভিসায় নতুন নিয়ম মাগুরায় ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত  ড. ইউনূসের গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে: হাইকোর্ট প্রবাসী আয়ে স্বস্তির ধারা, ছয় মাসে বেড়েছে ১৩.১ শতাংশ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ইরানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার কর্মসূচি বাস্তবায়নে লাকসামে নারী সমাবেশ ও সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত জালিয়াতির অভিযোগ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের পদত্যাগ চন্দনাইশে ডেঙ্গু জ্বরে সাকিব আহমদের অকালমৃত্যু ফিল্ড ফায়ারিং রেঞ্জে অনুশীলনে গোলাবর্ষণের সময় আকস্মিক দুর্ঘটনায় কবিরহাটের আবুবক্কর সিদ্দিক নিহত  কোনো স্লিপার বাসের রেজিস্ট্রেশন দেয়নি বিআরটিএ: হাইকোর্টে প্রতিবেদন

মিলছে না জটিল রোগের চিকিৎসা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
  • ৩৩০ বার

মোঃ মজিবর রহমান শেখ

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি,,

২৫০ শয্যার ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতাল। জেলাবাসীর স্বাস্থ্যসেবার প্রধান ভরসাস্থল এ হাসপাতালে নেই নিউরোলজি বিভাগ, আইসিইউ সহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিট। ফলে জটিল সমস্যা নিয়ে এখানে কেউ এলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়, দিনাজপুর কিংবা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। যেটুকু সেবা মিলছে তা-ও দেওয়া হচ্ছে অপরিচ্ছিন্ন পরিবেশে।
হাসপাতালে বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিক্রি হয় খোলা খাবার। নিজ জেলায় চাহিদামতো সেবা না পেয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয় রোগী ও স্বজনদের। ভুক্তভোগীদের দাবি, দ্রুত সময়ে ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালে সব ধরনের সেবা নিশ্চিত করার। কর্তৃপক্ষ বলছে, সাধারণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে কাজ হচ্ছে।
দ্রুত চালু হবে আইসিইউ। ১৯৮৭ সালে ৫০ শয্যা নিয়ে যাত্রা ঠাকুরগাঁও সদর হাসপাতালের। ১৯৯৭ সালে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। সেবার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০১৮ সালে সাত তলা ভবন উদ্বোধনের মাধ্যমে উন্নীত হয় ২৫০ শয্যায়। বিভিন্ন সময় হাসপাতালের শয্যা বাড়লেও সেবার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েই গেছে। হাসপাতালের মেঝে ও সিঁড়িতে জমেছে ধুলার স্তর। ব্যবহৃত টিস্যু, মাস্ক, কাগজের টুকরা ও ফলের খোসার ছড়াছড়ি ওয়ার্ডজুড়ে। শৌচাগারগুলো থেকে আসা উৎকট গন্ধে ওয়ার্ডে থাকা দায়। চিকিৎসাসেবা নিয়েও অভিযোগ তুলেছেন অনেক রোগী। হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রকাশ্যে খোলা খাবার বিক্রি করেন ফেরিওয়ালারা। স্থানীয়রা জানান, ঠাকুরগাঁও জেলার ৫ উপজেলার বাসিন্দাদের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা সদর হাসপাতাল। এখানে কিছুর তোয়াক্কা না করে ভিতরে বিক্রি হচ্ছে খোলা খাবার। দেখার যেন নেই কেউ। ভর্তি রোগী ও তাদের স্বজনরা জানান, এসব খোলা খাবার স্বাস্থ্যের জন্য হতে পারে হুমকি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন, এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেসঙ্গে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা আবদুল্লাহ আল সুমন বলেন, গুরুতর অসুস্থ কাউকে নিয়ে এলে দ্রুত সময়ে তাকে অন্যত্র রেফার্ড করা হয়। এখানে নাই আইসিইউ। পরিবেশও খুব নোংড়া। জয়নুল নামে আরেকজন রোগীর স্বজন বলেন, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে আর কী বলব। বাথরুমগুলো প্রায় ব্যবহারের অনুপযোগী। সদর হাসপাতালের আরএমও বলেন, জনবল সংকটের কারণেই সমস্যা তৈরি হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। চাহিদামতো জনবল নিয়োগ হলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net