1. nerobtuner@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  2. omarfarukbd12@gmail.com : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
  3. info@shamolbangla.net : শ্যামল বাংলা : শ্যামল বাংলা
মুসাফির ও অসুস্থ ব্যক্তি কীভাবে রোজা রাখবেন? - দৈনিক শ্যামল বাংলা
শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪১ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম:
সরকার সর্বশক্তি দিয়ে দেশে আইনের সমান প্রয়োগ নিশ্চিত করবে: প্রধানমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের জন্মদিনে বাংলাদেশ সুশীল ফোরামের ফুলেল শুভেচ্ছা জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডকে পুঁজি করে নিরপরাধদের ফাঁসানোর অভিযোগ মনোহরগঞ্জে স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও সড়কের কাজ চলছে ধীরগতিতে  মাগুরায় ঐতিহাসিক নোমানী ময়দান রক্ষায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  নবীনগরে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময় সভা ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টির আসন শূন্য ঘোষণা বিসিএসের বাকি ৪৬ জনের প্রজ্ঞাপন সোমবার, রাজনৈতিক পরিচয়ে বৈষম্য হবে না প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিএনপির এমপি মিষ্টির পদত্যাগ মানুষের জীবনের দাম পাঁচ লক্ষ টাকা নয়’

মুসাফির ও অসুস্থ ব্যক্তি কীভাবে রোজা রাখবেন?

ইসলাম ডেস্ক 
  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ২৬৫ বার

মুসাফির বা ভ্রমণকারীর জন্য ইবাদতের ক্ষেত্রে বিশেষ শিথিলতা প্রদান করেছে ইসলাম। বিশেষ করে রমজান মাসে দীর্ঘ ভ্রমণে থাকলে রোজা রাখা না রাখার ব্যাপারে পবিত্র কোরআন ও হাদিসের সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে।

 

মুসাফিরের জন্য রোজা না রাখার অনুমতি: মুসাফিরের জন্য রমজানে রোজা না রাখা জায়েজ। ভ্রমণকারী রোজা রাখতে সক্ষম হোন বা না হোন, সর্বাবস্থায় তিনি এই ছাড় পাবেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘কিন্তু তোমাদের মধ্যে কেউ অসুস্থ বা মুসাফির হলে সে অন্য কোনো দিন (রোজা) গণনা করবে।’ (সুরা বাকারা: ১৮৪)

 

 

রোজা রেখে সুগন্ধি ব্যবহার করা যাবে কি?রোজা রেখে সুগন্ধি ব্যবহার করা যাবে কি?

সফর অবস্থায় রোজার বিধান: যদি সফর খুব বেশি কষ্টদায়ক না হয়, তবে রোজা রাখা উত্তম। রাসুলুল্লাহ (সা.) মক্কা বিজয়ের অভিযানে রোজা অবস্থায় রওনা হয়েছিলেন এবং পথে কাদিদ নামক স্থানে পৌঁছে ইফতার করেছিলেন। (সহিহ্ বুখারি: ৪২৭৬)। যদি কেউ মুসাফির অবস্থায় রোজা শুরু করেন, তাহলে বিনা ওজরে তা ভাঙা জায়েজ নয়। তবে যদি কেউ ভেঙে ফেলেন, তাঁর ওপর শুধু কাজা ওয়াজিব হবে, কাফফারা দিতে হবে না।

 

 

ইতিকাফে বসার আগে যেসব বিষয় জানতে হবেইতিকাফে বসার আগে যেসব বিষয় জানতে হবে

এ ছাড়া সফরে যদি তীব্র গরম বা তৃষ্ণার কারণে প্রাণনাশের আশঙ্কা সৃষ্টি হয়, তবে দ্রুত রোজা ভেঙে ফেলা আবশ্যক। এ ক্ষেত্রেও পরবর্তী সময়ে কেবল কাজা আদায় করলেই চলবে।

 

অসুস্থ ব্যক্তির রোজার বিধান: অসুস্থ ব্যক্তির জন্য রোজা রাখা বাধ্যতামূলক নয়। কোনো ব্যক্তি অসুস্থ হলে এবং রোজা রাখলে তাঁর অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে তখন রোজা ছাড়ার অনুমতি দিয়েছে ইসলাম। কিন্তু সুস্থ হওয়ার পর এসব রোজা কাজা আদায় করতে হবে। (সুরা বাকার: ১৮৫)

 

অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য রোজার বিকল্প: যদি কোনো ব্যক্তি বার্ধক্য বা চিরস্থায়ী অসুস্থতার কারণে রোজা রাখতে না পারেন এবং ভবিষ্যতে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে, তবে তিনি ফিদিয়া প্রদান করবেন। ফিদিয়ার পরিমাণ হলো প্রতিটি রোজার জন্য একটি সদকাতুল ফিতরের সমপরিমাণ খাদ্য বা তার মূল্য। জাকাত ও সদকা পাওয়ার যোগ্য দরিদ্র ও অসহায়দের ফিদিয়া দেওয়া যায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..

মন্তব্য করুন

এ জাতীয় আরো সংবাদ
© All rights reserved © 2025 sweb.net
ডেভলপ ও কারিগরী সহায়তায় sweb.net