1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
দেশে বেকার ২৭ লাখ ৪০ হাজার - দৈনিক শ্যামল বাংলা
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
বাংলাদেশে ঢুকছে নতুন মাদক ‘কুশ’: কতটা বিপজ্জনক এই মাদক? এআই ব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করা অপরাধ: মেহজাবীন দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী মাটিরাঙ্গায় সরকারি চাল-গম মজুদ রাখায়, দোকানিকে জরিমানা ও পণ্য জব্দ রায়ের পরও জটিলতায় কোম্পানীগঞ্জ সরকারি কলেজের জমি, ইউএনও-এসিল্যান্ড-পৌর প্রশাসকের বিরুদ্ধে অধ্যক্ষের অভিযোগ মাগুরায় ব্র্যাকের উদ্যোগে বিনামূল্যে ৫০০ জন নারী পুরুষকে চক্ষু চিকিৎসা প্রদান মাগুরায় মাদকাসক্ত ব্যাক্তির ছুরিকাঘাতে পুলিশের এসআই আহত ছোটফরিংগা সীমান্তে ১৯ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়ি জব্দ সচিবালয়ে ৬ নম্বর ভবনে আগুন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ফেনী নদীর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন এমপি মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম

দেশে বেকার ২৭ লাখ ৪০ হাজার

রিপোর্টার নাম
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৯ মে, ২০২৫
  • ৩২২ বার

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে বাংলাদেশে বেকারত্বের হার ইতিহাসের সর্বোচ্চ পর্যায়ে ঠেকেছে। চলতি অর্থবছরের অক্টোবর-ডিসেম্বর প্রান্তিকে দেশের বেকারত্বের হার বেড়ে ৪ দশমিক ৬৩ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেকারত্বের রেকর্ড। গতকাল রোববার বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রকাশিত ত্রৈমাসিক শ্রমশক্তি জরিপে এই তথ্য উঠে এসেছে।

শ্রমশক্তি জরিপের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) প্রান্তিকের তথ্য বলছে, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (আইএলও) ১৯তম ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব লেবার স্ট্যাটিসটিসিয়ানসের (আইসিএলএস) তথ্য অনুযায়ী দেশে বর্তমানে বেকারত্বের হার ৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ, গত বছরের একই সময়ে এই হার ছিল ৩ দশমিক ৯৫ শতাংশ। ১৩তম আইসিএলএসের তথ্য অনুযায়ী ডিসেম্বর শেষে দেশের বেকারত্বের হার ৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ দাঁড়িয়েছে।

দেশের বেকারত্ব বাড়ার কারণ হিসেবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, দেশের উচ্চমূল্যস্ফীতি ও বিনিয়োগ পরিবেশের ঘাটতি এবং ব্যাংক ঋণের সুদের হার বেশি হওয়ায় দেশে বেকারত্ব বেড়েছে। বিবিএসের সংজ্ঞা অনুযায়ী, বাংলাদেশে বেকার জনগোষ্ঠী মূলত তারাই, যারা গত সাত দিনে কমপক্ষে এক ঘণ্টাও কোনো কাজ করেননি, কিন্তু কাজ করার জন্য গত সাত দিন ও আগামী দুই সপ্তাহের জন্য প্রস্তুত ছিলেন। পাশাপাশি গত ৩০ দিনে বেতন বা মজুরির বা মুনাফার বিনিময়ে কোনো না কোনো কাজ খুঁজেছেন।

শ্রমশক্তি জরিপের তথ্য এর আগে বিবিএস ১৩তম আইসিএলএস অনুযায়ী প্রকাশ করে আসছিল। যদিও বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশে বর্তমানে ১৯তম আইসিএলএস অনুযায়ী বেকারত্বের হিসাব করা হয়। অনেক সমালোচনার পর বিবিএস এ নিয়ে দুটি শ্রমশক্তি জরিপের তথ্য ১৯তম আইসিএলএস অনুযায়ী প্রকাশ করছে। তবে তারা ১৩তম আইসিএলএসও প্রকাশ করে।

বিবিএস বলছে, আইএলও কর্তৃক প্রণীত ১৩তম ও ১৯তম আইসিএলএসে কর্মে নিয়োজিত প্রাক্কলনে পার্থক্য রয়েছে। এ ক্ষেত্রে, যারা বিগত সাত দিন সময়ে কমপক্ষে এক ঘণ্টা বেতন, মজুরি বা মুনাফার বিনিময়ে অথবা পরিবারের নিজস্ব ভোগের জন্য পণ্য উৎপাদনমূলক কাজ করেছে তারাই মূলত আইএলওর ১৩তম গাইডলাইন অনুযায়ী কর্মে নিয়োজিত হিসেবে বিবেচিত। তবে ১৯তম আইসিএলএস অনুযায়ী, যারা বিগত সাত দিন সময়ে কমপক্ষে এক ঘণ্টা বেতন, মজুরি বা মুনাফার বিনিময়ে কাজ করেছে তারাই মূলত আইএলওর ১৯তম গাইডলাইন অনুযায়ী কর্মে নিয়োজিত হিসেবে বিবেচিত হন। ফলে ১৩তম এবং ১৯তম আইসিএলএস অনুযায়ী প্রাক্কলনে শ্রমবাজারের সূচকগুলোর (শ্রমশক্তি, কর্মে নিয়োজিত, বেকারত্বের হার, শ্রমশক্তির বাইরে অবস্থিত জনগোষ্ঠী, শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার) ফলাফল পৃথক হয়।

বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, ১৩তম আইসিএলএসে ডিসেম্বর শেষে দেশের বেকারত্বের হার ৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। আগের বছরের একই সময়ে এ হার ছিল ৩ দশমিক ২০ শতাংশ। পুরোনো হিসাব অনুযায়ী, দেশের বেকারের সংখ্যা বর্তমানে ২৬ লাখ ১০ হাজার, আগের বছরের একই সময়ে এ হার ছিল ২৩ লাখ ৫০ হাজার। এ হিসাবেও বেকারের সংখ্যা বেড়েছে ২ লাখ ৬ হাজার।

জানতে চাইলে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. মোস্তাফিজুর রহমান আমার দেশকে বলেন, বাংলাদেশে এখন উচ্চমূল্যস্ফীতি, ব্যাংকের উচ্চ ঋণের সুদের হার ইত্যাদি সব মিলিয়ে ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগেও স্থবিরতা বিরাজ করছে। বিশেষত ব্যাংকের ব্যক্তি খাতের ঋণের প্রবৃদ্ধির হারেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশ নিচে রয়েছে।

ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সব মিলিয়ে বিনিয়োগ স্তিমিত থাকলে কর্মসংস্থান কম হয়। গত বছরের তুলনায় দেশের বাইরেও কিছুটা কম বিনিয়োগ গিয়েছে। সেটিও যদি না যেত তাহলে অবস্থা আরো খারাপ হতো। সুতরাং যতক্ষণ পর্যন্ত মূল্যস্ফীতির চাপ আমরা নিয়ন্ত্রণে আনতে না পারছি, এ সংকোচনমূলক মুদ্রানীতিও চালু থাকবে, পলিসি রেটও ওপরে থাকবে। ঋণের সুদের হারও ওপরে থাকবে, সেটির প্রভাব পড়বে অর্থনীতিতে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net